শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

সাব-কন্ট্রাক্টরের প্রতারণায় ধানদিয়ায় স্কুল ভবনের নির্মাণকাজ মাঝপথে বন্ধ, ক্ষতির মুখে প্রতিষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
সাব-কন্ট্রাক্টরের প্রতারণায় ধানদিয়ায় স্কুল ভবনের নির্মাণকাজ মাঝপথে বন্ধ, ক্ষতির মুখে প্রতিষ্ঠান

​পত্রদূত রিপোর্ট: সরকারি বরাদ্দের ১ম শ্রেণীর একটি স্কুল ভবন নির্মাণ কাজকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরায় চরম প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক সাব-কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও কাজ সম্পন্ন না করে উল্টো অতিরিক্ত অর্থ ও রড আত্মসাৎ করে কাজ ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে ওই সাব-কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে। ফলে নির্ধারিত সময়ে স্কুলের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন মূল ঠিকাদার এবং স্থবির হয়ে পড়েছে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজ।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়া থানাধীন ঐতিহ্যবাহী ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনের (স্থাপিত: ১৯১৫) একতলা স্কুল ভবন নির্মাণের সরকারি টেন্ডার পান সুলতানপুর বড় বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ১ম শ্রেণীর সরকারি ঠিকাদার মো. জবেদ আলী। পরবর্তীতে ভবনটির নিচতলা থেকে একতলা পর্যন্ত ঢালাইসহ রাজমিস্ত্রির মূল কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার সখিপুর এলাকার মো. হারুনর রশিদের সাথে একটি সাব-কন্ট্রাক্ট চুক্তি করেন তিনি।

​২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মোট চুক্তিতে কাজটি শুরু করেন সাব-কন্ট্রাক্টর হারুনর রশিদ। চুক্তির শর্তানুযায়ী, ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিলের মধ্যে কাজটি সম্পূর্ণ শেষ করার কথা ছিল। কাজ শুরুর আগেই তাকে অগ্রিম ও রানিং বিল বাবদ ২ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

​অভিযোগ উঠেছে, কাজ চলাকালীন সময়ে হারুনর রশিদ ও তার সহযোগীরা প্রজেক্টের মূল্যবান রড আত্মসাৎ করেন। এরপর দীর্ঘদিন সাইটে কাজ বন্ধ রেখে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে কাজ সম্পন্ন না করেই তারা লাপাত্তা হয়ে যান।

​কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কাজ চলাকালীন সময়ে হারুনর রশিদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং বিভিন্ন অজুহাতে কাজ বাবদ প্রাপ্য টাকার চেয়ে আরও ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা অতিরিক্ত বুঝে নেন। শুধু তাই নয়, সাইটের জন্য কেনা মূল্যবান নির্মাণ সামগ্রী (রড) আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রাখেন তিনি।

​চুক্তির নির্ধারিত মেয়াদ (৭ এপ্রিল, ২০২৬) পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ না করে সাব-কন্ট্রাক্টর হারুনর রশিদ সাইট থেকে সটকে পড়েন। এতে মূল ঠিকাদার মো. জবেদ আলী চরম আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। সরকারি কাজ সময়মতো বুঝিয়ে দেওয়ার তাগিদে অবশেষে তিনি বাধ্য হয়ে গত ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ থেকে নতুন আরেকজন সাব-কন্ট্রাক্টর মো. শাহিনুর আলমের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। হারুনর রশিদের ফেলে যাওয়া কাজ সম্পন্ন করতে মূল ঠিকাদারকে আগের চেয়ে দ্বিগুণ টাকা অর্থাৎ ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা চুক্তিতে নতুন করে কাজ দিতে হয়েছে, যা আগামী ২ জুন, ২০২৬-এর মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে।

সুলতানপুর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং ধানদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন কর্তৃপক্ষ যৌথ বিবৃতিতে জানান, মো. জবেদ আলী একজন সৎ ও সুনামধারী ব্যবসায়ী। সাব-কন্ট্রাক্টর হারুনর রশিদ কাজ শেষ না করে টাকা ও রড আত্মসাৎ করায় সরকারি এই প্রজেক্টটি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিষয়টি শতভাগ সত্য এবং এর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

​চুক্তির ৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, শর্ত ভঙ্গ এবং আর্থিক ক্ষতির কারণে প্রথম পক্ষ (মূল ঠিকাদার) এখন অভিযুক্ত সাব-কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। সাব-কন্ট্রাক্টরের এমন দায়িত্বহীনতা ও জালিয়াতির কারণে মূল ঠিকাদার মো. জবেদ আলী বিপুল আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সরকারি প্রজেক্টের সময়সীমা ঠিক রাখতে বাধ্য হয়ে তিনি গত ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ থেকে নতুন আরেকজন সাব-কন্ট্রাক্টর তালতলা গ্রামের তায়জুল ইসলামের ছেলে মো. শাহিনুর আলমের সাথে নতুন চুক্তি করেন।

​আগের সাব-কন্ট্রাক্টরের ফেলে যাওয়া কাজ শেষ করতে মূল ঠিকাদারকে এবার দ্বিগুণ টাকা গুনতে হচ্ছে। হারুনর রশিদের বকেয়া পাওনার দ্বিগুণ অর্থাৎ ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা চুক্তিতে কাজটি শাহিনুর আলমকে দেওয়া হয়েছে, যা আগামী ২ জুন, ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে।

গত ২৩ মে, ২০২৬ তারিখে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রত্যয়নপত্রে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলা হয়, সাব-কন্ট্রাক্টর হারুনর রশিদ টাকা ও রড আত্মসাৎ করায় এবং দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রাখায় মূল ঠিকাদার মো. জবেদ আলী মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ​ঐতিহ্যবাহী এই স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ মাঝপথে আটকে যাওয়ায় এবং সরকারি বরাদ্দের মালামাল আত্মসাতের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদার এই আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায় ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

Ads small one

কামার বায়সা গ্রামে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রমজান আলীর মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
কামার বায়সা গ্রামে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রমজান আলীর মতবিনিময়

0-0x0-0-0#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের কামার বায়সা গ্রামে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমজান আলী।

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) তিনি গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন। এ সময় মাওলানা রমজান আলীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা বি. এম. নুরুজ্জামান।

বাঁশদহায় মদিনাবাগ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল বাকের আলীর দাফন সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
বাঁশদহায় মদিনাবাগ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল বাকের আলীর দাফন সম্পন্ন

0-0x0-0-0#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের মদিনাবাগ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ আব্দুল বাকের আলীর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) মাগরিবের নামাজের পর জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ অসংখ্য মুসল্লি অংশ নেন।

 

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাঁশদহা ইউনিয়ন আমির মাওলানা এ.টি.এম. নাজমুল হুদা, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা রমজান আলী, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. বকুল হোসেন এবং মদিনাবাগ মাদরাসার সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এএসএম কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি আজমাল হোসেন।

ধানদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদুজ্জামানের গণসংযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
ধানদিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদুজ্জামানের গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক মো. আসাদুজ্জামান আসাদ নির্বাচনী গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেছেন।

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ধানদিয়া ইউনিয়নের সেনেরগাতি ঢালিপাড়া এলাকায় এ গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মিজানুর রহমান, ডা. শামসুর জামান, মো. রোস্তম ঢালী, হাসান গাজী, আব্দুল রাবী গাজী, নজরুল ঢালী, আব্দুল মান্নান গাজীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।