মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

পশ্চিম তীরে মার্কিন আইনপ্রণেতাকে বন্দুকের নলের মুখে আটকে রাখলো ইসরায়েলি সেটেলাররা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
পশ্চিম তীরে মার্কিন আইনপ্রণেতাকে বন্দুকের নলের মুখে আটকে রাখলো ইসরায়েলি সেটেলাররা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র সশরীরে দেখতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেস সদস্য রো খান্না। ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের খোঁজখবর নেওয়ার সময় আমেরিকার তৈরি অস্ত্রধারী ইসরায়েলি সেটলাররা তাকে বন্দুকের নলের মুখে আটকে রাখে।

ক্যালিফোর্নিয়ার প্রগতিশীল এই আইনপ্রণেতা শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমার ফিলিস্তিন সফরের সময় আমেরিকার তৈরি এম-৪ রাইফেল উঁচিয়ে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা আমাকে এবং অন্য আমেরিকানদের আটকে রাখে।

তিনি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দিকে ইঙ্গিত করে আরও বলেন, যখন আইডিএফ (ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস) সেখানে পৌঁছায়, তারা বসতি স্থাপনকারীদের পক্ষ নেয় এবং আমাদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখে।

এই আচরণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা একটি মস্ত বড় ভুল করেছে।

রো খান্না পশ্চিম তীরের খিরবেত জানুতা নামের একটি ফিলিস্তিনি গ্রামে গিয়েছিলেন। সেখানকার বাসিন্দারা ইসরায়েলি সেটেলারদের হাতে জাতিগত নিধনের শিকার হয়েছেন। উগ্রপন্থি সেটেলারররা ওই গ্রামের স্কুল পুড়িয়ে দিয়েছে, ঘরবাড়ি লুটপাট করেছে, রাইফেল ও পাথর দিয়ে বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এছাড়া তারা জানালার কাচ ও সৌরবিদ্যুতের প্যানেল ভেঙে ফেলা, পানির ট্যাংক খালি করা এবং ফসলি জমিতে অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য ফেলার মতো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে রো খান্না বলেন, আমরা এমন একটি গ্রামে ছিলাম যা ইসরায়েলি সেটেলাররা ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা সেখানকার স্কুল এবং পুরো গ্রামটিই ধ্বংস করে দিয়েছে, আমরা কেবল তা দেখছিলাম। ঠিক তখনই আমেরিকার তৈরি এম-৪ মেশিনগান হাতে একদল গুন্ডা এসে আমাদের রাস্তা অবরোধ করে আটকে রাখে। এরপর তারা আইডিএফ-কে ডাকে এবং আইডিএফ আমেরিকানদের পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো ওই গুন্ডাদের পক্ষ নেয়।

কংগ্রেস সদস্য খান্নার সঙ্গে সফররত তার সহকারী ক্যামেরন কাস্কি জানিয়েছেন, সেটেলাররা এই প্রতিনিধিদলটিকে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আটকে রেখেছিল। এই পরিস্থিতিতে তারা সাহায্যের জন্য জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে বারবার যোগাযোগ করেন। কাস্কি জানান, অবশেষে ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তারা এসে হস্তক্ষেপ করেন এবং তাদের মুক্তি নিশ্চিত করেন।

তবে কট্টর ইসরায়েলপন্থি মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এই মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষে কোনও হস্তক্ষেপ করেছিলেন কিনা বা তাদের সঙ্গে হওয়া এমন আচরণের কোনও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী খিরবেত জানুতার কাছে সেটেলারদের দ্বারা গাড়ি আটকে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও দাবি করেছে যে, তাদের বাহিনীই এই সংঘাতের অবসান ঘটিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েল প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা পায়। এই সহায়তার অর্থ দিয়েই মার্কিন প্রযুক্তির এম-৪ রাইফেলের মতো অস্ত্র কেনা হয়, যা এখন ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইসরায়েলি সেটেলারদের হাতে দেখা যাচ্ছে।

গাজায় চলমান গণহত্যা এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বর্ণবাদী নীতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন ব্যাপকভাবে ধসে পড়েছে। রয়টার্স/ইপসোস-এর সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ইসরায়েলের গ্রহণযোগ্যতার হার ২০১৮ সালের ৫৯ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে চলতি বছরের মে মাসে মাত্র ২২ শতাংশে নেমে এসেছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

