রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তালায় ২৩ বিঘা সরকারি জমি ব্যক্তিমালিকানায় রেকর্ড করার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
তালায় ২৩ বিঘা সরকারি জমি ব্যক্তিমালিকানায় রেকর্ড করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নে অর্থের বিনিময়ে ৭.৫৬ একর (প্রায় ২৩ বিঘা) সরকারি খাস সম্পত্তি খন্দকার রেজোয়ান হোসেন নামের এক ব্যক্তির নামে রেকর্ড করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তালা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার মো. আব্দুর রশিদ ও খুলনা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের কিছু কর্মচারীর যোগসাজশে এই জালিয়াতি হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, নগরঘাটা মৌজার ১৫ নম্বর জেএল-এর ৩৩৪২ (বিআরএস) খতিয়ানের ১০টি দাগে মোট ৭.৫৬ একর সরকারি খাস জমি রয়েছে। লস্করপাড়ার মৃত খন্দকার ইয়াকুব আলীর ছেলে খন্দকার রেজোয়ান হোসেন ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে চলতি বিআরএস জরিপে এই বিশাল সম্পত্তি নিজ নামে করিয়ে নিয়েছেন। আগামী ১৭ জুন এই খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রিন্ট পর্চা প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের রেজিস্টার-২ ও ভলিউম বই পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিআরএস ১৩০৪১, ১২৫১৪ ও ১৩১৩৫ দাগসহ সংশ্লিষ্ট অন্য দাগগুলোর মূল এসএ রেকর্ড স্পষ্টত সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই এই জমি ভোগদখল করে আসছিলেন।
জালিয়াতির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হলে অভিযুক্ত খন্দকার রেজোয়ান হোসেন স্থানীয় এক নেতার মাধ্যমে এই প্রতিবেদককে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অর্থের প্রস্তাব দেন।

এদিকে তালা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার মো. আব্দুর রশিদ জালিয়াতির অভিযোগ এড়িয়ে গিয়ে দাবি করেন, তাঁর আগের কর্মকর্তা এই কাজ করে গেছেন। তবে আগের কর্মকর্তার কাজ হওয়া সত্ত্বেও তিনি কেন পুনরায় নোটিশ দিয়ে রেজোয়ান হোসেনকে ডেকেছিলেন এবং কোন নথির ভিত্তিতে সরকারি জমি ব্যক্তিনামে বহাল রাখলেন—এসব প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। এ ছাড়া সপ্তাহে একদিন তালায় অফিস করার নিয়ম থাকলেও গত ছয় মাস ধরে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে নিজেই স্বীকার করেছেন।

নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুরাইয়া পারভীন জানান, এক ব্যক্তি বিআরএস খতিয়ানের একটি কপি তদন্তের জন্য তাঁর কাছে দিয়ে গেছেন। জমিটি যেহেতু সরকারের, তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত খান জানান, জমির প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণ হাতে পেলে এবং সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তিনামে রেকর্ড হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলে মামলা করে জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে।
খুলনা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের চার্জ অফিসার (সিনিয়র সহকারী সচিব) শুভ্রা দাস জানান, চূড়ান্ত প্রকাশনা বের হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

Ads small one

খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় ফজরের নামাজের সময় অস্ত্র নিয়ে মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের গুলি

খুলনায় ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মসজিদ কমিটির এক নেতাসহ দুই জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নগরের দৌলতপুর থানার পশ্চিম কাশীপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন- মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিম (৪৫) ও আলম শেখ (৫৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফজরের নামাজ চলাকালে কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত আকস্মিকভাবে মসজিদের ভেতরে ঢোকে। তারা সরাসরি লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আলম শেখও গুলিবিদ্ধ হন। রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

গুলির শব্দ শুনে অন্য মুসল্লি ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তারা আহত দুই জনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

খুলনা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (দৌলতপুর জোন) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। হামলার সঠিক কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘লোকমান হাকিম ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) একজন ঠিকাদার ও জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী। পূর্বশত্রুতার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

নারীদের জন্য হচ্ছে দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, নিয়োগ পাবে ১ লাখ কর্মী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
নারীদের জন্য হচ্ছে দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, নিয়োগ পাবে ১ লাখ কর্মী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘দেশের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। সারা দেশে শুধু নারীদের জন্য দেড় হাজার শয্যার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতাল করা হবে। এতে নিয়োগ পাবে এক লাখ কর্মী। এ ছাড়া সারা দেশে ১ হাজার শয্যার ২০টি হাসপাতাল করা হবে।’

রবিবার (১৪ জুন) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (ভিক্টোরিয়া) আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১০ জেলায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠান থেকে একযোগে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালসহ (ভিক্টোরিয়া) ১০টি জেলায় আইসিইউ উদ্বোধন করা হয়। ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হয় মুন্সিগঞ্জ, টাঙ্গাইল, সুনামগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, শেরপুর, মাদারীপুর ও বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের আইসিইউ।

