বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

সুন্দরবনে জেলেকে জিম্মি করতে না পেরে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে জেলেকে জিম্মি করতে না পেরে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি

শ্যামনগর প্রতিনিধি: পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে আতিয়ার গাজী (৬০) নামের এক ছেলেকে গুলি করেছে জলদস্যুরা। মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে সুন্দরবনের কলগাছিয়া টহলফাড়ি সংলগ্ন মুল্লেরদুনে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এসময় কোমরে গুলিবিদ্ধ আতিয়ারকে নিয়ে দ্রুত নৌকা চালিয়ে লোকালয়ে ফিরে আসে সহযোগী জেলে কবির হোসেন। শুরুতে আতিয়ারকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরবর্তীতে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মৃত মান্দার গাজীর ছেলে।
গুলিবিদ্ধ আতিয়ার ও তার সহযোগী জেলে কবির প্রায় দশদিন আগে বুড়িগোয়ালীনি স্টেশন থেকে পাশ (অনুমতিপত্র) নিয়ে সুন্দরবনে যায় কাকড়া শিকারের জন্য। বুধবার সকালে বাড়িতে ফেরার পথে তারা জলদস্যুদের কবলে পড়ে।
গুলিবিদ্ধ আতিয়ারের সহযোগী জেলে কবির জানান সম্পর্কে তারা ভগ্নিপতি ও শ্যালক। প্রায় ১০ দিন কাঁকড়া শিকার করে বুধবার তারা লোকালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কলাগাছিয়া মুল্লেরদুনে এলাকায় পৌছানোর পর বনের কিনারা থেকে জলদস্যুরা তাদের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু নৌকা চালানোর কাজে ব্যস্ত থাকার পাশাপাশি প্রচন্ড বাতাস হওয়ার দরুন জলদস্যুদের ডাক শুনতে না পেয়ে আতিয়ার নৌকা চালিয়ে যেতে থাকে। এসময়ে হঠাৎ গুলির শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার সামনেই নৌকার মধ্যে লুটিয়ে পড়ে আতিয়ার গাজী। একই সময়ে পিছনের দিকে তাকিয়ে তারা দেখতে পায় ৪-৫ জলদস্যু চিৎকার করে তাদের ডাকছে এবং নৌকা বনের কিনারে নেয়ার নির্দেশ দিচ্ছে। এক পর্যায়ে আতিয়ার গাজীর নির্দেশে নৌকার বৈঠা হাতে নিয়ে দ্রুত তিনি নৌকা চালিয়ে উপকূলের দিকে চলে আসেন।
গুলিবিদ্ধ আতিয়ার গাজীর ছেলে মাসুম বিল্লাহ জানান কলাগাছিয়া এলাকায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নানাভাই বাহিনী বেশ কয়েকজন জেলেকে জিম্মি করে মুক্তিপনা আদায় করেছে। অপরাপর জেলেদের মাধ্যমে তারা নিশ্চিত হয়েছে নানাভাই বাহিনী তার পিতা ও মামার জিম্মি করার চেষ্টা করেছিল। তিনি আরও জানান নদীতে ভাটা থাকায় উজানে তাদের নৌকা লোকালয়ে ফিরছিল। এসময় জলদস্যুদের নৌকা বনে উঠানো থাকার দরুন তার পিতা ও মামা জিম্মি হওয়া থেকে রেহাই পেলেও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলি কোমরের মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় নগর থেকে সাতক্ষীরা রেফার করে দিয়েছে ডাক্তাররা। শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগ কর্মরত শাকির হোসেন জানান গুলি কোমরের মধ্যে। তাই ঝুঁকি থাকায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর আতিয়ার গাজীকে দ্রুত উদ্ধার করে বনবিভাগ কর্মীরা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বিষয়টি কোস্টগার্ডসহ অপারেটর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পাশাপাশি পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

