বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ তালা মডেল মসজিদে অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ তালা মডেল মসজিদে অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার প্রধান ঈদের নামাজ তালা মডেল মসজিদে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হয়।

তালা মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা তাওহিদুর রহমান নামাজ পরিচালনা করেন। নামাজ শেষে তিনি দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি, শান্তি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে উপস্থিত মুসল্লিরা আমিন আমিন ধ্বনিতে অংশগ্রহণ করেন।

নামাজে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রাহাত খান এবং সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আলহাজ্ব ডাঃ মাহমুদুল হক। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

নামাজ শেষে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লিরা পরস্পরের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। সকলের মুখে ছিল আনন্দ ও উৎসবের আমেজ।

তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার জানান, তিনি তালা মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহা শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি ত্যাগ ও কোরবানির মহান শিক্ষা বহন করে। হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর অতুলনীয় আত্মত্যাগের স্মরণে এই ঈদ আমাদের সকলকে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার পথে অনুপ্রাণিত করুক — এই প্রত্যাশা তিনি ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, তালা মডেল মসজিদের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদেও পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সর্বত্র ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ঈদের নামাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়।

Ads small one

সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরায় বিজিবি’র ঈদের ছুটি বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরায় বিজিবি’র ঈদের ছুটি বাতিল

অনলাইন ডেস্ক: সাতক্ষীরা সীমান্ত পথে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সম্ভাব্য পুশইন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাতক্ষীরা বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ান।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধে সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ানের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত টহল আরো জোরদার করা হয়েছে। কাজেই সীমান্ত বরাবর নিরবিচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে ৩৩ ব্যাটালিয়ান সদর দপ্তর সহ বিওপি গুলোতে দায়িত্বরত সকল বিজিবি সদস্যের কোরবানির ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

 

সীমান্ত সুরক্ষায় বিশেষ করে রাতের বেলায় শক্তিশালী টর্চলাইট ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিজিবি সদস্যরা তাদের স্ব স্ব দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করছেন। সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, কোরবানির পশুর চামড়া পাচার ও পুশ ইনের মত যেকোনো অপতাব্বরতা প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেখানে বসবাসকারী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। বাংলা ভাষাভাষী অনেক লোককে আটক করে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে। পরে তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

 

এসব ব্যক্তিকে বাংলাদেশি দাবি করে ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক যেকোনো সময় সীমান্ত পথে বাংলাদেশে পুশইনের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের হাকিমপুর এলাকায় ইতোমধ্যে বিপুল সংখ্যক বাংলাভাষী নারী- পুরুষ ও শিশুকে জড়ো করা হয়েছে বলে সীমান্তের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। রাতের বেলায় টস লাইট জ্বালিয়ে তারা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। একই সঙ্গে কোরবানির পশুর চামড়া যাতে অবৈধভাবে ভারতে পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন এর মত ঘটনা প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণকে সতর্ক করতে ও দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদেরকে সহায়তা করতে বৃহস্পতিবার দিনভর সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরাস্থ বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, “সাতক্ষীরা সীমান্তজুড়ে বিজিবি’র জনবল বৃদ্ধি করে টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি সদস্যরা রাতভর পাহারা দিচ্ছেন। প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে আমাদের জওয়ানরা সর্বদা সজাগ রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটালিয়ানের সকল বিজিবি সদস্যের কোরবানির ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।”

 

খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদযাপিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদযাপিত

অনলাইন ডেস্ক: যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) সারাদেশের মতো খুলনায় পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদযাপিত হয়।

এ উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধাসরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়কদ্বীপ বাংলা ও আরবীতে ঈদ মোবারক খচিত ব্যানারে সজ্জিত করা হয়।

ঈদ-উল-আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাতটায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে। জামাতে ইমামতি করেন মুফতি আব্দুর রাজ্জাক। এছাড়া সকাল আটটায় দ্বিতীয় ও নয়টায় তৃতীয় জামাত খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন-সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লী অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে মুসল্লীরা পরস্পর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সাড়ে সাতটায় খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদে এবং সোয়া সাতটায় নূরনগর মেট্রোপলিটন মডেল মসজিদে ঈদের জামাত  অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে পৃথকভাবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

খুলনা নগরীর খালিশপুর জামে মসজিদ, বসুপাড়া ইসলামাবাদ জামে মসজিদ, নিউমার্কেট সংলগ্ন বায়তুন-নুর-জামে মসজিদ, ডাকবাংলা জামে মসজিদ, ময়লাপোতা বায়তুল আমান জামে মসজিদ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, খুলনা বিশ^বিদ্যালয় জামে মসজিদ, সোনাডাঙ্গা হাফিজনগর জামে মসজিদ, খুলনা ইসলামাবাদ, পিটিআই জামে মসজিদ, পশ্চিম টুটপাড়া আশরাফিয়া জামে মসজিদ, দক্ষিণ টুটপাড়া আল-আমিন জামে মসজিদ, মোল্লা পাড়া জামে মসজিদ, রহমানিয়া জামে মসজিদ, জাতিসংঘ শিশু পার্ক, কেডিএ, নিরালা জামে মসজিদ, সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা, দারুল উলুম মাদ্রাসা, সোনাডাঙ্গা আন্ত:জেলা বাস টার্মিনাল মসজিদ, রূপসা বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ, ফেরিঘাট আবু বক্কর সিদ্দিক (রা.) জামে মসজিদ, গোবরচাকা জামে মসজিদ, আড়ংঘাটা, নতুন রাস্তা জামে মসজিদ, দক্ষিণ কাশিপুর জামে মসজিদ, টুটপাড়া, মিয়াপাড়া, শেখপাড়া, বসুপাড়া, জোড়াগেট সিএন্ডবি কলোনী মসজিদ, বয়রা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন, খালিশপুর ক্রিসেন্ট জুট মিলস, বিএল কলেজ, দেয়ানা, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা, খানজাহান নগর খালাসী মাদ্রাসা,  মহেশ^রপাশা, দৌলতপুর,  খালিশপুর এবং খানজাহান আলী থানাসহ নগরীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুুষ্ঠিত হয়।

 

ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশুসদন, ছোটমনি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, আশ্রয় কেন্দ্র, সেফ হোমস, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং স্থানীয় সংবাদপত্রসমূহ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে।

উপজেলা সমূহেও স্থানীয়ভাবে অনুরূপ কর্মসূচি উদযাপন করা হয়।

সাতক্ষীরায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরাজুড়ে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাতটায় সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার অন্যতম প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মুসল্লি অংশ নেন। একই সঙ্গে জেলার সাতটি উপজেলার গ্রাম, মহল্লা ও বিভিন্ন ঈদগাহ ময়দান এবং মসজিদগুলোতেও পর্যায়ক্রমে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়।

মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের জামায়াতে ইমামতি করেন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন আজাদী। ঈদের জামাতে জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, যুবকসহ নানা বয়সী মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে খুতবায় ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও মানবতার শিক্ষা তুলে ধরা হয়। পরে বিশেষ মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

এদিকে ঈদকে ঘিরে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আমেজ দেখা যায়। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মুসলমানদের বৃহৎতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রবৃত্তির দাসত্ব, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুত্বকে পরাভূত করার শিক্ষা দেয় কোরবানির। মহান আত্মত্যাগ, আত্মসমর্পণ এবং নিজেকে উৎসর্গ করার মহিমায় উদ্ভাসিত মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, সমৃদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ অটুট করে। বৃহৎতম এই ধর্মীয় উৎসবে ধনী, গরিব সব মানুষের মনপ্রাণ ঈদের আনন্দ উচ্ছ্বাসে মিলে যায়।

আল্লাহ তায়ালার প্রতি অপার আনুগত্য এবং তারই রাহে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এক ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে মুসলিম বিশ্বে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে। মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে কোরবানির রেওয়াজ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন

এই অনন্য ঘটনার স্মরণে কোরবানি প্রচলিত হয়। আরবি ‘কুরবান’ শব্দ থেকে কোরবানি। এর অর্থ-ত্যাগ, উৎসর্গ, বিসর্জন, নৈকট্যলাভ। পরিভাষায় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্যলাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট দিনে, নিদিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট পশু জবেহ করাকে উযহিয়্যা বা কোরবানি বলে। মনের পশু অর্থাৎ কুপ্রবৃত্তিকে পরিত্যাগ করা। মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রয়োজনে নিজের প্রিয় বস্তুকে কোরবানি দেওয়ার প্রস্তুতির শিক্ষাই এ ঈদের আদর্শ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দ্বিধাহীনভাবে তার কাছে আত্মসমর্পণ এবং তার নির্দেশ শর্তহীনভাবে মেনে নেওয়াই হলো ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষা দেয়।

সাতক্ষীরা মুনজিতপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় ঈদুল আজহার নামাজে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহসুদুর রহমান, অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ পাড়, সদস্য আব্দুল আজিজসহ প্রশাসনের উদ্বোধন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, আলেম-ওলামাসহ ধনী, গরিব, সর্বস্তরের মানুষ।