রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩

মা পৃথিবীর মধুরতম ডাক, এক বিশাল শক্তির আধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মা পৃথিবীর মধুরতম ডাক, এক বিশাল শক্তির আধার

প্রকাশ ঘোষ বিধান
মা পৃথিবীর মধুরতম ডাক। সবচেয়ে প্রিয় একটি শব্দ। পৃথিবীতে যতগুলো শব্দ আছে তার মধ্যে মধুর শব্দটি মা। ছোট্ট একটি শব্দ মা, কিন্তু তার বিশাল পরিধি, যেমন মমতা জড়ানো, তেমনি হৃদয় ছোয়া এক বিশাল শক্তির আধার।
মা দিবস কেবল একটি নির্দিষ্ট দিন উদযাপন করা নয়, বরং মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ এবং গুরুত্বকে হৃদয়ে লালন করা। মা শব্দটির মধ্যেই লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় আর অকৃত্রিম মমতা। মা হলেন সংসারের হৃৎস্পন্দন, যার অভাব আর কেউ পূরণ করতে পারে না।

মা দিবস কেবল একটি বিশেষ দিন নয়, বরং বছরের প্রতিটি দিনই মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উপলক্ষ। নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ এবং মমতায় গড়ে তোলা জীবনের আধার হলেন মা। এই দিনে বড় কোনো উপহারের চেয়ে মায়ের সাথে সময় কাটানো, তার যতœ নেওয়া এবং তাকে ভালোবেসে আগলে রাখাই শ্রেষ্ঠ উপহার। দিনটি মাতৃত্ব, মাতৃসত্তা এবং সমাজে মায়েদের অবদান ও ত্যাগকে সম্মান জানাতে পালন করা হয়।

আধুনিক মা দিবসের প্রবর্তন করেন মার্কিন নারী আনা জার্ভিস। ১৯০৫ সালে তার মা মারা যাওয়ার পর, সকল মায়ের প্রতি সম্মান জানাতে তিনি এই দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেন। ১৯১৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। আনা জারভিস আমেরিকায় মা দিবসের প্রচলন করেন, যা মায়ের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। মায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য প্রতি বছর সারা বিশ্বে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার পালিত হয় আন্তর্জাতিক মা দিবস।

ভালোবাসা যেন একদিনের জন্য সীমাবদ্ধ না হয়, কারণ মায়ের ত্যাগ প্রতিদিনের। দামি উপহারের চেয়ে মা’র সাথে কিছুক্ষণ কথা বলা, একসাথে খাওয়া বা তার শখের কোনো কাজ করা তাকে বেশি খুশি করবে। ছোটবেলায় মা যেমন আমাদের খেয়াল রেখেছেন, এখন আমাদের দায়িত্ব তার যতœ নেওয়া এবং তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসার স্বীকৃতি দেওয়া। শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের রান্নার গল্প বা পুরনো অ্যালবাম দেখে সময় কাটানো সম্পর্ককে আরো গভীর করে। একটি হাতে লেখা কার্ড বা একটি ভালোবাসার চিঠি যা আপনি কতটা ভালোবাসেন তা বুঝিয়ে বলবে, তা অন্য যে কোনো উপহারের চেয়ে মূল্যবান। সন্তানরা এই দিনে মায়েদের ফুল, শুভেচ্ছা কার্ড, উপহার ও ভালোবাসার বার্তা দিয়ে আনন্দিত করেন। তবে মায়েদের কাছে সবচেয়ে বড় উপহার হলো সন্তানের সময় ও সঙ্গ।

মা দিবস মূলত একটি উপলক্ষ মাত্র। প্রকৃত ভাবনা হলো বছরের প্রতিটি দিনই মাকে ভালোবাসা এবং সম্মান করা। শৈশবে মা যেমন আমাদের শখ পূরণ করেছেন, এখন আমাদের দায়িত্ব মায়ের ছোট ছোট ইচ্ছাগুলোর খেয়াল রাখা। এই দিনে সব মাকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

পত্রদূত রিপোর্ট: “ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

রবিবার (১০ মে) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ৮ টি ইভেন্টের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় সাতক্ষীরা জেলা ও উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত অতিথি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসের উচ্চমান সহকারী মোঃ মনিরুজ্জামান।

প্রভাষক মামুন ও আলফাতকে জেলা গণসংহতির অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
প্রভাষক মামুন ও আলফাতকে জেলা গণসংহতির অভিনন্দন

গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ) এর জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান প্রভাষক মোঃ মামুনুর রহমান ও মোঃ আলফাত হোসেনকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন, সাতক্ষীরা জেলা কমিটি। বিবৃতিদাতারা হলেন সাতক্ষীরা জেলা গণসংহতি আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক মোঃ মিজানুর রহমান, সদস্য সচিব রুবেল গাইন, যুগ্ম সদস্য সচিব সাংবাদিক রবিউল ইসলাম, সদস্য প্রভাষক শপ্না রানী সিংহ, শ্রী সুকুমার চক্রবর্তী, প্রভাষক গোলাম মোস্তফা, মাষ্টার ফলজুল হক, মাষ্টার আমিনউদ্দীন, সাংবাদিক আব্দুর রশীদ, মোঃ সুরাত আলী, নাসরিন নাজরানা বেবি, প্রভাষক যামিনী কুমার মন্ডল, জি,এম মাহফুজ, শ্রমিক নেতা আব্দুল্লাহ বিশ^াস, আশরাফ সরদার প্রমুখ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ) গণমানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিন লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছে। সাতক্ষীরা দুই কৃতি সন্তান গণসংহতি আন্দোলনের জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় সাতক্ষীরায় দলের কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে। প্রভাষক মামুনুর রহমান ও আলফাত হোসেনের অগ্রযাত্রা সাতক্ষীরায় গণসহতি আন্দোলন এবং স্থানীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ ও ৯ মে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য গণসংহতি আন্দোলনের বিশেষ সাংসঠনিক সম্মেলনে দলীয় নেতাকর্মীদের অকুণ্ঠ সমর্থনে সাতক্ষীরা জেলা কমিটির আহবায়ক প্রভাষক মোঃ মামুনুর রহমান ও যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলফাত হোসেনকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করা হয়। উক্ত সম্মেলনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হয়েছেন বর্ষীয়ান কৃষকনেতা দেওয়ান আব্দুর রশীদ নিলু এবং নির্বাহী সমন্বয়কারী পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন ডাঃ আবুল হাসান রুবেল। সম্মেলনে ২১ সদস্যের সম্পাদকমন্ডলী ও ২১৫ সদস্যের জাতীয় পরিষদ ঘোষণা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

 

কপিলমুনির বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ দ্রুতই শুরু হবে: এমপি আবুল কালাম আজাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
কপিলমুনির বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ দ্রুতই শুরু হবে: এমপি আবুল কালাম আজাদ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): কপিলমুনি হাসপাতালের দ্রুত চিকিৎসা সেবার উপযোগী, কপিলমুনি বাজার উন্নয়ন, কপিলমুনি বণিক সমিতির নির্বাচন, বহুতল বিশিষ্ট কপিলমুনি ইউনিয়ন কাউন্সিল ভবন নির্মাণ করা হবে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায় কপিলমুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় স্থানীয় সুধিজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে খুলনা ০৬ এর মাননীয় এমপি মাওঃ আবুল কালাম আজাদ উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।

 

তিনি কিশোর-যুবকদের খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করতে কয়রা পাইকগাছায় দুটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে বলে জানান। এছাড়া তিনি ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, দখল বাজী ও মাদক নির্মূল করতে সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সহযোগীতা চেয়েছেন। তিনি শোষণ ও বঞ্চনাহীন একটি সমাজ বিনির্মাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কপিলমুনি ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউনুচ মোড়লের সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামির জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নায়েবে আমির জি এম বুলবুল আহম্মেদ, উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ আলতাপ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক শেখ মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ, কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের সহ সাধারণ সম্পাদক এস কে আলীম, কপিলমুনির পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই সোহরাব হেসেন, সুদ্বীপ পাল, কপিলমুনি ইউনিয়ণ জামায়াত আমির মোঃ রবিউল ইসলাম, জামায়াত নেতা মোঃ ওমর আলী, মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা উত্তর ছাত্র শিবিরের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত, জামায়াতের কপিলমুনি সদর সভাপতি মোঃ আসাদুল ইসলাম মিলন, কপিলমুনি বাজার শাখার সভাপতি মাওঃআমিনুল ইসলাম সিরাজি, বাজার শাখার সেক্রেটারি আরিফ মল্লিক।

 

উপস্থিত ছিলেন কপিলমুনির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তাপস কুমার সাধু, বিশ্বজিৎ সাধু সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।