বাজেট প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেটে আমাদের নেতা তারেক রহমান দিকনিদের্শনা দিয়েছেন। শুধু টাকা নয়, কীভাবে দেশটাকে উন্নত করা যাবে, কোথায় কোথায় উন্নতি করতে হবে, তার আভাস দিয়েছেন জাতিকে। স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, অর্থাৎ ৬৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। স্বাস্থ্য খাতকে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছে সরকার।’

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে শুধু মেয়েদের জন্য দুটি স্পেশালাইজড (বিশেষায়িত) হাসপাতাল হবে। একেকটি হাসপাতাল হবে ১ হাজার ৫০০ শয্যার। হাসপাতাল দুটিতে চারটি কিডনি অ্যানালাইসিস, ডায়ালাইসিস সেন্টার থাকবে। মেয়েদের ব্রেস্ট ক্যানসারের চিকিৎসা, প্রসূতির ডেলিভারি ও জেনারেল হাসপাতাল থাকবে। সারা দেশে ১ হাজার শয্যার ২০টি হাসপাতাল হবে। পাঁচটি করে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হবে। চারটি হেলিকপ্টার থাকবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা করছেন। ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ৮০ হাজার হবে নারী। আমাদের ১০টি জেলায় আইসিইউ সেবা চালু করেছি। একটু শ্বাসকষ্ট হলেই রেফার করবেন না।’

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী ও জেলা সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান।

আর্জেন্টিনা দলে নতুন ‘সমস্যা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনা দলে নতুন ‘সমস্যা’

কানসাসে আজও অনুশীলন করবে আর্জেন্টিনা দল। তবে সেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি নেই। ফুটবলের ভাষায় যাকে বলা হয় ‘ক্লোজড ডোর’ অনুশীলন। ফলে কানসাসে গিয়েও অনেকের মেসিদের অনুশীলন না দেখতে পারার আক্ষেপ থেকেই যাচ্ছে।

তবে আর্জেন্টিনা এগোচ্ছে নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী। ৩৬ বছর পর গতবার বিশ্বকাপ জিতেছে লিওনেল মেসির দল। এবার সেই শিরোপা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। ফলে দলটির ওপর বাড়তি চাপ থাকাটাই স্বাভাবিক। এর মধ্যেই কোচ লিওনেল স্কালোনির সামনে দেখা দিয়েছে নতুন এক ‘সমস্যা’।

আগামী বুধবার সকাল ৭টায় বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। তার আগে শুরুর একাদশে ‘নাম্বার নাইন’ পজিশন নিয়ে মধুর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্কালোনিকে।

এতদিন লাওতারো মার্তিনেজকে ঘিরেই এগোচ্ছিলেন আর্জেন্টাইন কোচ। তিনিই ছিলেন স্কালোনির প্রথম পছন্দ। কারণ হুলিয়ান আলভারেজ আগে থেকেই পায়ের গোড়ালির চোটে ভুগছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে লাওতারোকেই খেলানো হয়েছে।

স্কালোনির আস্থার প্রতিদানও দিয়েছেন লাওতারো। হন্ডুরাসের বিপক্ষে বল পায়ে ছিলেন উজ্জ্বল। একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ জুলিয়ানো সিমিওনেকেও গোল করিয়েছেন।

তবে এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। চোট কাটিয়ে ফিরেছেন আলভারেজ। ফলে আক্রমণভাগ নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে স্কালোনিকে। এরই মধ্যে দলের সঙ্গে অনুশীলনও শুরু করেছেন তিনি। ফলে আলভারেজ ও লাওতারোর মধ্যে জায়গার লড়াই আরও জমে উঠেছে। বিশেষ করে অনুশীলনে কোচের মন জয় করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা কঠিন। শুরুর একাদশে ‘নাম্বার নাইন’ হিসেবে কে খেলবেন, তা জানতে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, আলভারেজ ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে গেলে কোচের পছন্দের তালিকায় এগিয়ে থাকতে পারেন।

অবশ্য দুজনই আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। ক্লাব ফুটবলেও নিয়মিত পারফর্ম করছেন তারা। লা লিগার দল অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে আলভারেজ ৪৯ ম্যাচে করেছেন ২০ গোল। অন্যদিকে ইন্টার মিলানের জার্সিতে লাওতারোর গোল ৪১ ম্যাচে ২২টি।

তবে কাতার বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স বিবেচনায় আলভারেজ কিছুটা এগিয়ে। ওই আসরে সাত ম্যাচে চার গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে লাওতারো ছয় ম্যাচ খেলেও গোলের দেখা পাননি।

স্কালোনি বিচক্ষণ কোচ। কাতার বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও খেলোয়াড়দের ফিটনেস বিবেচনা করেই তিনি একাদশ ঠিক করবেন। ম্যাচের আগেই সেই চিত্র পরিষ্কার হয়ে যাবে।