শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় সাংবাদিকতার সংকট ও সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সাংবাদিকতার সংকট ও সম্ভাবনা

আব্দুর রহমান

সাংবাদিকতা আমার কাছে কোনো আকস্মিক পেশা নয়; এটি দীর্ঘ লেখালেখির চর্চা ও সমাজ-মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি স্বাভাবিক পরিণতি। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে “মাসিক সাহিত্যপাতা” (sahityapata.com) নামে একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকার প্রকাশনার মধ্য দিয়ে আমার লেখালেখির পথচলা শুরু।

 

সাহিত্যচর্চার সূত্র ধরেই বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচয়, সংবাদ লেখার প্রতি আগ্রহ এবং ধীরে ধীরে সংবাদ জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তৈরি হয়। এরপর ২০০৯ সালে দৈনিক কাফেলা পত্রিকায় সাংবাদিকতা জীবনের আনুষ্ঠানিক সূচনা। দীর্ঘ এই পথচলায় কাজ করেছি দৈনিক পত্রদূত, দৈনিক কালের চিত্র, দৈনিক সাতঘরিয়া, দৈনিক সাতনদী, দৈনিক দক্ষিণের মশালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে। বর্তমানে দৈনিক আলোর পরশ পত্রিকায় সহকারী বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

 

পাশাপাশি জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও কাজ করার সুযোগ হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে সমাজ, মানুষ ও জনকল্যাণের প্রতি এক ধরনের দায়বদ্ধতা তৈরি হয়েছিল। সেই দায়বদ্ধতাই আমাকে সাংবাদিকতার পথে নিয়ে এসেছে। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে হাদিসে কামিল সম্পন্ন করার পরও আমি অন্য কোনো পেশার দিকে ঝুঁকিনি।

 

কারণ সাংবাদিকতাকে আমি কখনো শখ হিসেবে দেখিনি; এটিই আমার একমাত্র পেশা এবং জীবনের বড় অংশজুড়ে থাকা একটি দায়িত্ব। প্রায় দুই দশকের কাছাকাছি সময় ধরে সাংবাদিকতার নানা পরিবর্তন কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। দেখেছি সংবাদপত্রের স্বর্ণালী সময়, দেখেছি অনলাইন সাংবাদিকতার উত্থান, আবার দেখেছি সাংবাদিকতার নামে নানা অপসংস্কৃতির বিস্তার। আজ যখন পেছনে তাকাই, তখন মনে হয় সাতক্ষীরায় প্রকৃত সাংবাদিকতা যেন ক্রমেই সোনার হরিণে পরিণত হচ্ছে।

 

একসময় একটি সংবাদ প্রকাশের আগে দিনের পর দিন তথ্য সংগ্রহ করা হতো। সংবাদে একটি ভুল শব্দও সম্পাদকরা সহ্য করতেন না। সংবাদকর্মীরা নিজেদের পরিচয়ের চেয়ে কাজকে বড় মনে করতেন। কিন্তু প্রযুক্তির এই যুগে সংবাদ পরিবেশনের গতি যত বেড়েছে, অনেক ক্ষেত্রে ততই কমেছে তথ্য যাচাইয়ের গভীরতা ও পেশাগত দায়বদ্ধতা। বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলায় জাতীয়, স্থানীয়, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অসংখ্য গণমাধ্যম সক্রিয়। সাংবাদিক পরিচয়ধারীর সংখ্যাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

 

তবে, প্রশ্ন হলো- এই বিপুল সংখ্যার মধ্যে কতজন সাংবাদিকতাকে প্রকৃত পেশা হিসেবে নিয়েছেন? কতজন নিয়মিত মাঠে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেন? কতজন একটি সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই করেন? প্রশ্নগুলোর উত্তর খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। সাতক্ষীরার বাস্তবতায় সাংবাদিকতা কখনোই সহজ কাজ নয়। সুন্দরবন, সীমান্ত, উপকূলীয় দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, চিংড়ি শিল্প, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমিদস্যুতা, মাদক এবং স্থানীয় রাজনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয়।

