বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিতে হওয়া সার ডিলারশিপ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিতে হওয়া সার ডিলারশিপ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ৭৭টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভায় সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে বিতর্কিত ডিলার নিয়োগের তালিকা বাতিল এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন করে নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচি থেকে সার ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত এবং যোগ্য প্রার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সার ডিলার নিয়োগের তালিকা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের দাবি, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিয়ে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও ডিলার নিয়োগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা বিতর্কিত নিয়োগের তালিকা বাতিল করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় নতুন করে সার ডিলার নিয়োগের দাবি জানান। একই সঙ্গে নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় শর্ত যথাযথভাবে যাচাই এবং পুরো প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টু, সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান সজীব, যুগ্ম সম্পাদক খোকাসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তবে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, আর্থিক লেনদেন এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগগুলোর বিষয়ে জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার জন্য ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন জেলার সচেতন মহল।

Ads small one

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ক্রিষ্টাল মেথ আইস আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ক্রিষ্টাল মেথ আইস আটক

পত্রদূত ডেস্ক: বুধবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় ঘোনা বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ গ্রাম ভারতীয় ক্রিস্টাল মেথ আইস জব্দ করে।

বিজিবি জানায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, ঘোনা বিওপির দায়িত্বাধীন দাঁতভাঙ্গা শ্মশানঘাট নামক স্থান দিয়ে মাদকদ্রব্য ভারত হতে বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে আগমন করবে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্তির পর ঘোনা বিওপির একটি চৌকষ আভিযানিক দল কৌশলে বর্ণিত স্থানে অবস্থান করে।

 

এ সময় চোরাকারবারী বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি বুঝতে পেয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে উক্ত স্থান থেকে ৫০০ গ্রাম ভারতীয় ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করে, যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষা করার মহতী উদ্যোগের অংশ হিসেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিজিবির এ অভিযানে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ জানান।

 

পাইকগাছায় আমন আবাদ ভালো হলেও নানা প্রতিকূলতায় লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আমন আবাদ ভালো হলেও নানা প্রতিকূলতায় লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হয়নি

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের আবাদ ভালো হলেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। বৈরি আবহাওয়, অতিবৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট হওয়া, চারা রোপণের সময় বৃষ্টির ঘাটতি, লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১৫০ হেক্টর জমিতে কম আবাদ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ১৩ হাজার ৩৩০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নানা প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে আবাদ হয়েছে ১৩ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ কম হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে বীজতলা তৈরি করা হলেও অতিবৃষ্টিতে কয়েক দফায় সেগুলো পানিতে ডুবে নষ্ট হয়। এতে নতুন করে চারা উৎপাদনের প্রয়োজন দেখা দেয়। পরে চারা রোপণের সময় বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় অনেক জমিতে সময়মতো রোপণ করা সম্ভব হয়নি। কোথাও লাগানো চারা মারা যাওয়ায় জমি অনাবাদি থেকে গেছে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও আবহাওয়া জনিত কারণে উপকূল এলাকায় কৃষির মৌসুম দেরিতে শুরু হয়। লবণাক্ত উপকূল এলাকার পানি ও মাটি আমন চাষের জন্য লবনমুক্ত তৈরী করতে কিছুটা সময় বেশি লাগে। মাটি থেকে অতিরিক্ত লবণ দূর করে চাষ উপযোগী ও লবণমুক্ত হলে চারা রোপন করা হয়। তাছাড়া মৎস্য লীজ ঘের গুলো কিছুটা নিচু হওয়ায় আমন চাষের উপযোগি করতে আরো বেশি সময় লাগে। সে কারণে উপকূলের এ অঞ্চলে কৃষির আবাদ অন্যান্য এলাকা থেকে ১৫ থেকে এক মাস পরে আবাদ শুরু হয়।

আবহাওয়াজনিত প্রতিকূলতার পাশাপাশি জমির ব্যবহার পরিবর্তনের বিষয়টিও আমন আবাদের ওপর প্রভাব ফেলছে। কৃষির জন্য আবহাওয়ার পাশাপাশি জমিতে পানির সঠিক ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে চারা রোপণ ব্যাহত হয়। অন্যদিকে প্রয়োজনীয় বৃস্টির অভাবে নতুন চারা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। উপকূলীয় এলাকায় মাটির লবণাক্ততাও ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করতে পারে। পাইকগাছায় এসব প্রতিকূলতা আমন আবাদে প্রভাব ফেলেছে ।

