শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: আমিনুর রসুল সভাপতি, সাকিলা পারভীন সহ-সভাপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: আমিনুর রসুল সভাপতি, সাকিলা পারভীন সহ-সভাপতি

পত্রদূত ডেস্ক: উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কর্মরত নাগরিক প্লাটফর্ম ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম’-এর নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও জেলা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গঠিত ওই কমিটিতে আমিনুর রসুল সভাপতি ও সাকিলা পারভিন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে। রাজধানীর হুমায়ুন রোডে ‘লিডার্স’ কার্যালয়ে আমিনুর রসুলের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় ১৭ সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠিত হয়। এরমধ্যে ৭ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন করা হয়।

 

নির্বাহী কমিটিতে সভাপতি ও সহ-সভাপতি ছাড়াও আছেন সাধারণ সম্পাদক মোহন কুমার ম-ল (সাচিবিক দায়িত্বে), গণমাধ্যম ও যোগাযোগ সম্পাদক রায়হান ফেরদৌস, যুব প্রতিনিধি শ্রুতি রানী দে এবং কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী ও খাদিজা খানম।

এছাড়া উপদেষ্টা কমিটিতে আছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র এবং উন্নয়নকর্মী সৈয়দা শামীমা সুলতানা।

নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আমিনুর রসুল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এরমধ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

 

আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই। ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের নতুন কমিটি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অ্যাডভোকেসির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের মানুষের অধিকার রক্ষা এবং টেকসই জলবায়ু নীতি বাস্তবায়নে জোরালো ভূমিকা রাখবে।

 

তরুণ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে জলবায়ু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। চলমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সংবাদদাতা: গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র কার্যকরের দাবিতে দেশব্যাপী ঘোষিত ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় কলারোয়া সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি মো. জুবায়ের হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক জেলা সভাপতি মো. জিয়ারুল ইসলাম জিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মো. নাজমুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা অফিস সম্পাদক নাহিদ হাসান, জেলা অর্থ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা মাদ্রাসা সম্পাদক, জেলা বিজ্ঞান সম্পাদক ফয়সাল হোসেন, জেলা সহকারী অফিস সম্পাদক আহসান হাবীব ইমরোজ, কলারোয়া পৌর সভাপতি মোস্তাকিম বিল্লাহ, কলারোয়া পূর্ব সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, কলারোয়া পশ্চিম সভাপতি আবু রায়হানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ ও আহত ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি না করে অবিলম্বে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তারা আরও বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে ছাত্র-জনতা আবারও জুলাই অভ্যুত্থানের মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। ছাত্র-জনতা পুনরায় মাঠে নামলে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন।

সমাবেশে বক্তারা গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়ে এসব দাবিতে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলামের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলামের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি এবং মাসজিদে কুবার উদ্যোগে দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক, মাসজিদে কুবা ও সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি জি এম নূর ইসলামের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বাদ জুমা মাসজিদে কুবা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা তৈয়ব হাসান। সঞ্চালনা করেন মসজিদের ইমাম মাওলানা মাহমুদুর রহমান। দোয়া পরিচালনা করেন প্রবীণ আলেম ও মসজিদের উপদেষ্টা হযরত মাওলানা মো. রজব আলী।
এ সময় বক্তব্য দেন মাসজিদে কুবার সহ-সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসান। বক্তারা বলেন, জি এম নূর ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা, সামাজিক উন্নয়ন এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দোয়া মাহফিলে মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত সপ্তাহে জি এম নূর ইসলামকে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
দোয়া মাহফিল থেকে তাঁর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়।

বুদ্ধির খেলা দাবা/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
বুদ্ধির খেলা দাবা/ প্রকাশ ঘোষ বিধান

প্রকাশ ঘোষ বিধান

দাবা খেলা মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি ব্যায়াম। এটি মানুষের চিন্তাশক্তি, স্মৃতিশক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়িয়ে মানসিক বিকাশ ঘটায় এবং মনকে গভীরভাবে শাণিত করে। নিয়মিত দাবা খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। এটি মানুষের দূরদর্শিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

দাবা মস্তিষ্কের উন্নতি সাধন করে, একাগ্রতা ও মনোযোগ বৃদ্ধি করে। দাবায় প্রতিপক্ষের পরবর্তী চাল অনুমান করতে ও নিজের কৌশল সাজাতে গভীর মনোযোগের প্রয়োজন হয়, যা দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য কাজেও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। বিভিন্ন চাল ও প্যাটার্ন মনে রাখার ফলে স্মৃতিশক্তি প্রখর হয় এবং আইকিউ বা বুদ্ধাঙ্ক বাড়াতে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। দাবা খেলা শেখায় ঘোড়া, হাতি, মন্ত্রী ইত্যাদি দিয়ে সর্বোচ্চ কৌশল প্রয়োগ করতে হয়, যা বিশ্লেষণাত্মক ও যৌক্তিক চিন্তাশক্তি উন্নত করে।

