বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সম্পাদকীয়: সাবাশ সাতক্ষীরা!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়: সাবাশ সাতক্ষীরা!

খুলনার সবুজ মাঠে সাতক্ষীরার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে ফুটবলাররা বালক ও বালিকাÑউভয় বিভাগে যেভাবে বিভাগীয় শ্রেষ্ঠত্বের ‘জোড়া মুকুট’ ছিনিয়ে এনেছে, তা এককথায় অভূতপূর্ব। একই সঙ্গে দুই বিভাগে কোনো একক জেলার এমন জোড়া সাফল্য কেবল ক্রীড়াশৈলীর জয় নয়, এটি তৃণমূলের একাগ্রতা ও অন্তহীন স্বপ্নের এক অনন্য দলিল। এই ঐতিহাসিক বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণে আমাদের অবলীলায় বলতে হয়Ñসাবাশ সাতক্ষীরা!

খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শ্যামনগরের পূর্ব মীরগাঙ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে খেলোয়াড়দের মাঠের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। ছেলেরা যেখানে গতির ঝড়ে প্রতিপক্ষকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে, সেখানে মেয়েরা দেখিয়েছে নিখুঁত পরিকল্পনা ও ইস্পাতকঠিন রক্ষণভাগের দেওয়াল। বিশেষ করে পূর্ব মীরগাঙের বালিকাদের টানা তিনবার জেলা চ্যাম্পিয়ন ও দ্বিতীয়বারের মতো বিভাগীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন প্রমাণ করে, এই সাফল্য কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং বছরের পর বছর ধরে চলা কঠোর সাধনা ও নিয়মানুবর্তিতার ফসল।

একটি সমাজের সুস্থ মানসিক বিকাশ ও শৃঙ্খলা গঠনে মাঠের খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে যখন কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম মোবাইল আসক্তি, মাদকের করাল গ্রাস কিংবা নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ছে, তখন এই খুদে ফুটবলাররা দেখাল কীভাবে মাঠের সবুজ ঘাসকে জীবনের ক্যানভাস বানিয়ে স্বপ্ন বোনা যায়। এই শিশুদের চোখে যে আত্মবিশ্বাস, তা কেবল ফুটবল মাঠেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আগামী দিনে তাদের যোগ্য নাগরিক ও নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলি তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

তবে এই রূপকথার পেছনের কারিগরদের অবদানও খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। অজপাড়াগাঁয়ের এই প্রতিভাদের চিনে নেওয়া, তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মাঠের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করার পেছনে স্থানীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং অভিভাবকদের যে ত্যাগ ও নিষ্ঠা ছিল, তা প্রশংসার দাবিদার।
বিভাগীয় গ-ি পেরিয়ে এবার এই খুদে চ্যাম্পিয়নদের সামনে লক্ষ্য জাতীয় পর্যায়। আমরা মনে করি, এই খুদে ফুটবলাররাই দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ কা-ারি। তাদের এই জয়যাত্রাকে টিকিয়ে রাখতে এবং আরও বড় মঞ্চের জন্য প্রস্তুত করতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি ও সুপরিকল্পিত পরিচর্যা প্রয়োজন। সরকারি ও প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

সাতক্ষীরার এই খুদে ফুটবলাররা প্রমাণ করেছে, সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে আমাদের প্রান্তিক অঞ্চলের শিশুরাও ইতিহাস গড়তে পারে। বিজয়ী সব খুদে ফুটবলার, তাদের নেপথ্যের কারিগর শিক্ষকবৃন্দ এবং আনন্দিত সাতক্ষীলাবাসীকে আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন। এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক।

Ads small one

কোস্টগার্ডের কাছে সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
কোস্টগার্ডের কাছে সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ

পত্রদূত রিপোর্ট: আবারো সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনী প্রধান সুমনসহ ৭ দস্যু ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড তাঁজা গুলি জমা দিয়ে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তর চত্বরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেজবা উল ইসলামের কাছে অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ করেন এ দস্যু বাহিনী। এ সময় কোস্ট গার্ড, বিজিবি, পুলিশ, বনবিভাগ, র‌্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২০১৮ সালেও র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন ছোট সুমন বাহিনী।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন’র জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেজবা উল ইসলাম জানান, সুন্দরবনের সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মুলে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুইটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ অভিযানের প্রেক্ষিতে সুন্দরবনের বিভিন্ন দস্যু বাহিনী বর্তমানে ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। যার ফলে সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগী সদস্যরা কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়।

 

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১৭ মে রাত ১১ টার দিকে মোংলার সুন্দরবনের নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের কাছে বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার ও তার সহযোগীসহ মোট ৭ জন দস্যু অস্ত্র ও গুলিসহ অনানুষ্ঠানিকভাবে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩ টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২ টি দেশীয় পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাঁজা গুলি , ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি গ্রহণ করা হয়। এরপর ২১ মে বৃহস্পতিবার সকালে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ সম্পন্ন হয়। এর আগে ২০১৮ সালেও ছোট সুমন বাহিনী র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলো।

আত্মসমর্পণ করা ছোট সুমন বাহিনী প্রধান সুমন হাওলাদার বলেন, এর আগে ১ বছর ডাকাতি করে ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করি। এরপর ব্যবসা বাণিজ্য করে চলছিলাম। কিন্ত বিগত ৫ আগস্টের পর হামলা, মামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হই। তারপরও ইচ্ছা ছিলনা ডাকাতিতে নামার কিন্তু বাধ্য হয়ে নামতে হয়েছিল। এবারও বছরখানেক সময় ডাকাতির পর সুযোগ পেয়ে আত্মসমর্পণ করলাম। সরকার ও প্রশাসনের কাছে দাবী আমাদের মামলাগুলো যেন সহজ করে দেয়া হয়। আর আমরা নতুন করে যেন কোন হামলা, মামলা ও হয়রানীর শিকার না হই। আমরা যেন টুকটাক ব্যবসা বাণিজ্য করে বেচে থাকতে পারি।

