সাতক্ষীরায় ফোরাম ’৮৭-এর উদ্যোগে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
শিশুশিল্পী হিসেবে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। সময়ের সঙ্গে সেই ছোট্ট দীঘি এখন বড় পর্দার নায়িকা। একের পর এক সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি এবার দীর্ঘদিন পর নতুন বিজ্ঞাপনচিত্রে দেখা গেল তাকে।
মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন-এর জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনে ‘বাবা জানো, আমাদের একটা ময়না পাখি আছে না…’ সংলাপের মাধ্যমে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন দীঘি। সেই স্মৃতি এখনও অনেকের মনে গেঁথে আছে। এবার নায়িকা হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নতুন একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করলেন তিনি।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত এই বিজ্ঞাপনচিত্রটি তৈরি করেছে বিডি ইন্টেরিয়র। নির্মাণ করেছেন হিরু খান। বিজ্ঞাপনটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন কিউ জামান।
বিজ্ঞাপনটিতে দীঘির সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন কিংবদন্তি অভিনেতা আবুল হায়াত। এর আগে শিশু শিল্পী থাকাকালে তার সঙ্গে কাজ করেছিলেন দীঘি। প্রায় ১৬ বছর পর আবারও একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন তারা।
নির্মাতা হিরু খান বলেন, “আবুল হায়াত ভাইয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়। কাজের বোঝাপড়াও দারুণ। আর দীঘি আমার অনেক কাছের। দুজনকে নিয়েই কাজটা খুব সুন্দরভাবে হয়েছে। মা-বাবা ও মেয়ের সম্পর্কের আবেগঘন গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”
ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর কিউ জামান জানান, গল্প লেখার সময় থেকেই আবুল হায়াত ও দীঘিকে মাথায় রেখেই পুরো ভাবনাটি তৈরি করা হয়েছিল। তার আশা, ঈদের আবহে বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের কাছে নতুন অনুভূতি এনে দেবে।
কাজটি নিয়ে দীঘি বলেন, “এই বিজ্ঞাপনে মূলত সম্পর্কের গল্প বলা হয়েছে। আর সহশিল্পী হিসেবে আবুল হায়াত আঙ্কেলকে পাওয়া আমার জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। তার সঙ্গে ১৬ বছর পর আবার কাজ করলাম। শিশু শিল্পী হিসেবে আগেও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি, তবে নায়িকা হওয়ার পর এটাই প্রথম। তার মতো একজন কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করলে অনেক কিছু শেখা যায়।”
সোমবার থেকে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু হয়েছে বিজ্ঞাপনচিত্রটির।
পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটার পল্লীতে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে দুই সন্তানের জননী। মঙ্গলবার সকালে তিনি বিষ ট্যাবলেট খেয়ে গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।
পরিবারের লোকজন জানতে পেরে তাকে সাতক্ষীরা হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আত্মহননকারী স্থানীয় সরুলিয়া গ্রামের শ্রীকৃষ্ণের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রুপা (৩০)।
জানা গেছে রুপার বাবার বাড়ি কলারোয়া থানার রায়পুর গ্রামে। তার পিতা শম্ভু মন্ডল মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ দিয়েছে। পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ দাহ করার প্রস্তুতি চলছিল।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ (মঙ্গলবার) সার্কিট হাউজ মাঠে আসন্ন ঈদ-উল-আযহার প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রস্তুতি বিষয়ে কেসিসি প্রশাসক গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদ-উল-আযহার জামাত প্রস্তুতি কাজ সফল করার জন্য সকল সংস্থা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিদের্শনা মেনেই যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কোরবানিতে নগরবাসীর সুবির্ধাথে নগরীর একশত ৪০টি স্থানে পশু কোরবানির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এই স্থানগুলোতে নগরবাসী কোরবানি করবেন। কেসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলন দিয়ে রাস্তা পরিস্কার করবে। ড্রেনে কোন বর্জ্য ও রক্ত না ফেলে, নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানির বর্জ্য রাখতে হবে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বেলা দুইটা থেকে রাত ১০টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের চেষ্টা করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে। নদী পথেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল জোরদার করেছে। নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপত্তার সাথে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ এবং পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথম মহিলারা পর্দা সহকারে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে ঈদের জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
পরিদর্শনকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, কেএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, র্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল নিস্তার আহম্মেদ, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, কেসিসি, কেএমপি কর্মকর্তাসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদ-উল-আযহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাতটায়। দ্বিতীয় জামাত সকাল আটটায় ও তৃতীয় জামাত সকাল নয়টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল সাতটায় প্রথম জামাত, আটটায় দ্বিতীয় এবং সকাল নয়টায় তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সকাল সাড়ে সাতটায় খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদে এবং সকাল সোয়া সাতটায় নূরনগর মেট্রোপলিটন মডেল মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তথ্যবিবরণী