 

অনেক সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়েও সংবাদ সংগ্রহ করতে হয়। অথচ জেলার অধিকাংশ সাংবাদিকের আর্থিক নিরাপত্তা এখনও অনিশ্চিত। অনেকেই নির্দিষ্ট বেতন ছাড়াই কাজ করছেন। সংবাদ সংগ্রহের খরচ, যাতায়াত, ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যয় নিজেরাই বহন করছেন। ফলে অনেক মেধাবী তরুণ সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এর পাশাপাশি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে অপেশাদার ও হলুদ সাংবাদিকতার চর্চা। কিছু ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়কে জনস্বার্থের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করছেন।

 

কোথাও প্রভাব বিস্তার, কোথাও তদবির, কোথাও আবার ব্যক্তিগত বিরোধ নিষ্পত্তির হাতিয়ার হিসেবে সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের কাছে পুরো সাংবাদিক সমাজই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরার গণমাধ্যম অঙ্গনে এমন দৃশ্যও দেখা যাচ্ছে, যেখানে এক সম্পাদক আরেক সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করছেন, পাল্টা জবাব প্রকাশ হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য।

 

এসব ঘটনা সাধারণ মানুষের সামনে সাংবাদিক সমাজের অভ্যন্তরীণ বিভক্তি ও দ্বন্দ্বকে উন্মোচিত করছে। ফলে সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থাও কমছে। একজন সাধারণ পাঠক যখন প্রতিদিন সাংবাদিকদের নিজেদের মধ্যকার কাদা ছোড়াছুড়ি দেখতে পান, তখন স্বাভাবিকভাবেই তার মনে প্রশ্ন জাগে- যারা সমাজের অন্যদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার কথা বলেন, তারা নিজেরা কতটা জবাবদিহির মধ্যে আছেন? বাস্তবতা হলো, সাংবাদিকতা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অস্ত্র নয়; এটি জনস্বার্থ রক্ষার একটি দায়িত্বশীল মাধ্যম।

 

কোনো অভিযোগ থাকলে তা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা যেতে পারে। কিন্তু সাংবাদিকতাকে ব্যক্তিগত বিরোধের মঞ্চে পরিণত করা হলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো পেশা। আরেকটি বড় সংকট হলো পারস্পরিক মূল্যায়নের অভাব। একজনের ভালো কাজের প্রশংসা করার পরিবর্তে তাকে ছোট করার প্রবণতা বাড়ছে। বিভাজন, গ্রুপিং এবং ব্যক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা পেশার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে। অথচ সত্য ও জনস্বার্থই হওয়া উচিত সাংবাদিকদের অভিন্ন লক্ষ্য।

 

আমার নিজের জীবনেও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রভাব দেখেছি। কোনো সময় আমাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে চিহ্নিত করার চেষ্টা হয়েছে, মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, একজন সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় তার রাজনৈতিক অবস্থান নয়; তার পরিচয় তার লেখা, তার অনুসন্ধান, তার সততা এবং জনস্বার্থে কাজ করার দায়বদ্ধতা। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাতে পারে, সরকার পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব কখনো পরিবর্তন হয় না।

 

এই অবস্থার পরিবর্তনে প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ। সরকারের উচিত প্রকৃত সংবাদকর্মীদের একটি নির্ভরযোগ্য জাতীয় ডাটাবেজ তৈরি করা। তথ্য অধিদপ্তর, প্রেস ইনস্টিটিউট এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে আধুনিক অনলাইন নিবন্ধন ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মঅভিজ্ঞতা, নিয়োগপত্র ও প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়ন যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত সংবাদকর্মীদের তালিকাভুক্ত করা হলে সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার অনেকাংশে কমবে।

 

