মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার ইটভাটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিশুশ্রম রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটির এক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, খুলনার যৌথ উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল।
সভায় বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম নির্মূলে কেবল আইন যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে ধর্মীয় উপাসনালয়-মসজিদ ও মন্দিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। শিশুদের কাজে না পাঠিয়ে স্কুলে পাঠাতে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় কর্মজীবী শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন ইউনিয়নে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে এবং দেবহাটা উপজেলায় কর্মরত শিশুদের বেসরকারি সংস্থা ‘সুশীলন’-এর মাধ্যমে পুনর্বাসন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর খুলনার সহকারী মহাপরিদর্শক মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন একই দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক সানতাজ বিল্লাহ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিউল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম টুটুল ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাইয়েদুর রহমান মৃধা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাফফর উদ্দীন, সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অপু হালদার এবং সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং জেলা থেকে শিশুশ্রম নির্মূলে সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Ads small one

উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা আরও জোরদার করবে সরকার। তিনি জানান, কোস্ট গার্ডের সার্বিক উন্নয়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাদের বহরে হেলিকপ্টার সার্ভিস যোগ করা হবে। পাশাপাশি বৃদ্ধি করা হবে আরও ১০ হাজার জনবল। এতে করে অতীতের তুলনায় কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়াও গত এক বছরে সুন্দরবনে অভিযানসহ নানা কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে খালেদা জিয়া কোস্ট গার্ড প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই বাহিনী জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কোস্ট গার্ড শুধু সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তাই নয়, বরং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ভূমিকা রাখছে। তাদের নিয়মিত টহলের ফলে সমুদ্রপথ এখন অনেক বেশি নিরাপদ। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি “গার্ডিয়ান এট সী’’ মূলমন্ত্রে আধাসামরিক স্বতন্ত্র বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাহিনীটি আজ উপকূলীয় জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, কোস্ট গার্ড বর্তমানে উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে মাদক এবং অস্ত্র পাচার, মানবপাচার, চোরাচালান, জলদস্যুতা এবং অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় পড়া নৌযান উদ্ধার ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় বাহিনীর সদস্যরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

সুন্দরবনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বনাঞ্চলে ডাকাতি বৃদ্ধি পাওয়ায় কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে। গত এক বছরের বেশি সময় সুন্দরবনে ২৯টি অভিযানে ৩৫ জন ডাকাত গ্রেফতার, ৪৭ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং ৩০ জন জিম্মিকে মুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধভাবে পাচার হওয়া কাঠ উদ্ধার করেছে।

কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তিনটি সার্ভেইলেন্স ড্রোন যুক্ত হয়েছে। জাইকার অর্থায়নে মাল্টিরোল রেসপন্স ভেসেল ও দুটি অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। খুলনা শিপইয়ার্ড থেকে বুলেটপ্রুফ সুবিধাসম্পন্ন হাই-স্পিড বোট সংগ্রহের চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় আধুনিক ডকইয়ার্ড নির্মাণ, নতুন প্যাট্রোল ভেসেল সংযোজন, হেলিকপ্টার ও মেরিটাইম সারভেইলেন্স সিস্টেম সংযোজনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোস্ট গার্ড সদস্যদের আবাসন সমস্যা সমাধানে মিরপুর জোয়ারসাহারা ও পূর্বাচলে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন সরঞ্জাম সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে এবং সামুদ্রিক সম্পদ ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

মোবাইল গ্রাহকদের জন্য সুখবর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
মোবাইল গ্রাহকদের জন্য সুখবর

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে, অফিস কিংবা বাসাবাড়ির ভেতরে মোবাইলে কথা বলা বা ইন্টারনেট ব্যবহারে কমবে গ্রাহক ভোগান্তি।
তথ্য-বিনোদনের খোরাক মেটানো থেকে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগসহ প্রায় সব কিছুই এখন মোবাইল নির্ভর। বিটিআরসির তথ্য, বর্তমানে দেশে মোবাইল সংযোগধারীর সংখ্যা সাড়ে ১৮ কোটি।

অপারেটরদের তথ্য বলছে, এর মধ্যে শহরে থাকেন ৪০ শতাংশ গ্রাহক। ৬০ শতাংশ ব্যবহারকারী উপশহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের। নেটওয়ার্কের মান শহরে খানিকটা ভালো হলেও প্রান্তিক পর্যায়ে দুর্বল। ঘরের ভেতরে কথা বলার মাঝেই বিচ্ছিন্ন হয় সংযোগ। কাঙ্ক্ষিত গতি মেলে না ইন্টারনেট সেবায়।

এ অবস্থায় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি। গ্রামীণফোনকে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়ার ধারাবাহিকতায় এবার ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডে তরঙ্গ চেয়ে আবেদন করেছে রবি ও বাংলালিংক। নথিপত্রে দেখা যায়, বর্তমানে বিটিআরসির কাছে বরাদ্দযোগ্য ৮.৪ মেগাহার্টজ ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গ রয়েছে। এর মধ্যে ৩.৪ মেগাহার্টজ করে রবি ও বাংলালিংক ৬.৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ চেয়েছে। তবে তার আগে পার্শ্ববর্তী দেশের ব্যবহৃত ৮৫০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড এবং ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গের বাধা কতটুকু তা জানতে চায় অপারেটর ২টি। এরই প্রেক্ষিতে পরীক্ষামূলক ১ মাসের জন্য ৮.৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-জিএসএম ব্যান্ডের কার্যকারিতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেবে ২ অপারেটর। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষা করতে বিটিআরসি আমাদেরকে বিবেচনা করেছে। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব, কীভাবে সেটা আমরা কিনতে পারি’।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে মোবাইলে ‘ভয়েস কল’ ও ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে ৪ অপারেটর।

সকালে ঘুম উঠে পানি পান করার উপকারিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
সকালে ঘুম উঠে পানি পান করার উপকারিতা

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পান করার অভ্যাস জাপানিদের মধ্যে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। চিকিৎসকরাও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পানি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সারারাত ঘুমানোর পর আমাদের শরীর স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা পানিশূন্য হয়ে পড়ে। ফলে দিনের শুরুতেই পানি পান করলে শরীরের কার্যক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকালে খালি পেটে পানি পান করলে ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে, গ্যাসের সমস্যা কমায় এবং মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে।

তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

সকালে ঘুম উঠে কেন পানি পান করার উপকারিতা

১। রাতে ঘুমানোর পরে দীর্ঘসময় হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস পানি পান করা উচিত।

২। ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথাব্যথা করে। মূলত শরীরে পানির মাত্রা কমে যাওয়া এ মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি আপনি খালি পেটে পানি পান করেন, তাহলে মাথাব্যথা অনেকাংশে কমে যাবে।

৩। ওজন কমানোর জন্যও প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পানি পানের অভ্যাস করুন। কেননা যত বেশি পানি পান করবেন, ততই আপনার হজম প্রক্রিয়া ভালো হবে এবং শরীরে বাড়তি ফ্যাট জমবে না।

৪। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করলে মলাশয় পরিষ্কার হয় এবং শরীর সহজেই নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।

৫। প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে এক গ্লাস পানি খেলে নতুন মাংসপেশি ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

৬। সকালে মাত্র এক গ্লাস পানি আপনার বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আথ্রাইটিস, মাথাব্যথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে।

৭। সকালে প্রতিদিন খালি পেটে পানি পান করলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।