মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

একুশে পদকপ্রাপ্ত নির্ভীক সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
একুশে পদকপ্রাপ্ত নির্ভীক সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালন

একুশে পদকপ্রাপ্ত নির্ভীক সাংবাদিক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বালুর ২২তম হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার ক্লাবের পক্ষ থেকে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার। সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, ‘হুমায়ুন কবীর বালু ছিলেন একজন নির্ভীক সাংবাদিক। তাঁকে যারা হত্যা করেছে, তাদেরও সঠিক বিচার হয়নি। এই মামলার পুনরায় তদন্ত এবং প্রকৃত আসামি ও এর মদদদাতাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়। এছাড়া এই হত্যা মামলার আসামিদের সাজা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।

স্মরণ সভায় বক্তৃতা করেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও আজীবন সদস্য মকবুল হোসেন মিন্টু, ক্লাবের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন ও কাজী শামীম আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী ও মল্লিক সুধাংশু, ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) ও কে এম জিয়াউস সাদাত, ক্লাব সদস্য আতিয়ার পারভেজ, রকিব উদ্দিন পান্নু, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, এ এইচ এম শামিমুজ্জামান, এস এম নূর হাসান জনি ও সাংবাদিক আবু তাহের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্য কাজী মোতাহার রহমান, সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য সোহেল মাহমুদ, ক্লাব সদস্য এস এম কামাল হোসেন,বাপ্পী খান, রিংটন মন্ডল, আল মাহমুদ প্রিন্স, মুহাম্মদ নূরুজ্জামান, আলমগীর হান্নান, মোঃ হুমায়ুন কবীর, মো. আজিজুল ইসলাম, মোঃ রবিউল গাজী (উজ্জ্বল), এস এম বাহাউদ্দিন, তিতাস চক্রবর্তী, মোঃ হেলাল মোল্লা, আলী আবরার, মোঃ সোহেল রানা, মোঃ রফিক আলী, তুফান গাইন, ইমাম হোসেন সুমন, মোঃ আনিছুর রহমান কবির, মো. রাজু হাওলাদার, নূরুল আমিন নূর, মো. মাসুম বিল্লাহ ইমরান, মোঃ হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

এর আগে ক্লাবের নেতৃবৃন্দ ক্লাব চত্বরে অবস্থিত শহিদ সাংবাদিক স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া স্মরণসভার শুরুতে সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালুসহ নিহত সাংবাদিকদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

 

এছাড়া হুমায়ুন কবীর বালুসহ নিহত ও মৃত্যুবরণকারী অন্যান্য সাংবাদিকদেরও আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ক্লাবের ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. ইউসুফ হাবিব।

উল্লেখ্য, গত ২০০৪ সালের ২৭ জুন নগরীর ইসলামপুর রোডে অবস্থিত নিজ কার্যালয় জন্মভূমি ভবনের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

Ads small one

ঋশিল্পীতে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
ঋশিল্পীতে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: “হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ, ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্বাসনে ফিজিক্যাল থেরাপির ভূমিকা”Ñএই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ঋশিল্পীর স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্যোগে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার রিহ্যাবিলিটেশন হেলথ বিল্ডিংয়ের প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঋশিল্পীর প্রেসিডেন্ট মনিকা তোজি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ খালেদ, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সেলিমুল ইসলাম, সিনিয়র ফিজিওথেরাপিস্ট ও হেড অব ফিজিওথেরাপি ইউনিট শংকর কুমার ঢালীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কর্মকর্তা-কর্মচারী, ফিজিওথেরাপিস্ট ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

আলোচনায় বক্তারা ঋশিল্পীর ফিজিওথেরাপি কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধে নিয়মিত শারীরিক কর্মকা-, ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি হৃদরোগ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা-পরবর্তী পুনর্বাসন, চলাফেরার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। আলোচনা শেষে মানুষের স্বাস্থ্য, শারীরিক সক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ঋশিল্পীর স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন কর্মসূচির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

কলারোয়ায় ১০০ কিলোমিটার সড়কে তালবীজ রোপণের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ১০০ কিলোমিটার সড়কে তালবীজ রোপণের উদ্যোগ

শেখ জিল্লু, কলারোয়া: বজ্রপাত প্রতিরোধ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১০০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলারোয়ার যুগিখালি গ্রামের তরুণ সিভিল প্রকৌশলী আসিফ ইকবাল চয়ন সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় ২০২৪ সাল থেকে এ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছেন।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে উপজেলার যুগিখালী ইউনিয়নের প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে তালবীজ রোপণ করা হয়। এর মধ্যে রোপণ করা বীজের প্রায় ৭০ শতাংশ থেকে চারা গজিয়েছে। এ সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে এবার পুরো উপজেলায় বৃহৎ পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় বছরের মধ্যে কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন প্রধান ও আঞ্চলিক সড়কের প্রায় ১০০ কিলোমিটারজুড়ে পর্যায়ক্রমে তালবীজ রোপণ করা হবে। ইতিমধ্যে জয়নগর, সোনাবাড়িয়া, কুশোডাঙ্গা ও দেয়াড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কে তালবীজ রোপণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