একই সঙ্গে সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা, বীমা সুবিধা এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি। তবে সব সংকটের মাঝেও আশার জায়গা রয়েছে। সাতক্ষীরার সাংবাদিকতার ইতিহাস গৌরবময়। এ জেলার অনেক সাংবাদিক জাতীয় পর্যায়ে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। এখনও অনেক তরুণ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতায় যুক্ত হচ্ছেন। সুন্দরবন, উপকূলীয় জীবন, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, মৎস্যসম্পদ, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং সীমান্ত অঞ্চলের বাস্তবতা নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা করার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

সাংবাদিকতার শক্তি বিভক্তিতে নয়, ঐক্যে; ব্যক্তি স্বার্থে নয়, জনস্বার্থে; পরিচয়ে নয়, পেশাদারিত্বে। নতুন প্রজন্ম যদি সাংবাদিকতাকে প্রভাবের মাধ্যম নয়, দায়িত্বের জায়গা হিসেবে গ্রহণ করে, তাহলে সাতক্ষীরার সাংবাদিকতা আবারও তার হারানো গৌরব ফিরে পেতে পারে। সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা বাড়লেই সাংবাদিকতার উন্নয়ন হয় না। সাংবাদিক পরিচয়পত্রের সংখ্যা বাড়লেই গণমাধ্যম শক্তিশালী হয় না।

 

শক্তিশালী হয় তখনই, যখন সত্য বলার সাহসী মানুষ তৈরি হয়; যখন একজন সংবাদকর্মী নির্ভয়ে কলম ধরতে পারেন; যখন সমাজ তাকে সম্মান দেয় এবং রাষ্ট্র তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। সাতক্ষীরার বাস্তবতায় আজ সেই জায়গাটিই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। অন্যথায় সাংবাদিকের সংখ্যা হয়তো আরও বাড়বে, কিন্তু প্রকৃত সাংবাদিকতা আমাদের চোখের সামনেই সোনার হরিণ হয়েই থেকে যাবে।

লেখক: সহকারী বার্তা সম্পাদক, দৈনিক আলোর পরশ

 

Ads small one

আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কনফারেন্স কক্ষে এ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
“মেধা-বিজ্ঞান উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে” এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোের্ট স্কিম, এসইডিপি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ হাসানুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের এমপি, মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের প্রতিনিধি ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাও. নূরুল আফসার মুর্তাজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাজহারুল ইসলাম মুকুল। অন্যদের মধ্যে আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক লিংকন আসলাম, কোষাধ্যক্ষ এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক মুস্তাহিদুর রহমানসহ উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ ১২টি বিদ্যালয়ের “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী আইডিয়া উপস্থাপনকৃত মেলার স্টল ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে, সরাপপুর ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে, গুনাকরকাটি শাহ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা সদরের ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শহীদুল ইসলাম মুকুল।
এছাড়াও বিভিন্ন সেশনে বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন,জেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনিছুর রহমান, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা উসমান গনি, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মনিরুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি আলী আহসান আল মুজাহিদ প্রমুখ।

তালায় শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
তালায় শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় উৎসবমুখর পরিবেশে শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে তালা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয়ের সামনের মাঠে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস.এম নজরুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খ-কালীন শিক্ষক রিজাউল ইসলাম সানা সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম হাসান আলী বাচ্চু, আব্দুল লতিফ শেখ ও মুকুল সরদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে আয়োজকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলাফীল গাজী, শাওন শেখ, সামিউল খাঁ, রিয়াব খাঁ, আবু সাইদসহ শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্যরা।
উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হয় শাহাপুর ফুটবল একাদশ ও মহল্লাপাড়া ফুটবল একাদশ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় উভয় দল ১-১ গোলে সমতায় থাকায় খেলার ফলাফল নির্ধারণে ট্রাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়। রুদ্ধশ্বাস ট্রাইব্রেকারে মহল্লাপাড়া ফুটবল একাদশ ৫-৪ গোলের ব্যবধানে শাহাপুর ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে জয়লাভ করে।