মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জাপার সভাপতি শেখ আজহার হোসেনের সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শেখ আজহার হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

তার দ্রুত সুস্থতা ও পূর্ণাঙ্গ রোগমুক্তি কামনা করে জেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন জাতীয় পার্টি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, শেখ আজহার হোসেনের অসুস্থতার খবরে তারা উদ্বিগ্ন। তারা তার দ্রুত সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে তার রোগমুক্তি কামনায় সাতক্ষীরার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন তারা। বিবৃতিদাতারা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান আশু, জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহসভাপতি সাংবাদিক এসএম নজরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম সরদার, সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বাবু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপন, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শাখাওয়াতুল করিম (পিটুল), সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম হোসেন খান বাপ্পি, কোষাধ্যক্ষ আশরাফ আলী এবং পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সাদেক।

এ ছাড়া বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক ফিরোজ ও সদস্যসচিব কমল বিশ্বাস, জেলা যুব সংহতির সভাপতি আশিকুর রহমান বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি ও সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেল, জাতীয় তরুণ পার্টির সভাপতি আবু ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, জাতীয় ছাত্র সমাজের সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আশরাফুজ্জামান রকি ও সাধারণ সম্পাদক কায়মুজ্জামান পাভেল, সদর উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি মো. বদরুজ্জামান বদু ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, পৌর যুব সংহতির সভাপতি নাহিদ সুলতান শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন বনি এবং সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি সাকিব জামান দীপ্ত ও সাধারণ সম্পাদক তৌফিক বিল্লাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

শ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহত মোজাম মিস্ত্রির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহত মোজাম মিস্ত্রির মৃত্যু

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহত মোজাম মিস্ত্রি(৬২) মৃত্যুবরণ করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার গৌরিপুর গ্রামের মৃত তাহের মিস্ত্রি ছেলে।
গত শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে গোপালপুর এলাকায় পৌছে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। শুরুতে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলেও রাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ভোররাতে মোজাম মিস্ত্রিকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসকরা।

নিহতের ছেলে তোফাজ্জল মিস্ত্রির ভাষ্য প্রতিপক্ষ ই¯্রাফিল হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন বাবু ও তার সহযোগী হাসান, সাগরসহ ১০/১২ জন অস্ত্রধারী বাড়ি ফেরার পথে তার পিতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তারা মৃত ভেবে মোজাম মিস্ত্রিকে পাশের খালের মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে যাওয়ার পর পথচারীরা গোঙানোর শব্দ শুনে রাত ১০টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌছে দিয়েছিল।

তোফজ্জল মিস্ত্রির দাবি শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা সৈনিক লীগের যুগ্ম-আহবায়ক ই¯্রাফিল হোসেনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে শ্যামনগর থানা পুলি । জমি-জমা নিয়ে বিরোধের জেরে পুলিশকে ব্যবহার করে ই¯্রাফিলের গ্রেপ্তারের পিছনে মোজাম অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে বলে এসময় অভিযোগ তোলে ই¯্রাফিলের ছেলেসহ পরিবারের সদস্যরা। তোফাজ্জল আরও দাবি করেন তার পিতাকে দেখে নেয়া হবে বলে হুমকি দেয়ার এক-দেড় ঘন্টার মধ্যেই তারা পিতার উপর হামরা হয়। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর তার পিতা হামলায় জড়িতদের নাম পরিচয় পুলিশকে জানিয়েছিল।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান মোজাম মিস্ত্রির চিকিৎসা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকায় হয়তোবা কোন অভিযোগ করেনি। খুলনায় সন্ধ্যায় মোজামের মৃত্যুর খবর তিনি শুনলেও এখনো নিহতের পরিবারের কেউ পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেনি। ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে। পরিবারের সদস্যরা এলাকায় ফিরে মামলা করলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

চেহারার মিলে অনেকেই তিশাকে কনকচাঁপার মেয়ে ভাবেন, যা বললেন সংগীতশিল্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
চেহারার মিলে অনেকেই তিশাকে কনকচাঁপার মেয়ে ভাবেন, যা বললেন সংগীতশিল্পী

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পর্ক নিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে কৌতূহল। দুজনের চেহারায় কিছুটা মিল থাকায় অনেকেই মনে করেন তিশা কনকচাঁপার মেয়ে। তবে বাস্তবে তাঁদের মধ্যে মা-মেয়ের সম্পর্ক নেই। এবার বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন কনকচাঁপা নিজেই। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, তিশাকে নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তিশার সঙ্গে একটি পুরোনো ছবি এবং সেই সময়ের স্মৃতি তুলে ধরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এই সংগীতশিল্পী। কনকচাঁপা জানান, তিশাও তাকে পছন্দ করেন এবং মায়ের মতো শ্রদ্ধা করেন।

কনকচাঁপা বলেন, ‘তিশা খুবই ভালো একজন অভিনয়শিল্পী এবং আমি তার ভক্ত। আবার তিশাও আমাকে অনেক পছন্দ করে এবং মায়ের মতোই শ্রদ্ধা করে। ছবিটি অনেক দিন আগে আমেরিকার ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে তোলা।’

 

ছবি তোলার মুহূর্তের স্মৃতিচারণা করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে মনে ভাবছিলাম তিশার সঙ্গে ছবি তুলি। ঠিক সেই মুহূর্তেই তিশা বললো, ‘মা, আসো আমরা ছবি তুলি।’ সারা পৃথিবীর মানুষ আমাকে তোমার মেয়ে জানে, সে ক্ষেত্রে তোমাকে মা ছাড়া আর কী ডাকি বলো?’

