সুন্দরবনের জলদস্যুদের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্সের অভিযান
শ্যামনগর প্রতিনিধি: জলদস্যু নির্মুলের অংশ হিসেবে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) রাশেদ হোসাইনের নেতৃত্বে বুধবার দিনব্যাপী সুন্দরবনের বিভিন্ন অংশে উক্ত অভিযান পরিচালিত হয়। আভিযানিক দলের সদস্যরা এসময় একদিন আগে জেলেদের উপর গুলিবর্ষণের ঘটনাস্থলসহ গভীর সুন্দরবেনর গুরুত্বপুর্ন স্থানসমুহে সাড়াঁশী অভিযান চালায়।
উল্লেখ্য বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কোস্টগার্ড, বিজিবি, পুলিশ ও বনবিভাগের সদস্যদের সমন্বয়ে উক্ত টাস্কফোর্স গঠন করেন।
আভিযানিক দলের প্রধান রাশেদ হোসাইন জানান একাধিক নৌযান নিয়ে টাস্কফোর্সের সদস্যরা দিনব্যাপী গোটা সুন্দরবনে অভিযান পরিচালনা করে। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় অভিযানের আগে জলদুস্যরা জায়গা পরিবর্তন করায় কাউকে আটক করা যায়নি।
টাস্কফোর্সের প্রধান আরও জানান দুরনিয়ন্ত্রিত ড্রোণ প্রয়োজন জলদস্যুদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে। এছাড়া টাস্কফোর্সের সদস্যদের অভিযানের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানীরও প্রয়োজন। অভিযানকালে কয়েক মুহুর্ত আগেও সেসব এলাকায় মানুষের পায়ের চিহ্ন আবিস্কার করলেও জলদস্যুদের নাগাল পাওয়া যায়নি। জ্বালানী ও ড্রোনসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদী পাওয়া গেলে জলদস্যু নির্মুলে টাক্সফোর্সের কার্যক্রমে সফলতা আসবে। তিনি জলদস্যু নির্মুলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগীতা কামনা করেন।
এদিকে টাক্সফোর্স গঠন করে অভিযান পরিচালনার ঘটনায় জেলেদের মধ্যে স্বস্থি ফিরেছে। সুন্দরবনে যাতায়াতে জড়িত হরিনগরের আকবর হোসেন ও নীলডুমুরের আব্দুল হালিম জানান প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর জেলা প্রশাসক ও শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের আগ্রহে দ্রুত টাক্সফোর্স গঠন হওয়া ইতিব্যাঞ্চক। আকস্মিকভাবে মাঝেমধ্যে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করলে জলদস্যুরা পিছু হঠতে পারে। এমনকি স্থানীয়দের সহযোগীতায় জলদস্যুদের আটকও করতে পারে।