Ads small one

‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন পরীমণি

‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা, সারা জীবন ঝামেলা হবে, ঝামেলা নিয়েই যাব।’—এভাবেই নিজের জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি আপত্তিকর ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।

এবার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার পাশাপাশি নারীদের হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীমণির একটি আপত্তিকর ভুয়া ভিডিও তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। ফেসবুক লাইভে এসে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও জানান। তার এই সাহসী অবস্থানের প্রশংসা করেছেন অনেকেই।

পরীমণি বলেন, ‘সবাই যখন আমার সাহসকে সম্মান জানায়, তখন আরও সাহস পাই। মনে হয়, আমি সঠিক পথে আছি।’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি শোরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে জীবনে বারবার নানা ঝামেলার মুখোমুখি হওয়া প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা, সারা জীবন ঝামেলা হবে, ঝামেলা নিয়েই যাব। এটা আমি মেনে নিয়েছি। আমার ভালো লাগে, এনজয় করি।’

এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীদের হয়রানির ঘটনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন পরীমণি। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা অনেক সেনসিটিভ। আমার মতো মানুষ এটা গায়েই লাগানোর কথা না। প্রথম তিন-চার দিন তো পাত্তা দিইনি। যখন দেখলাম, এটা আর এভয়েড করতে পারছি না, তখন গিয়ে কথা বললাম। কোনো সাধারণ মেয়ের ক্ষেত্রে হলে অনেকে সুইসাইডও করে ফেলে। সেসব নিয়ে অহরহ নিউজ হয়েছে। সুতরাং এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া জরুরি।’

পরীমণির বক্তব্যে স্পষ্ট, এ ধরনের হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো এবং অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

সরকার চায় ঐক্য, কিন্তু একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
সরকার চায় ঐক্য, কিন্তু একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি : প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে চায়। তবে সরকার যখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন একটি মহল দেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ওই মহলটি আগে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছিল, যা দেশের মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। এখন তারা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর নগরীর স্টেশন রোড এলাকায় অবস্থিত ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন এবং দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতের নাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, তারা সংসদে এসে কথা বলুক। তাদের বক্তব্য শুনতে চাই। জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনও কথা থাকলে আমরা তা গ্রহণ করতে রাজি আছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালো করার জন্য সরকার কাজ করছে। দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সব ধরনের বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য। এ জন্য তিনি জনগণের আরও কাছাকাছি যেতে চান এবং সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, আমরা সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একযোগে কাজ করতে চাই। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আমরা কাজ করছি। নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে আমি আবারও দেশবাসীর সহযোগিতা চাই।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার জন্য সেই যুদ্ধে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সব ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। সবার ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, মাত্র দুই বছর আগে দেশে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, তাতেও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। তাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত করা হয়েছিল। এখন সরকার আগামীর বাংলাদেশকে শান্তির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেট পাওয়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত নির্বাচনে আমরা জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছি। হয়তো কোনও অঞ্চলে আমরা জয়ী হয়েছি, কোনো অঞ্চলে হইনি। কিন্তু আমরা মনে করি, দেশের সব মানুষ আমাদের নির্বাচিত করেছেন, ভোট দিয়েছেন। সে কারণে দেশের সব অঞ্চলে সমভাবে উন্নয়ন করতে চাই।

রংপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রংপুর মহানগরীর উন্নয়নে একনেকের সভায় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রংপুরের জেলা ও উপজেলাগুলোর অবকাঠামো এবং সড়ক উন্নয়নে জেলা পরিষদের মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পৌঁছান। সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে হাজারো নারী-পুরুষ দাঁড়িয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মন্দিরের উন্নয়নের জন্য ১০ লাখ টাকার অনুদানের চেক দেন। এ ছাড়া মন্দিরের দরিদ্র ও মেধাবী সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য ছয়তলা ভবন নির্মাণে সহায়তার আশ্বাস দেন।

মন্দির কমিটির সভাপতি ভবতোষ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি নিপুণ রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর সাহেব আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আরপি পরিবহনের একটি বাস মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ৯ জন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচজন মারা যান।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বনপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ ও নাটোর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুর রউফ এবং বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে সেগুলো ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক, নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি প্রশাসন।