শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাবা দিবস এবং শচীন টেন্ডুলকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
বাবা দিবস এবং শচীন টেন্ডুলকার

মো. কায়ছার আলী

হা-ডু-ডু আমাদের জাতীয় খেলা, কিন্তু কেন? আমার এক বন্ধু রসিকতা করে বলেন, বিপদে পড়লে আমরা অন্যের পা জড়িয়ে ধরি, আর কেউ কাউকে উপরে যেতে দেই না, মানে টেনে হিঁচড়ে নিচে নামাই। মানব শিশু জন্মের পর থেকে হাত পা ছুড়ে খেলা করে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, দেহের বিকাশ, মৈত্রী ও প্রীতির বন্ধন, ত্যাগের আদর্শে উজ্জীবিত ইত্যাদি চেতনার নাম খেলাধুলা। জনপ্রিয় খেলা ফুটবল একসাথে অল্পসময়ে দুই পক্ষেই সমান খেলোয়াড় নিয়ে বৃষ্টি হলেও খেলতে পারে। তবে সম্প্রতি ক্রিকেট ভক্তের সংখ্যা অগণিত।

 

টেস্ট ম্যাচ, ওয়ানডে, টুয়েন্টি টুয়েন্টিতে নেমে এলেও দর্শক কমেনি। পেলে, ম্যারাডোনা, ইমরান খান, শচীন প্রমুখ তাঁদের দেশের হয়ে সম্মানের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে জাতীয় পতাকা পৎ পৎ করে উড়িয়েছেন। ১৯৯৯ সাল লন্ডনে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে শচীনের বাবা রমেশ টেন্ডুলকার অসুস্থ ছিলেন। বাবা ছেলেকে কাছে ডেকে বললেন, আমার ভালমন্দ যাই হোক তুমি দেশের হয়ে খেলবে’।

 

খেলা চলাকালীন মাঝরাতে দুঃসংবাদ পেয়ে সন্তান সম্ভবা স্ত্রী অঞ্জলী টেন্ডুলকার গাড়ি চালিয়ে লন্ডন থেকে লেস্টারে ভারতের টিম হোটেলে ছুটে যান। গভীর রাতে স্ত্রীকে দেখতে পেয়ে শচীন বুঝতে পারেন খারাপ কিছু সংবাদ তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে। স্ত্রী বললেন, বাবা নেই। পরদিন জিম্বাবুয়ের সাথে খেলা শোকে, কষ্টে, বেদনায়, জর্জরিত মন নিয়ে কেউ কি খেলতে পারে? একদিকে দেশ অন্যদিকে প্রাণপ্রিয় মহান বাবার লাশ। সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি বেঁচে থাকলে দেশকে কিছু দিতে পারব কিন্তু আমার বাবার শেষ মুখটা আর দেখতে পাব না। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, ঈশ্বরের ইচ্ছায় বাবা মা সন্তান পয়দা করেন, সন্তান বাবা মা পয়দা করতে পারেন না।

 

তিনদিনের জন্য সময় নিয়ে বাবার সৎকারে ভারতে এসে বাবার মুখাগ্নি এবং শ্রাদ্ধাদি অনুষ্ঠানে পর মাকে তাৎক্ষণিক সান্ত¡না জানিয়ে পুনরায় প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়ে কেনিয়ার বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৪০* রান করে বাবাকে ঐ শতরান উৎসর্গ করেন। রোদে চশমার আড়ালে চোখ লুকিয়ে বিশ্বকাপের জন্য লড়াই শুরু করেন সেদিনই। শোকে স্তব্ধ শচীন সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে জানান, “মা-ই আমাকে পাঠিয়েছেন”।

 

তখন থেকেই মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন আগামী শতকটা হবে বাবার জন্য। খেলার সময় তাঁর মনে পড়ত, বাবা খোলা মাঠের আকাশের ঐ দুর থেকে তাঁর খেলা দেখছেন। লিটল মাস্টার বা ক্রিকেট ঈশ্বর সেঞ্চুরি উদযাপন করতেন আকাশের দিকে তাকিয়ে ব্যাট উঁচু করে (বাবার স্মরণে)। বাবার আদেশে তামাকজাত পণ্য, মদ এর বিজ্ঞাপনে শতকোটি টাকার প্রস্তাব পেয়েও তা বর্জন করেন। হয়তো তাঁর বাবার মনের সিন্দুকে কি জমানো ছিল তা জানি না? হতে পারে, ছেলের দল দ্বিতীয় বারের মত বিশ্বকাপের শিরোপা জিতবে।

 

২০১১ সালে ঐ আকাশের ঠিকানায় অনেক দুরে থাকা তাঁর বাবার স্বপ্ন পুরণ হল। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ, রাজ্যসভার সদস্য, ভারতরতœ সহ সকল সম্মান অর্জন বিশ্বরেকর্ড উৎসর্গ করতেন তাঁর বাবাকে। জুন মাসের ৩য় রবিবার বাবা দিবসের দিনটি (একুশে জুন, সরি সবসময়) তামাম জাহানের জীবিত বা মৃত বাবা হউক একান্তভাবে সন্তানের। মৃত বাবা জীবিত বাবার চেয়েও শক্তিশালী হতে পারে। অভিনন্দন শচীন টেন্ডুলকারকে এবং গভীর শ্রদ্ধা তাঁর বাবা রমেশ টেন্ডুলকারকে।

লেখক: শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে বলে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে আকস্মিক এ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা “শেখ হাসিনা আসবে-বাংলাদেশ হাসবে, আওয়ামী লীগৈর নিষেধাজ্ঞা মানি না মানবো না, ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা মানি না মানবো না” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলের স্থানটি সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা এলাকায় হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
স্থানীয় বিভিন্ন নিউজ পোটাল ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, “শিশু হত্যা, খুন, ধর্ষণ, তেল-গ্যাস, বিদ্যুৎ এর সংকট ও শিক্ষার অধিকার হরণের দায়ে সরকারের পদত্যাগ করতে হবে” স্লোগান লেখা ব্যানার হাতে মছিলটি সড়কের কিছু অংশ অতিক্রম করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। মিছিলটি শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে এসব নিউজ পোটালের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রতিযোগিতা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কনফারেন্স কক্ষে এ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
“মেধা-বিজ্ঞান উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে” এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোের্ট স্কিম, এসইডিপি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু। একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ হাসানুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের এমপি, মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের প্রতিনিধি ও উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাও. নূরুল আফসার মুর্তাজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাজহারুল ইসলাম মুকুল। অন্যদের মধ্যে আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়েরর প্রধান শিক্ষক এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক লিংকন আসলাম, কোষাধ্যক্ষ এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক মুস্তাহিদুর রহমানসহ উপজেলার ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ ১২টি বিদ্যালয়ের “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী আইডিয়া উপস্থাপনকৃত মেলার স্টল ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে, সরাপপুর ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে, গুনাকরকাটি শাহ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষাশিবির

সংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা সদরের ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়াস্থ আল-আমিন ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শহীদুল ইসলাম মুকুল।
এছাড়াও বিভিন্ন সেশনে বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন,জেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য এবং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আনিছুর রহমান, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা উসমান গনি, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মনিরুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি আলী আহসান আল মুজাহিদ প্রমুখ।