Ads small one

তালার উন্নয়নের সঙ্গে প্রেসক্লাব ভবনেরও উন্নয়ন হবে: হাবিবুল ইসলাম হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
তালার উন্নয়নের সঙ্গে প্রেসক্লাব ভবনেরও উন্নয়ন হবে: হাবিবুল ইসলাম হাবিব

তালা প্রতিনিধি: তালা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) মাগরিবের নামাজের পর তালা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দার ফারুখ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক শেখ শফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আবুল কালাম বিশ্বাস, রেজাউল ইসলাম রেজা এবং তালা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মীজা আতিয়ার রহমান।

এ সময় তালা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আছাদুজ্জামান রাজু, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মোতাহিরুল হক শাহিন, প্রচার সম্পাদক সেকেন্দার আবু জাফর বাবু, সাহিত্য সম্পাদক অর্জুন বিশ্বাস, নির্বাহী সদস্য জয়দেব চক্রবর্তী, ইমরান হোসেন, কাজী লিয়াকত হোসেন, মশিয়ার রহমান, কামাল হোসেন ও রফিকুল ইসলামসহ প্রেসক্লাবের সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছাত্রনেতা রিপন হোসেন ও যুবদল নেতা সরদার কামরুল উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবতার জন্য তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, তালা প্রেসক্লাবকে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক প্রেসক্লাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তালার সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে তালা প্রেসক্লাব ভবনের উন্নয়নও এগিয়ে যাবে। তিনি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।

আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন তালা উপজেলা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা তাওহিদুর রহমান।

সাতক্ষীরায় জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

সংবাদদাতা: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও দেশব্যাপী সবুজায়ন আন্দোলনকে বেগবান করতে সাতক্ষীরা জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে এ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রায় ১০০টি পরিবারের মাঝে ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

 

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, বর্তমান সরকারের ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের যে মহাউদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতেই এ কর্মসূচির আয়োজন। পরিবেশগত বিপর্যয় রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি সুন্দর, বাসযোগ্য ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

 

বৃক্ষরোপণকালে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে বাঁচতে ও পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে কেবল গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না নিয়মিত সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে সেগুলোকে বড় করে তুলতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পৃথিবী রেখে যেতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

 

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক খবর বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক সূর্যের আলো-এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক দক্ষিণের মশাল-এর স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক গণ তদন্ত পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি সাইফুল আজম খান মামুন, সহ-সভাপতি ও দৈনিক স্বাধীন মত-এর সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি আহাদুর রহমান জনি, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো-এর সহকারী সম্পাদক মারুফ আহমেদ খান শামীম, দৈনিক যশোর বার্তা-এর সহসম্পাদক মোহাম্মদ মুজাহিদ, দৈনিক নব চেতনা ও দক্ষিণের মশাল পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শেখ হাসান গফুর, দৈনিক আইনবার্তা, দৈনিক আমাদের কণ্ঠ ও ডেইলি ফিন্যান্সিয়াল পোস্ট-এর জেলা প্রতিনিধি আক্তারুল ইসলাম, দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মো. ইদ্রিস আলী, শাহ নেওয়াজ মৃণাল, দৈনিক আজকের বসুন্ধরা-এর সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ, দৈনিক সাতক্ষীরা সকাল-এর আতাউর রহমান, দৈনিক আলোকিত সকাল-এর স্টাফ রিপোর্টার জাহাঙ্গীর সরদার, গাজী হাবিব, আলমগীর হোসেন, মো. কামাল হোসেনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

