বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরাজুড়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাতটায় সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার অন্যতম প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মুসল্লি অংশ নেন। একই সঙ্গে জেলার সাতটি উপজেলার গ্রাম, মহল্লা ও বিভিন্ন ঈদগাহ ময়দান এবং মসজিদগুলোতেও পর্যায়ক্রমে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।

মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের জামায়াতে ইমামতি করেন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন আজাদী। ঈদের জামাতে জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, যুবকসহ নানা বয়সী মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে খুতবায় ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মানবতার শিক্ষা তুলে ধরা হয়। পরে বিশেষ মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

এদিকে ঈদকে ঘিরে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা যায়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মুসলমানদের বৃহৎতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রবৃত্তির দাসত্ব, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুত্বকে পরাভূত করার শিক্ষা দেয় কোরবানির। মহান আত্মত্যাগ, আত্মসমর্পণ এবং নিজেকে উৎসর্গ করার মহিমায় উদ্ভাসিত মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, সমৃদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ অটুট করে। বৃহৎতম এই ধর্মীয় উৎসবে ধনী, গরিব সব মানুষের মনপ্রাণ ঈদের আনন্দ উচ্ছ্বাসে মিলে যায়।

আল্লাহ তায়ালার প্রতি অপার আনুগত্য এবং তারই রাহে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে মুসলিম বিশ্বে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে। মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে কোরবানির রেওয়াজ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন

এই অনন্য ঘটনার স্মরণে কোরবানি প্রচলিত হয়। আরবি ‘কুরবান’ শব্দ থেকে কোরবানি। এর অর্থ-ত্যাগ, উৎসর্গ, বিসর্জন, নৈকট্যলাভ। পরিভাষায় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্যলাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট দিনে, নিদিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট পশু জবেহ করাকে উযহিয়্যা বা কোরবানি বলে। মনের পশু অর্থাৎ কুপ্রবৃত্তিকে পরিত্যাগ করা। মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রয়োজনে নিজের প্রিয় বস্তুকে কোরবানি দেওয়ার প্রস্তুতির শিক্ষাই এ ঈদের আদর্শ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দ্বিধাহীনভাবে তার কাছে আত্মসমর্পণ এবং তার নির্দেশ শর্তহীনভাবে মেনে নেওয়াই হলো ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষা দেয়।

সাতক্ষীরা মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় ঈদুল আজহার নামাজে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহসুদুর রহমান, অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ পাড়, সদস্য আব্দুল আজিজসহ প্রশাসনের উদ্বোধন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, আলেম-ওলামাসহ ধনী, গরিব, সর্বস্তরের মানুষ।

Ads small one

বাবা-মা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
বাবা-মা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:  পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায়ের পর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ শেষে সকাল ৮টা ৩৮ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে বাবা-মায়ের সমাধিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

 

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী একান্তে কবর জিয়ারত করেন। পরে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন।

 

এরপর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের নেতাদের নিয়ে বাবা-মায়ের কবরে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পরে নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর।

 

পরে প্রধানমন্ত্রী বনানীতে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরে যান। সেখানেও ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন তিনি।

 

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়তে একযোগে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়তে একযোগে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

অনলাইন ডেস্ক: ঈদ উল আজহার আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করে একটি ‘ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

 

বৃহস্পতিবার ঈদের দিন এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। এদিন বঙ্গভবনে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি ও তার স্ত্রী রেবেকা সুলতানা।

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, “আসুন বিভেদ নয়—ঐক্য, হিংসা নয়—সহমর্মিতা, স্বার্থপরতা নয়—ন্যায়পরায়ণতা, বৈষম্য নয়—সাম্য; ঈদ উল আজহার এই মহান আদর্শ ও মূল্যবোধ হৃদয়ে ধারণ করি।’”

ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশবাসী এবং বিশ্বের মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

 

তিনি বলেন, ঈদুল আজহা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, আত্মত্যাগ, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সংহতি ‘সুদৃঢ়’ করে।

 

“এই উৎসব বিদ্বেষ, অহংকার ও মনের পশুত্বকে কোরবানি করার এক চিরন্তন ও সর্বজনীন আহ্বান।”

 

রাষ্ট্রপতি তার বার্তায় দরিদ্র ও অভাবগ্রস্ত মানুষ, আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এবং তাদের ন্যায্য হক আদায়ের জন্য সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

তিনি এসময় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা তৈরির ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন। কোরবানির পশুবর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

 

সাড়ে বেলা ১১টায় আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, বিচারপতি, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

 

বঙ্গভবনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, আইজিপিসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ পড়েন এবং মোনাজাতে শরিক হন।

 

পরে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন এবং উপস্থিত ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরায় বিজিবি’র ঈদের ছুটি বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরায় বিজিবি’র ঈদের ছুটি বাতিল

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরা সীমান্ত পথে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সম্ভাব্য পুশইন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাতক্ষীরা বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ান।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধে সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ানের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত টহল আরো জোরদার করা হয়েছে। কাজেই সীমান্ত বরাবর নিরবিচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে ৩৩ ব্যাটালিয়ান সদর দপ্তর সহ বিওপি গুলোতে দায়িত্বরত সকল বিজিবি সদস্যের কোরবানির ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

 

সীমান্ত সুরক্ষায় বিশেষ করে রাতের বেলায় শক্তিশালী টর্চলাইট ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিজিবি সদস্যরা তাদের স্ব স্ব দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করছেন। সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, কোরবানির পশুর চামড়া পাচার ও পুশ ইনের মত যেকোনো অপতাব্বরতা প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেখানে বসবাসকারী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। বাংলা ভাষাভাষী অনেক লোককে আটক করে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে। পরে তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

 

এসব ব্যক্তিকে বাংলাদেশি দাবি করে ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক যেকোনো সময় সীমান্ত পথে বাংলাদেশে পুশইনের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের হাকিমপুর এলাকায় ইতোমধ্যে বিপুল সংখ্যক বাংলাভাষী নারী- পুরুষ ও শিশুকে জড়ো করা হয়েছে বলে সীমান্তের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। রাতের বেলায় টস লাইট জ্বালিয়ে তারা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। একই সঙ্গে কোরবানির পশুর চামড়া যাতে অবৈধভাবে ভারতে পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন এর মত ঘটনা প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণকে সতর্ক করতে ও দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদেরকে সহায়তা করতে বৃহস্পতিবার দিনভর সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, “সাতক্ষীরা সীমান্তজুড়ে বিজিবি’র জনবল বৃদ্ধি করে টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি সদস্যরা রাতভর পাহারা দিচ্ছেন। প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে আমাদের জওয়ানরা সর্বদা সজাগ রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটালিয়ানের সকল বিজিবি সদস্যের কোরবানির ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।”