মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

শ্যামনগরে ধান বীজ ও সার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ধান বীজ ও সার বিতরণ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা, বন্যা ও অনিয়মিত আবহাওয়ার কারণে কৃষি উৎপাদন আজ বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে উন্নয়ন সংগঠন লিডার্স জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ কৃষকদের মাঝে লবণ, খরা ও বন্যা সহিষ্ণু ধান বীজ এবং জৈবসার বিতরণ করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) শ্যামনগর উপজেলায় লিডার্স-এর প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কেয়ার প্রকল্পের আওতায় ধান বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিডার্স-এর সাধারণ পরিষদ সদস্য রনজিৎ বর্মন, আটুলিয়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সামছুর রহমান এবং উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশালতা।

সংস্থার ফিন্যান্স ডিরেক্টর আনোয়ার রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রকল্পের পরিচিতি তুলে ধরেন প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ মঞ্জুরুল হক। এগ্রিকালচার অ্যান্ড লাইভলিহুড অফিসার মো. ফয়সাল হাসানের সঞ্চালনায় এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র অ্যাকাউন্টস অফিসার রায়হান কবির, প্রজেক্ট অফিসার মাসুমা খাতুন, শম্পা রানী দাস প্রমুখ।

 

 

 

 

 

Ads small one

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিসরকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে, পেনাল্টি মিস, প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের একের পর এক দুর্দান্ত সেভ। তার পর দ্বিতীয়ার্ধেও গোল হজম! দুই গোলে পিছিয়ে শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। পড়ে যায় বিদায়ের শঙ্কার মুখে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন তারা। যারা শেষ মুহূর্তেও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। রুদ্ধশ্বাস লড়াই উপহার দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শেষভাগে ৪ মিনিটের ব্যবধানে মেসি ম্যাজিকে ম্যাচে ফেরে তারা। দুই গোল শোধ দিয়ে সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও ম্যাচের ১৫ মিনিটে কর্নার থেকে এগিয়ে যায় মিসর। শর্ট কর্নার থেকে আতিয়ার ক্রসে নিখুঁত হেডে গোল করেন ইব্রাহিম। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে হারের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হজম করে আর্জেন্টিনা।

২১ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল লিওনেল স্ক্যালোনির দল। পেনাল্টি আদায় করলেও স্পট কিক থেকে গোল করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তার শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক শোবাইর।

এরপর ২৮ মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের নিখুঁত ক্রস থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডও রুখে দেন শোবাইর। ৩৯ মিনিটে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে হুলিয়ান আলভারেজের প্রথম ছোঁয়ার শটও দুর্দান্ত সেভে পোস্টের বাইরে পাঠিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক। প্রথমার্ধ শেষে তাই ১-০ গোলের লিড নিয়েই মাঠ ছাড়ে মিসর।

দ্বিতীয়ার্ধে ৬৭ মিনিটে জিকোর গোল আরও বড় আঘাত হয়ে আসে আলবিসেলেস্তে শিবিরে। শঙ্কা জাগে এখানেই কি শেষ আর্জেন্টিনার? কিন্তু শেষভাগে ম্যাচের চেহারাই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে শক্তিশালী হেডে ব্যবধান কমান ক্রিস্তিয়ান রোমেরো।

চার মিনিট পরই আসে মেসি ম্যাজিক। মিসরের ডিফেন্ডারদের ভুলে গনসালো মন্তিয়েলের পাস পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় জোরালো শট নেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। শোবাইর বলটি স্পর্শ করলেও সেটি ক্রসবারে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। তাতেই ২-২ সমতায় ফেরে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

নাটকীয়তার শেষটা লিখেছেন এনসো ফার্নান্দেস। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে তার গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে মেসির দল।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কপোতাক্ষের মাটি লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: কপোতাক্ষের মাটি লুট

জাতীয় স্বার্থ ও পরিবেশগত সুরক্ষাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পাটকেলঘাটার কাটাখালি অঞ্চলে কপোতাক্ষ নদের খননকৃত মাটি অবৈধভাবে বিক্রি ও পাচারের যে খবর সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খননের মূল উদ্দেশ্য যেখানে জলাবদ্ধতা নিরসন ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, সেখানে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের পকেট ভারী করতে এই প্রকল্প এখন স্থানীয়দের জন্য উল্টো কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন-রাত ট্রাক ও ট্রলিযোগে মাটি কেটে নেওয়ার ফলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে কপোতাক্ষ তীরের গ্রামগুলোতে আসন্ন বর্ষায় ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

নিয়ম অনুযায়ী, খননকৃত মাটি নদী তীরবর্তী বেড়িবাঁধ শক্তিশালী করতে বা সরকারি নির্দেশনানুযায়ী নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই সেই মাটি চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটা, বাড়ি ও বেসরকারি জমি ভরাটের কাজে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এই পুরো অবৈধ বাণিজ্যের নেপথ্যে রয়েছে। জনস্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক স্বার্থকে এভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কপোতাক্ষ তীরের বাসিন্দাদের এই ক্ষোভ ও আশঙ্কা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

নদী অববাহিকার মানুষের জীবন-জীবিকা এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করে টিকে থাকে। তার ওপর ভরা বর্ষা মৌসুমে যখন নদীর পানি ক্রমান্বয়ে বাড়ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বেড়িবাঁধ বা নদীর তীর থেকে এভাবে মাটি সরানো চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে; তলিয়ে যেতে পারে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের।

আমাদের বক্তব্য স্পষ্টÑ কেবল মুখের আশ্বাস বা তদন্তের আনুষ্ঠানিকতায় সাধারণ মানুষের এই গভীর উৎকণ্ঠা দূর হবে না। তালা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ঘটনাস্থলে পাঠানোর উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে মাঠপর্যায়ে এর দৃশ্যমান ও কঠোর প্রতিফলন দেখতে চায় কপোতাক্ষপাড়ের মানুষ।

আমরা মনে করি, অবিলম্বে এই মাটি পাচার চক্রের অবৈধ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। কপোতাক্ষকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই লুটেরা সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। একই সাথে, বর্ষার তীব্রতা বাড়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো সংস্কারে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। কপোতাক্ষ তীরবর্তী হাজার হাজার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে প্রশাসন অতি দ্রুত কঠোর ও আপসহীন ভূমিকা পালন করবেÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এক গোল শোধ করল আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
এক গোল শোধ করল আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনা ১ : ২ মিসর
আর্জেন্টিনার হয়ে এক গোল শোধ করলেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।