উচ্চ ভবনে বজ্রপাতের ক্ষতি কমাতে যেমন লাইটনিং অ্যারেস্টার ব্যবহার করা হয়, তেমনি গ্রামীণ এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে তালগাছের বিস্তার ঘটিয়ে বজ্রপাতের ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। প্রতিবছর বজ্রপাতে মানুষ ও গবাদিপশুর প্রাণহানি ঘটে। দীর্ঘমেয়াদে তালগাছের একটি প্রাকৃতিক বলয় গড়ে তুলে জীবনের ঝুঁকি কমানোই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
এ উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দা, প্রবাসী এবং বিভিন্ন এলাকার গ্রামবাসী স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দিচ্ছেন। অনেকেই বিনামূল্যে হাজার হাজার তালবীজ দিয়ে সহযোগিতা করছেন। প্রতিদিনের কর্মসূচিতে স্থানীয় ভ্যানচালক, শ্রমজীবী মানুষ ও বিপুলসংখ্যক তরুণ স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তরুণ প্রকৌশলী আসিফ ইকবাল বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক ও নানা নেতিবাচক কর্মকা- থেকে দূরে রেখে সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কাজে সম্পৃক্ত করাও তাঁর এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এগিয়ে এলে কলারোয়ায় একটি সবুজ জনপদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম এ উদ্যোগকে প্রশংসনীয় সামাজিক কর্মকা- হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রে বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। উদ্যোগটি শুরুর আগেই আসিফ ইকবাল উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবহিত করেছিলেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কল্যাণমূলক উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে বলে জানান তিনি।

ব্যক্তিগত অর্থায়ন, স্বেচ্ছাশ্রম এবং তরুণদের অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে কলারোয়ার সড়কগুলো সবুজে আচ্ছাদিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনলাইন জুয়ায় বাড়ছে দাম্পত্য কলহ ও সামাজিক অপরাধ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
অনলাইন জুয়ায় বাড়ছে দাম্পত্য কলহ ও সামাজিক অপরাধ!

এম শফিকুল ইসলাম: সর্বনাশা মোবাইল ফোনভিত্তিক অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঘটেছে সাতক্ষীরার গ্রাম থেকে শহরাঞ্চলে। এই ভয়াবহ অনলাইন জুয়ার থাবায় তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে।

সাতক্ষীরা সীমান্ত আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান বলেন, মোবাইল ফোনের পর্দায় কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই বড় অঙ্কের টাকা জেতার প্রলোভন দেখানো হয়। দ্রুত ধনী হওয়ার এই ফাঁদে পা দিয়ে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে নানা পেশার মানুষ নিঃস্ব হচ্ছেন। চক্রের এজেন্টরা রাতারাতি কোটিপতি বনে গেলেও সাধারণ মানুষ সর্বস্ব হারাচ্ছেন।

শাঁখড়া কোমরপুর আব্দুল গনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমেদ শরীফ ইকবাল উল্লেখ করেন, অনলাইন জুয়াকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরায় একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে ছোটখাটো এজেন্টরা গ্রেপ্তার হলেও মূল পরিকল্পনাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান। ফলে এজেন্ট পরিবর্তন হলেও অনলাইন জুয়ার দৌরাত্ম্য থামছে না। জুয়ায় হেরে সহায়-সম্পদ বিক্রি করেও অনেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারছেন না। এতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি পরিবারে অশান্তি, দাম্পত্য কলহ ও বিচ্ছেদ বাড়ছে। একই সঙ্গে জড়াচ্ছে নানা সামাজিক অপরাধে।

ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী বলেন, অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে বহু তরুণ ও যুবক। শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জমজমাট জুয়া খেলা চলছে। ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও বেকার যুবকেরা এ নেশায় ঝুঁকছেন। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকে অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন এবং মানসিক চাপে ভুগছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুন মাসে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়াড়ি চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে মামলা করা হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সদর থানা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মাস্টার এজেন্ট আটক করা হয়। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর মেহেরপুর জেলার শিবপুর গ্রামের জিনারুল ইসলামের ছেলে মুর্শিদ আলম (২৫) ও বামনডাঙ্গা গ্রামের মাসুদুল আলমের ছেলে মুসাই আলমকে সাতক্ষীরা থেকে আটক করে পুলিশ।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আতিয়ার সরদারের ছেলে ও মাস্টার এজেন্ট তৈয়ব হাসান (২৭) এবং আজিজুল সানার ছেলে তারেকুজ্জামান জুয়েলকে আটক করা হয়। এ ছাড়া শ্যামনগর, আশাশুনি, দেবহাটা ও তালা থানা এলাকা থেকে ১০ জন জুয়াড়িকে আটক এবং তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানেও অনলাইন জুয়াড়ি চক্রের মাস্টারমাইন্ড এজেন্টসহ দুই সদস্য আটক হয়েছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, অনলাইন জুয়ার বিষয়ে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যেকোনো স্থান থেকে তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।