সাতক্ষীরায় সম্পত্তির জেরে বৃদ্ধ পিতার উপর পুত্রের হামলার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সম্পত্তির জেরে বৃদ্ধ পিতার উপর পুত্রের হামলার অভিযোগ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ধানদিয়া চৌরাস্তা বাজারে ফসলি জমি নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে সম্পত্তির জের ধরে এক বৃদ্ধ পিতার উপর ছোট ছেলের হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ আগস্ট (শনিবার) দুপুর ১২টার দিকে ধানদিয়া চৌরাস্তা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পিতা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিলকণ্ঠপুর গ্রামের মৃত জালাল উদ্দীন মোড়লের ছেলে আব্দুল মজিদ মোড়ল (৭০) ধানদিয়া মৌজার ধানদিয়া চৌরাস্তা থেকে সরসকাটি বাজারগামী পিচ রাস্তার ধারের একটি জমিতে বোরো/আউশ ধান চাষের জন্য চারা রোপণ করেন।

 

অভিযোগ উঠেছে, সে সময় তার আপন ছোট ছেলে মো. লিটন হোসেন (৩২), লিটনের স্ত্রী মোছা. সামিরা খাতুন (২৮), ভাগনে সুজন হোসেন (২৪) ও বোন হালিমা খাতুনসহ (৪৭) কয়েকজন ব্যক্তি ওই ফসলি জমি নিজেদের স্ট্যাম্পকৃত সম্পত্তি দাবি করে রোপণ করা ধানের চারা তুলে নষ্ট করে ফেলেন। এ সময় পিতা আব্দুল মজিদ এবং তার বড় ছেলে মো. উজ্জ্বল হোসেন চারা উপড়ে ফেলতে বাধা দিলে ছোট ছেলে লিটন ক্ষিপ্ত হয়ে পিতার ওপর চড়াও হন। তিনি পিতাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধামকি দিয়ে হামলার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির উপক্রম হলে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে বৃদ্ধ পিতা আব্দুল মজিদ মোড়ল অভিযোগ করে বলেন, “ছোট ছেলের সাথে আমার সম্পর্ক ভালো না। সে সবসময় আমার উপর চড়াও হয়ে মারতে আসে। বৃদ্ধ বয়সে তার কাছ থেকে কোনো ভালো ব্যবহার পাইনি। সে আমাকে খেতে দেয় না, দেখভালও করে না; তার এমন আচরণে আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। যার কারণে আমি আমার মোট সম্পত্তির মধ্য থেকে ৭ বিঘা সম্পত্তি আমার বড় ছেলের নামে লিখে দিয়েছি। ইতোমধ্যে আমার বড় ছেলে তার অংশের সম্পত্তি থেকে ছোট ভাইকেও দলিল করে দিয়েছে। কিন্তু লিটন বড় ভাইয়ের অংশের সম্পত্তি ছাড়াও বিভিন্ন জাল দলিল ও স্ট্যাম্প তৈরি করে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে সব সম্পত্তি জবরদখল নেওয়ার পাঁয়তারা করছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত মো. লিটন হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার বাবা সব সম্পত্তি আমার বড় ভাইকে লিখে দিয়েছেন। পরে ভাই আমাকে টাকার বিনিময়ে সাড়ে তিন বিঘা জমি লিখে দিয়েছেন। কিন্তু লিখে দেওয়া সেই জমি আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। জমি বুঝে পাওয়ার জন্য আমি বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরছি।

 

স্ট্যাম্পের বুনিয়াদে আমার পাওনা জমিতে বাবা ধান রোপণ করায় আমি ওই ধান রোয়া উপড়ে ফেলেছি। বড় ভাই মো. উজ্জ্বল হোসেন বলেন, “আমার বাবা ছোট ভাইয়ের উপর অভিমান করে তার সম্পত্তি আমাকে লিখে দেন। আমি ছোট ভাইকে কোনো ফাঁকি দিইনি, বরং লিখে দেওয়া সম্পত্তির অর্ধেক আমি নিজেই ছোট ভাইকে রেজিস্ট্রি করে ফেরত দিয়েছি। সে তার ভাগের সব সম্পত্তি বুঝিয়ে নিয়ে বর্তমানে ভোগদখল করে খাচ্ছে, তবুও অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করছে। স্থানীয়রা এ ধরনের পারিবারিক কলহ ও পিতার গায়ে হাত তোলার চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।