প্রতি বছর ২০ জুলাই আন্তর্জাতিক দাবা দিবস পালিত হয়। ১৯২৪ সালের এই দিনে ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন গঠিত হয়। পরবর্তীতে ইউনেস্কো এর প্রস্তাবে ১৯৬৬ সাল থেকে ফিডে-এর উদ্যোগে দিনটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়ে আসছে।

দাবা হলো প্রাচীন ও জনপ্রিয় একটি কৌশলগত বোর্ড গেম। ৬৪ খোপের একটি বোর্ডে দুজন খেলোয়াড় বিপরীত রঙের গুটি সাদা ও কালো গুটি দিয়ে খেলেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিজের রাজাকে সুরক্ষিত রেখে প্রতিপক্ষের রাজাকে এমনভাবে ফাঁদে ফেলা, যাতে পালানোর কোনো পথ না থাকে। দাবায় দুই খেলোয়াড়ের কাছে মোট ৩২টি ঘুঁটি থাকে। প্রতিটি গুটির চাল আলাদা। সৈন্য: সামনে সোজা এক ঘর যায়। প্রথম চালে দুই ঘরও যেতে পারে, কিন্তু অন্য গুটিকে কোণাকোণি মারে। নৌকা: সোজা বা পাশাপাশি যত ঘর খুশি যেতে পারে। ঘোড়া: এল আকারে আড়াই ঘর চলে এবং অন্য ঘুঁটির ওপর লাফিয়ে যেতে পারে। হাতি: কোণাকোণি যত ঘর খুশি চলতে পারে। মন্ত্রী: সোজা, পাশাপাশি ও কোণাকোণি যত ঘর খুশি যেতে পারে। রাজা: সব দিকে এক ঘর চলতে পারে।

দাবা খেলায় প্রতিটি চাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ভুল চালের কারণে পুরো ম্যাচ হারতে হতে পারে। দাবায় কেবল নিজের চাল দিলেই চলে না, প্রতিপক্ষের পরবর্তী সম্ভাব্য চালগুলো কী হতে পারে তা আগে থেকেই অনুমান করতে হয়। তাই খেলোয়াড়কে দীর্ঘ সময় বোর্ডের দিকে সম্পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে হয়। মানুষের দূরদর্শিতা এবং চিন্তাভাবনার ক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

দাবা বোর্ডের প্রতিটি পরিস্থিতি একেকটি জটিল সমস্যা। সীমিত সময়ের মধ্যে এবং মানসিক চাপের মুখে দাঁড়িয়ে সেরা সমাধানটি খুঁজে বের করতে হয়। এই অভ্যাস বাস্তব জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতে দ্রুত এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শেখায়।
একটি দাবা ম্যাচ দীর্ঘসময় ধরে চলতে পারে এবং এতে হার-জিত দুটোই থাকে। এটি খেলোয়াড়দের ধৈর্য ধরতে এবং পরাজয় মেনে নিয়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি দৈনন্দিন জীবনেও কোনো কাজে গভীরভাবে মনোনিবেশ করার ক্ষমতা বাড়ায়।
ধৈর্য ও আবেগ নিয়ন্ত্রণদাবা খেলা হুট করে জেতা যায় না, এর জন্য প্রচুর ধৈর্যের প্রয়োজন। অনেক সময় প্রতিপক্ষের ফাঁদে পড়েও মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে হয়। এটি মানুষের আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্যশীল থাকার মানসিকতা তৈরি করে।

দাবা খেলাকে কেবল একটি ইনডোর গেম বা বিনোদন হিসেবে দেখলে ভুল হবে, এটি মূলত মস্তিষ্কের একটি চমৎকার ব্যায়াম। নিয়মিত দাবা খেললে মানসিক ক্ষমতার বহুমুখী বিকাশ ঘটে এবং মন শাণিত হয়।

মস্তিষ্কের বাম অংশ যুক্তি ও গণিত নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডান অংশ সৃজনশীলতা ও প্যাটার্ন চেনার কাজ করে। দাবা খেলার সময় খেলোয়াড়কে যেমন হিসাব-নিকাশ করতে হয়, তেমনি নতুন চালের পরিকল্পনা ও বোর্ডের রূপরেখা কল্পনা করতে হয়। ফলে মস্তিষ্কের উভয় অংশের সমন্বয় ঘটে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দাবা খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারী স্মৃতিশক্তি শক্তিশালী হয় এবং আলঝেইমার্স বা স্মৃতিভ্রমের মতো রোগ প্রতিরোধে এটি সাহায্য করে। নিয়মিত দাবা খেললে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়। এটি মানুষের দূরদর্শিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট