মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় প্রথম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী ধর্ষিত, থানায় মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রথম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী ধর্ষিত, থানায় মামলা

পত্রদূত ডেস্ক: প্রথম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেল তিনটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙা ইউনিয়নের ওয়ারিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের বাড়ির ছাদে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষকের নাম- মোশাররফ হোসেন(৫৫)। তিনি সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের আছিদুর রহমান খান চৌধুরীর ছেলে।

 

ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীর মা জানান, স্বামী তাকে তালাক দেওয়ার পর তিনি যশোরের শার্মা থানাধীন বাগআঁচড়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে তার মেয়ে দাদী ও চাচীর কাছে থেকে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতো।

তিনি আরো জানান, শনিবার বিকেল তিনটার দিকে তার মেয়ে বাড়ির পাশে কয়েকজন বন্ধুর সাথে খেলতে যায়। কিছুক্ষণ পর বন্ধুরা ফিরে এলেও তার মেয়ে ফিরে না আসায় দাদী ও চাচী খুঁজতে বের হয়। একপর্যায়ে তাকে রফিকুল চেয়ারম্যানের বাড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

মোশাররফ তাকে খাওয়ার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে দাদী ও চাচীকে জানায়। একপর্যায়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। বাধ্য হয়ে তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেলে ভর্তি করাতে না পেরে রবিবার মেয়েকে নিয়ে বাগআঁচড়ায় নিয়ে আসেন। পরে পুলিশ এসে মেয়েকে নিয়ে সোমবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার দুলা ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা সত্য নয়। আগামি ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে তার সুনাম নষ্ট করার জন্য এ ধরণের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর মা বাদি হয়ে মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর ৯(১) ধারায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মোশাররফ হোসেনকে আসামী করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। উপপরিদর্শক শাহারিয়ারকে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে মঙ্গলবার বিচারিক হাকিম তনিমা ম-ল তার ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।

Ads small one

চেহারার মিলে অনেকেই তিশাকে কনকচাঁপার মেয়ে ভাবেন, যা বললেন সংগীতশিল্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
চেহারার মিলে অনেকেই তিশাকে কনকচাঁপার মেয়ে ভাবেন, যা বললেন সংগীতশিল্পী

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পর্ক নিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে কৌতূহল। দুজনের চেহারায় কিছুটা মিল থাকায় অনেকেই মনে করেন তিশা কনকচাঁপার মেয়ে। তবে বাস্তবে তাঁদের মধ্যে মা-মেয়ের সম্পর্ক নেই। এবার বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন কনকচাঁপা নিজেই। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, তিশাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তিশার সঙ্গে একটি পুরোনো ছবি এবং সেই সময়ের স্মৃতি তুলে ধরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এই সংগীতশিল্পী। কনকচাঁপা জানান, তিশাও তাকে পছন্দ করেন এবং মায়ের মতো শ্রদ্ধা করেন।

কনকচাঁপা বলেন, ‘তিশা খুবই ভালো একজন অভিনয়শিল্পী এবং আমি তার ভক্ত। আবার তিশাও আমাকে অনেক পছন্দ করে এবং মায়ের মতোই শ্রদ্ধা করে। ছবিটি অনেক দিন আগে আমেরিকার ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে তোলা।’

 

ছবি তোলার মুহূর্তের স্মৃতিচারণা করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে মনে ভাবছিলাম তিশার সঙ্গে ছবি তুলি। ঠিক সেই মুহূর্তেই তিশা বললো, ‘মা, আসো আমরা ছবি তুলি।’ সারা পৃথিবীর মানুষ আমাকে তোমার মেয়ে জানে, সে ক্ষেত্রে তোমাকে মা ছাড়া আর কী ডাকি বলো?’

তবে তিশার সঙ্গে তার প্রকৃত সম্পর্কের বিষয়ে স্পষ্ট করে কনকচাঁপা বলেন, ‘যাই হোক, সত্যি কথা হলো, তিশা আমার কন্যা নয়। আমার চেহারার সঙ্গে তিশার কোথাও কোনও মিল হয়তো আছে, এ জন্যই আপনারা এভাবে ভাবতে ভালোবাসেন। আমার একটাই মেয়ে, যার নাম ফারিয়া ইসলাম খান।’

পাইকগাছায় ৩ ‘শ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এলপিজি গ্যাস!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ৩ ‘শ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এলপিজি গ্যাস!

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ভোক্তারা। বাজারে চাহিদামতো গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। পরিচিত কয়েকটি কোম্পানির সিলিন্ডার খুঁজে পেতেও দোকানে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কোথাও সরবরাহ না থাকায় খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে, আবার কোথাও বেশি দাম দিয়েও কিনতে হচ্ছে রান্নার জ্বালানি।

ভোক্তাদের অভিযোগ, ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার বর্তমানে পাইকগাছার বিভিন্ন বাজারে ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ চলতি অক্টোবর মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। সে হিসাবে প্রতি সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪১৩ থেকে ৪৬৩ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

বাজারে যমুনা, ফ্রেশ, বসুন্ধরা, ওমেরা, বিএম ও টোটালের মতো পরিচিত ব্র্যান্ডের সিলিন্ডারের সরবরাহ কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য, কোনো কোনো দোকানে নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও অন্য ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার মিলছে না। এতে পছন্দের ব্র্যান্ডের গ্যাস কেনার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। পাইকগাছার গৃহিণী আসমা বেগম বলেন, রান্নার জন্য গ্যাস প্রয়োজন হলেও চাহিদামতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। দু-একটি কোম্পানির সিলিন্ডার মিললেও খালি সিলিন্ডার বদলে গ্যাস নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। ফলে নতুন সিলিন্ডারসহ গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

আসমা বেগমের ভাষ্য, নতুন সিলিন্ডারসহ ১২ কেজি গ্যাস কিনতে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। সংসারের অন্যান্য খরচের সঙ্গে বাড়তি এই ব্যয় সামলাতে তাঁকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্থানীয় ভোক্তারা জানান, গ্যাসের সংকট ও বাড়তি দামের কারণে রান্নার খরচ বেড়ে গেছে। অনেকেই একাধিক দোকানে খোঁজ করেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। আবার রান্নার প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ পড়বে বলে আশঙ্কা তাঁদের। বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।

 

সরবরাহের ঘাটতি, বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা কৃত্রিম সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোন কোম্পানির সিলিন্ডার কতটা সরবরাহ করা হচ্ছে এবং খুচরা পর্যায়ে কী দামে বিক্রি হচ্ছে, তা নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বসুন্ধরা এলপিজির উপকূলীয় চার উপজেলার পরিবেশক কপিলমুনির মেসার্স নির্মাণ বিপণির স্বত্বাধিকারী বিপ্লব কুমার সাধু বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাসিক চাহিদা ১২ হাজার সিলিন্ডার। কিন্তু গত মাসে কোম্পানি থেকে মাত্র ২ হাজার ৭০০টি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে। চলতি মাসে এখনো কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এ কারণে বাজারে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। সরবরাহের এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। পাইকগাছা বাজারের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা আল-মুনসুর বলেন, বিভিন্ন কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। এ কারণে তাঁরা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। যেসব ব্যবসায়ীর কাছে আগে থেকে মজুত ছিল, তাঁদের কেউ কেউ বেশি দামে বিক্রি করেছেন। কপিলমুনি বাজারের শ্রীরামপুর মোড় এলাকার কনক সাহার বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্যাস সিলিন্ডার প্রতি ২২ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এলপিজি ডিলারদের নিয়ে সভা হয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্দেশনা দেওয়ার পরও বাজারে নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি এবং সরবরাহ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। ফলে সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পাওয়া এবং বেশি দাম দিয়ে কেনার ভোগান্তি থেকেই যাচ্ছে।

ওভিসিতে নাঈলা নাঈম, পরিচালনায় সৈকত রেজা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
ওভিসিতে নাঈলা নাঈম, পরিচালনায় সৈকত রেজা

নতুন একটি ওভিসিতে মডেল হয়েছেন নাঈলা নাঈম। একটি মোবাইল প্রতিষ্ঠানের মডেল হিসেবে দেখা গেছে তাকে। তার সঙ্গে এতে আরও আছেন সজীব জমাদ্দার।

বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা। সম্প্রতি এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে এসেছে।

নির্মাতা জানান, ‘বিএফডিসিতে সিনেমাটিক প্যাটার্নে ওভিসিটির শুটিং হয়েছে।

 

সৈকত রেজা বলেন, ‘এই ওভিসিতে নাঈলা নাঈমকে অ্যাকশন মুডে উপস্থাপন করেছি। বিজ্ঞাপনটি পুরো না দেখলে বোঝা যাবে না এটি কী? আমি চেষ্টা করেছি সোশ্যাল মিডিয়ার মানুষদের কানেক্ট করার জন্য। এর মধ্যে অনেকে ওভিসিটির প্রশংসা করেছেন।’

নাঈলা নাঈম ন্টাল সার্জারিতে (বিডিএস) পড়াশোনা সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে মিডিয়া অঙ্গনে যুক্ত হন। ক্যারিয়ারের শুরুতে র‌্যাম্প মডেলিং ও বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি। পরে আইটেম গান, টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্রেও কাজ করেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সচেতনতামূলক ইস্যু নিয়েও কাজ করছেন।