অপর সহযোগী সদস্যরা বলেন, সারাক্ষণ প্রশাসনের ভয়ে থাকতে হতো। ছিল না ঠিকমতো নাওয়া-খাওয়া ও ঘুমও। যখন-তখন মৃত্যুর ভয় নিয়ে জীবনটাকে ঠোঁটের মাথায় নিয়ে চলতে হতো। কোস্টগার্ড সুযোগ দেওয়ায় আমরা আত্মসমর্পণ করলাম।

আত্মসমর্পণকারী দস্যু সুমন হাওলাদার (৩২), রবিউল মল্লিক (২৫), রফিক শেখ (২৯), সিদ্দিক হাওলাদার (৪০), গোলাম মল্লিক (৩৮), ইসমাইল খান (৩১) মোংলা ও মাহফুজ মল্লিক (৩৪) রামপালের বাসিন্দা।

কোস্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা আরো বলেন, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে সুন্দরবনের সকল দস্যু বাহিনীকে দ্রুত আত্মসমর্পণের আহ্বান জানাচ্ছি। আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে; অন্যথায় আরও কঠোর অবস্থানে যাবে কোস্ট গার্ড।

এদিকে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামক দুইটি পৃথক বিশেষ অভিযানের প্রেক্ষিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে অদ্যাবধি ২৬ টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাঁজা গুলি, ১৭৮ রাউন্ড তাঁজা কার্তুজ, ২৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগান গুলি ও ২টি ওয়াকি-টকি উদ্ধার এবং ২১ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা মোট ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা আরো বলেন, কোস্ট গার্ডের চলমান এ সকল কার্যকর অভিযানের ফলে স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও অসাধু চক্র বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং অপরাধ দমন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণাই কোস্ট গার্ডের চলমান অভিযানিক কার্যক্রম ও দস্যু দমন প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারবে না। এ ব্যাপারে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

 

সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুব সমাজের সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ প্রশিক্ষণের মডিউল উন্নয়ন কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুব সমাজের সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ প্রশিক্ষণের মডিউল উন্নয়ন কর্মশালা

সোশ্যাল কোহেশন নেটওয়ার্ক (এসসিএন) এর পক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুব সমাজের সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ প্রশিক্ষণের মডিউল উন্নয়ন কর্মশালা আজ (বৃস্পতিবার) খুলনা রূপান্তর সংস্থার সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

অতিথিরা বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শান্তি প্রতিষ্ঠা, সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সংহতি জোরদার করা এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল গুজব, ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক কনটেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ফলে সমাজে অবিশ্বাস, বিভাজন ও উত্তেজনা বাড়ছে।

 

অনেক ক্ষেত্রে এসব পরিস্থিতি সংঘাতের দিকেও রূপ নিচ্ছে। তাই সময়োপযোগী আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। তারা আরও বলেন, এসসিএন মূলত সিভিল সোসাইটি, যুবসমাজ এবং স্থানীয় কমিউনিটিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। সংগঠনটি ডিজিটাল লিটারেসি বৃদ্ধি, ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ, কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন সংঘাত নিরসন এবং কার্যকর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি সরকার, গণমাধ্যম, একাডেমিক ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ ও সমন্বিত উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কর্মশালায় জানানো হয়, সোশ্যাল কোহেশন নেটওয়ার্ক (এসসিএন) একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। বর্তমানে দেশের আটটি বিভাগ ও ২৭টিরও বেশি জেলায় ৪১টি সিভিল সোসাইটি সংগঠন এ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যেখানে রূপান্তর সেক্রেটারিয়েট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি এ নেটওয়ার্ককে ‘সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নাগরিক সংগঠনের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ নামক প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে।

কর্মশালায় খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. খান মেহেদী হাসান, সমাজ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. তুহিন রায়, অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক শেখ ফয়জান বিন হালিম, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভাসিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মারুফুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক তানভীর হোসাইন, খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের প্রভাষক মুমতাহেনা ফেরদৌসী, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ রমজান আলী, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, সাতক্ষীরা অগ্রগতি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো: আব্দুস সবুর বিশ^াস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কর্মশালায় বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধি, যুব প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে। তথ্যবিবরণী

হাইকোর্টের নির্দেশে সপদে বহাল একেএম আজহারুজ্জামান মুকুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
হাইকোর্টের নির্দেশে সপদে বহাল একেএম আজহারুজ্জামান মুকুল

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদরের বল্লী মোঃ মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক একেএম আজহারুজ্জামান মুকুল পুনরায় স্বপদে বহাল হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, গত ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি বিভিন্ন মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে তিনি ওই বরখাস্তাদেশের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি শুনানির পর গত ১২ মে হাইকোর্ট সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বাতিল করেন। আদালতের নির্দেশনা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে জারি করা সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

এর ফলে একেএম আজহারুজ্জামান মুকুল পুনরায় তার পূর্বের দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে তার স্বপদে প্রত্যাবর্তনের ঘটনায় বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

 

অনেকের মতে, এ সিদ্ধান্ত বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষা পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বল্লী মোঃ মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি এখন স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পূর্বের গতিতেই চলমান।

উল্লেখ্য, একেএম আজহারুজ্জামান মুকুলের সাময়িক বরখাস্তের ঘটনাটি পূর্বে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। সর্বশেষ আদালতের নির্দেশনা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।