পাইকগাছা গদাইপুর ইউনিয়ানের হিতামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, খারাপ আবহাওয়া ও অতিবৃস্টির কারণে বীজ তলার চারা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অধিক দামে চারা কিনে আবাদ করায় খরচ বেড়ে গেছে। তা ছাড়া জমি চাষ, চারা রোপণ, আগাছা পরিষ্কার ও রোগবালাই দমনে সার কিট নাশক প্রয়োগ, ধান কাটার জন্য অধিক দামে শ্রমিক নিয়ে কাজ করতে হয়। কিন্তু উৎপাদিত ধানের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকতে হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসের হিসাব অনুযায়ী, পাইকগাছার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় আমন ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে দেলুটি ইউনিয়নে সর্বাধিক ৩ হাজার ৭৪৫ হেক্টর, গড়ইখালী ইউনিয়নে ২ হাজার ৩১৫ হেক্টর, চাঁদখালী ইউনিয়নে ১ হাজার ৯০০ হেক্টর, কপিলমুনি ইউনিয়নে ৮৮০ হেক্টর, লতা ইউনিয়নে ৮৭০ হেক্টর, লস্কর ইউনিয়নে ৮২০ হেক্টর, হরিঢালী ইউনিয়নে ৮১৫ হেক্টর, গদাইপুর ইউনিয়নে ৫৯০ হেক্টর, সোলাদানা ইউনিয়নে ৫৮০ হেক্টর, রাড়ুলী ইউনিয়নে ৫২৫ হেক্টর ও পৌরসভায় ১৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টিতে কয়েক দফায় বীজতলা নষ্ট হয়েছে। পরে চারা রোপণের সময় বৃষ্টির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় অনেক জমিতে সময়মতো চারা লাগানো সম্ভব হয়নি। কিছু জমিতে রোপণ করা চারাও মারা গেছে। এ ছাড়া উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার সমস্যাও রয়েছে। এসব কারণে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৫০ হেক্টর জমিতে কম আবাদ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও কৃষকরা যাতে ভালো ফলন পান, সেজন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জমির ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত জাত নির্বাচন, সুষম সার প্রয়োগ, রোগবালাই দমন ও পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

শ্যামনগরে বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে কম্পিউটার, শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে কম্পিউটার, শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে অগ্নিকা-ে প্রায় তিন লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছে শিক্ষা বিভাগ। বিদ্যালয়টির নাম ১৭৫ নং দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

অগ্নিকা-ে দুটি প্রজেক্টর, একটি ল্যাপটপ, তিনটি সাউন্ড বক্স, একটি টেলিভিশন, দুটি টেবিল ফ্যান, দুটি রাউটার, একটি মেগাফোনসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষক সহায়িকা, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ পরিকল্পনা এবং ১০টি ডিজিটাল ব্যানারও। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম মিজানুর রহমান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া প্রতিবেদনে জানান, সোমবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে পাঠদান শেষে তিনি বিদ্যালয় থেকে বাড়ি চলে যান। পরে বিকেল পাঁচটার দিকে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি অফিসকক্ষ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন দেখতে পান। এ সময় শোকেস ও সাউন্ড বক্সে আগুন জ্বলছিল। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়। অগ্নিকা-ে অফিসের আসবাব, পানির ফিল্টার, প্লাস্টিকের ওয়ারড্রব, র‌্যাক, দেয়ালঘড়ি, মনিটরিং বোর্ড, টেবিল ও চেয়ার পুড়ে গেছে।

 

এ ছাড়া কাঁচের গ্লাস, ডিনার সেট, মেলামাইনের প্লেট, গামলা ও চামচ, টেবিলের কাপড় এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের রানারআপ ট্রফি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনে বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও পুড়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্কুল ফিডিং রেজিস্টার, বই বিতরণ রেজিস্টার এবং তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা। প্রধান শিক্ষকের হিসাবে, অগ্নিকা-ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিন লাখ টাকা। ঘটনার পর গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তাঁর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষের অধিকাংশ মালামাল পুড়ে গেছে। কক্ষের দেয়াল ও সিলিং কালো হয়ে গেছে। সরেজমিন পর্যবেক্ষণে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, “দক্ষিণ পাখিমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অগ্নিকা-ের ঘটনা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ সংগ্রহ করা হয়েছে। অগ্নিকা-ের প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।”