মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ জলবায়ুসংকট মোকাবিলায় উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী ও টেকসই বনায়নের বিকল্প নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ জলবায়ুসংকট মোকাবিলায় উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী ও টেকসই বনায়নের বিকল্প নেই

সাতক্ষীরার বেতনা নদীর তীরে সামাজিক বনায়নের আওতায় দুই হাজার বৃক্ষরোপণ এবং শ্যামনগরে ১০ লাখ রোপিত বীজের সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের খবরগুলো অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। বারবার ঘূর্ণিঝড়, জলচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হওয়া দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য এ ধরনের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ কেবল সবুজায়নের কর্মসূচি নয়, বরং এটি জীবন ও জীবিকা সুরক্ষার এক মৌলিক তাগিদ।

সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর ইউনিয়নে তেঁতুলডাঙ্গা গ্রামে বেতনা নদীর তীরে স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধান ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণে কদবেল, তেঁতুল, গোলপাতা, বাবলা ও কেওড়াসহ বিভিন্ন দেশীয় ও উপকূলীয় প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে। এই প্রজাতির গাছগুলো নদীতীরবর্তী মাটি ধরে রাখা, ভূমিক্ষয় রোধ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে, জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত সচেতনতা ও জীবন দক্ষতার শিক্ষাকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিয়ে শিশুনারী ও তরুণদের এসব কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির চমৎকার একটি উদাহরণ।

তবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো চারা রোপণের পর তার নিয়মিত পরিচর্যা ও সুরক্ষার অভাব। শ্যামনগরে বারসিকের যৌথ উদ্যোগে ১০ লাখ চারা সুরক্ষায় ঘের নির্মাণ, পাহারা দেওয়া ও অর্থ সংস্থানের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। গাছ লাগানো যতটা সহজ, তা টিকিয়ে রাখা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ সবুজ বেষ্টনীতে রূপ দেওয়া ততটাই কঠিন। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহু ইতিবাচক উদ্যোগ অতীতে ফলপ্রসূ হতে পারেনি। তাই চারা সুরক্ষা ও পরিচর্যার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অপরিহার্য।

উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা ও লবণাক্ততার প্রসার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এ বাস্তবতা মোকাবিলায় শুধু সরকারি বা এনজিওভিত্তিক বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্থায়ী অংশগ্রহণ এবং পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ। উপকূলজুড়ে টেকসই সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে নদীতীর ও খাস জমিগুলোতে এ ধরনের বনায়ন আরও জোরদার করতে হবে। বেতনা নদীর তীরে এবং শ্যামনগরে গৃহীত সচেতনতামূলক উদ্যোগগুলো দেশের অন্যান্য উপকূলীয় অঞ্চলেও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে। জলবায়ুসংকট থেকে উপকূলকে রক্ষা করতে স্থানীয় জনগণের এই সামাজিক আন্দোলনকে টিকিয়ে রাখা এবং ছড়িয়ে দেওয়াই এখন সময়ের দাবি।

 

Ads small one

আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়াসহ বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শনে আব্দুর রউফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়াসহ বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শনে আব্দুর রউফ

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যার পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্গোৎসবের ম-প পরিদর্শন করেছেন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রউফ। আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়া পূজাম-প পরিদর্শনকালে সার্বজনীন দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রথীন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক জীবন দাস ও উপদেষ্টা নিমাই দাসসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যদের কাছে ১০ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন আব্দুর রউফ। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

কপিলমুনিতে পূজা ম-পে সাবেক চেয়ারম্যান ডাবলুর শুভেচ্ছা ও অনুদান প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে পূজা ম-পে সাবেক চেয়ারম্যান ডাবলুর শুভেচ্ছা ও অনুদান প্রদান

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জননন্দিত সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু পাইকগাছার কপিলমুনি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজাম-পে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন। গত ১৯ ও ২০ অক্টোবর বিকেল ৫টায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে তিনি কপিলমুনি বাজার থেকে শুরু করে আগড়ঘাটা, নাবা, হাউলী, গোয়ালবাথান, চিনামলা, কাশিমনগর ঘাটকান্দা, কাশিমনগর ঋষিপাড়া ও উত্তর কাশিমনগর ঋষিপাড়ার পূজাম-প পরিদর্শন করেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করেন।

পাইকগাছায় উৎসবমুখর পরিবেশে মহানবমী উদ্যাপন, আজ বিজয়া দশমী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় উৎসবমুখর পরিবেশে মহানবমী উদ্যাপন, আজ বিজয়া দশমী

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা সারা দেশের মতো পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন ম-পে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হচ্ছে। ম-পগুলোতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গত ২০ অক্টোবর দেশজুড়ে শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী পালিত হয়। পাইকগাছা উপজেলায় ১৫১টি মন্দির বা ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খুলনার পাইকগাছার বাজারখোলায় ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী সর্বজনীন পূজা মন্দিরে ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকে ঢাকের বাদ্য, কাঁসর-ঘণ্টা, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে উপজেলার পূজাম-পগুলো। সন্ধ্যায় বর্ণিল আলোকসজ্জা, দৃষ্টিনন্দন প্রতিমা আর ভক্তদের উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
পাইকগাছার বিভিন্ন পূজাম-পে সকাল থেকেই ভক্তদের আনাগোনা শুরু হয়। সন্ধ্যার পর ম-পে ম-পে পূজারিদের ভিড় বাড়তে থাকে। কেউ দেবী দুর্গার প্রতিমার সামনে করজোড়ে প্রণাম করছেন, কেউ অঞ্জলি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উৎসবের মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখতে ছবি তুলছেন। ফুল, ধূপ ও আগরবাতির সৌরভে ম-পগুলোতে বিরাজ করছে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশ।
২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন ও এবারের দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদ্যাপনের জন্য দেশের বিভিন্ন পূজাম-পে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।