তবে তিশার সঙ্গে তার প্রকৃত সম্পর্কের বিষয়ে স্পষ্ট করে কনকচাঁপা বলেন, ‘যাই হোক, সত্যি কথা হলো, তিশা আমার কন্যা নয়। আমার চেহারার সঙ্গে তিশার কোথাও কোনও মিল হয়তো আছে, এ জন্যই আপনারা এভাবে ভাবতে ভালোবাসেন। আমার একটাই মেয়ে, যার নাম ফারিয়া ইসলাম খান।’

পাইকগাছায় ৩ ‘শ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এলপিজি গ্যাস!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় ৩ ‘শ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এলপিজি গ্যাস!

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার কিনতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ভোক্তারা। বাজারে চাহিদামতো গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। পরিচিত কয়েকটি কোম্পানির সিলিন্ডার খুঁজে পেতেও দোকানে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কোথাও সরবরাহ না থাকায় খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে, আবার কোথাও বেশি দাম দিয়েও কিনতে হচ্ছে রান্নার জ্বালানি।

ভোক্তাদের অভিযোগ, ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার বর্তমানে পাইকগাছার বিভিন্ন বাজারে ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ চলতি অক্টোবর মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। সে হিসাবে প্রতি সিলিন্ডারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪১৩ থেকে ৪৬৩ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

বাজারে যমুনা, ফ্রেশ, বসুন্ধরা, ওমেরা, বিএম ও টোটালের মতো পরিচিত ব্র্যান্ডের সিলিন্ডারের সরবরাহ কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য, কোনো কোনো দোকানে নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও অন্য ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার মিলছে না। এতে পছন্দের ব্র্যান্ডের গ্যাস কেনার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। পাইকগাছার গৃহিণী আসমা বেগম বলেন, রান্নার জন্য গ্যাস প্রয়োজন হলেও চাহিদামতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। দু-একটি কোম্পানির সিলিন্ডার মিললেও খালি সিলিন্ডার বদলে গ্যাস নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। ফলে নতুন সিলিন্ডারসহ গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

আসমা বেগমের ভাষ্য, নতুন সিলিন্ডারসহ ১২ কেজি গ্যাস কিনতে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। সংসারের অন্যান্য খরচের সঙ্গে বাড়তি এই ব্যয় সামলাতে তাঁকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্থানীয় ভোক্তারা জানান, গ্যাসের সংকট ও বাড়তি দামের কারণে রান্নার খরচ বেড়ে গেছে। অনেকেই একাধিক দোকানে খোঁজ করেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। আবার রান্নার প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি চাপ পড়বে বলে আশঙ্কা তাঁদের। বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।

 

সরবরাহের ঘাটতি, বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কিংবা কৃত্রিম সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোন কোম্পানির সিলিন্ডার কতটা সরবরাহ করা হচ্ছে এবং খুচরা পর্যায়ে কী দামে বিক্রি হচ্ছে, তা নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বসুন্ধরা এলপিজির উপকূলীয় চার উপজেলার পরিবেশক কপিলমুনির মেসার্স নির্মাণ বিপণির স্বত্বাধিকারী বিপ্লব কুমার সাধু বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাসিক চাহিদা ১২ হাজার সিলিন্ডার। কিন্তু গত মাসে কোম্পানি থেকে মাত্র ২ হাজার ৭০০টি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে। চলতি মাসে এখনো কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এ কারণে বাজারে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। সরবরাহের এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। পাইকগাছা বাজারের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা আল-মুনসুর বলেন, বিভিন্ন কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। এ কারণে তাঁরা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। যেসব ব্যবসায়ীর কাছে আগে থেকে মজুত ছিল, তাঁদের কেউ কেউ বেশি দামে বিক্রি করেছেন। কপিলমুনি বাজারের শ্রীরামপুর মোড় এলাকার কনক সাহার বিরুদ্ধে বসুন্ধরা গ্যাস সিলিন্ডার প্রতি ২২00 টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এলপিজি ডিলারদের নিয়ে সভা হয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, নির্দেশনা দেওয়ার পরও বাজারে নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি এবং সরবরাহ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। ফলে সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পাওয়া এবং বেশি দাম দিয়ে কেনার ভোগান্তি থেকেই যাচ্ছে।