রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার ইটভাটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিশুশ্রম রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটির এক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, খুলনার যৌথ উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল।
সভায় বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম নির্মূলে কেবল আইন যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে ধর্মীয় উপাসনালয়-মসজিদ ও মন্দিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। শিশুদের কাজে না পাঠিয়ে স্কুলে পাঠাতে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় কর্মজীবী শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন ইউনিয়নে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে এবং দেবহাটা উপজেলায় কর্মরত শিশুদের বেসরকারি সংস্থা ‘সুশীলন’-এর মাধ্যমে পুনর্বাসন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর খুলনার সহকারী মহাপরিদর্শক মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন একই দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক সানতাজ বিল্লাহ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিউল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম টুটুল ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাইয়েদুর রহমান মৃধা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাফফর উদ্দীন, সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অপু হালদার এবং সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং জেলা থেকে শিশুশ্রম নির্মূলে সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Ads small one

বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির ৩১সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপির ৩১সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আশেক এলাহী মুন্নার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত কমিটিতে গাজী আবিদ হাসানকে আহ্বায়ক এবং জি এম রুস্তম আলীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটির নেতাদের আগামী দিনে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলীয় কার্যক্রম জোরদার, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং দলের সাংগঠনিক কর্মকা- আরও বেগবান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। নবগঠিত কমিটির নেতারা দলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
৩১ সদস্যের অনুমোদিত কমিটিতে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব ছাড়াও বিভিন্ন পদে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটির পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের নামসহ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলায় বাড়ছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তি, সামাজিক অপরাধ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
জেলায় বাড়ছে মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তি, সামাজিক অপরাধ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা

জিএম আমিনুল হক: সাতক্ষীরার শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামপর্যায়ে যুবসমাজসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ মাদক ও অনলাইন জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে। এর প্রভাবে জেলায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো সামাজিক অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি গভীর উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকেরা। স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকেই অপরাধমূলক কর্মকা-ে যুক্ত হচ্ছে। এতে রাতে চুরির আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
আশাশুনি উপজেলার প্রতাপ নগর গ্রামের বাসিন্দা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোনাওয়ার হুসাইন জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে কিশোর ও যুবকেরা সহজেই জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছে। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনাকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে এবং কীভাবে সময় কাটাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান এবং ইসলামি সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শেখ আবদুল ওয়াদুদ বলেন, তরুণদের মেধা ও শক্তিকে শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকা-ে কাজে লাগাতে হবে। বর্তমানে সব বয়সের মানুষের মধ্যে মাদক ও জুয়ার আসক্তি দেখা যাচ্ছে, যা সামাজিক অপরাধ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি এলাকায় শিক্ষক, পুলিশ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। মাদক কেনাবেচা বন্ধ করতে পারলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে।

শ্যামনগর হাসপাতালে ৩৬ দিনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর হাসপাতালে ৩৬ দিনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিগত ৩৬ দিনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে ১২ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত ৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া জুলাই মাসে ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ২০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। তাঁরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে হাসপাতালে অনেকেই চিকিৎসাধীন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জিয়াউর রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ শয্যার একটি ডেঙ্গু কর্নার খোলা হয়েছে। তবে শয্যাসংখ্যা কম হওয়ায় রোগীদের সাধারণ শয্যা ও কক্ষে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিনামূল্যে করা হচ্ছে এবং তাঁদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশা ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বসতবাড়ির আশপাশে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা এবং চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেন তিনি।