শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

পাইকগাছায় কৃষি প্রণোদনার চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কৃষি প্রণোদনার চারা বিতরণ

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের ৫১৭টি পরিবারের মধ্যে মোট ২৫৮৫টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের পরিবেশগত সচেতনতা এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার প্রতি উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এসকল চারা বিতরণ করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম মনিরুল হুদা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও উপকারভোগীরা। স্থানীয় কৃষকেরা এই উদ্যোগে খুশি হয়েছেন এবং কৃষি বিভাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

Ads small one

কলারোয়ায় শিশুকে কুপিয়ে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে হত্যাচেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় শিশুকে কুপিয়ে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে হত্যাচেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার

মো. সিরাজুল ইসলাম: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় ১২ বছরের এক শিশুকে মাছ ধরার কথা বলে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম করার পর সেপটিক ট্যাংকে ফেলে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের সিংগা গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত ওই শিশুর নাম মো. অরিদ হাসান। সে সিংগা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র এবং সিংগা গ্রামের খায়রুল জামানের ছেলে। বর্তমানে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. আবু হুরায়রা ওরফে রাসেল বাবু (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাসেল বাবু একই গ্রামের রকিবুজ্জামান লাল্টুর ছেলে। পুলিশ তাঁর বাড়ি থেকে রক্তমাখা লুঙ্গি ও গেঞ্জি আলামত হিসেবে উদ্ধার করেছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাসেল বাবু মাছ ধরার কথা বলে অরিদকে বাড়ি থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায়। বিকেল গড়িয়ে রাত হলেও অরিদ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অরিদের চাচা মুনছুর আলী জানান, দুপুর দেড়টার দিকে তিনি অরিদকে গ্রামের ইজাজুল ডাক্তারের নির্মাণাধীন ভবনের পাশে দেখেছিলেন।
এই তথ্যের সূত্র ধরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে অরিদের বাবা ও চাচাসহ স্বজনেরা ওই নির্মাণাধীন ভবনের পেছনে যান। সেখানে থাকা একটি অব্যবহৃত সেপটিক ট্যাংকের সামনে গিয়ে অরিদের নাম ধরে ডাকতে থাকলে ভেতর থেকে ক্ষীণ স্বরে অরিদের সাড়া পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ট্যাংকের ঢাকনা সরিয়ে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় অরিদকে উদ্ধার করা হয়।
স্বজনেরা প্রথমে অরিদকে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অরিদ কিছুটা সুস্থ হয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাসেল বাবু তাকে ওই নির্মাণাধীন ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং প্লেসে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা, কান ও ঘাড়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে অরিদ মারা গেছে ভেবে অপরাধের প্রমাণ নষ্ট করতে তাকে ভবনের পেছনের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর ফেলে ঢাকনা বন্ধ করে পালিয়ে যায় রাসেল বাবু।
এই ঘটনায় অরিদের বাবা মো. খায়রুল জামান বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
কলারোয়া থানা-পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পর শনিবার (১৮ জুলাই) আসামি রাসেল বাবুকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আশাশুনিতে পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে পুলিশি অভিযানে মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁর নাম মহব্বত ঢালী (৫৪)। তিনি বড়দল গ্রামের মৃত আমজেদ ঢালীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে আশাশুনি থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া মহব্বত ঢালীর বিরুদ্ধে ১৫০/২৫ নম্বর মামলার পরোয়ানা ছিল। শনিবার দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কয়রায় বিদ্যালয় ভবন ধস: পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
কয়রায় বিদ্যালয় ভবন ধস: পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রা ও মহারাজপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখার একটি পুরোনো ভবন ধসে পড়েছে। শুক্রবার বিকেলে ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদসহ সামনের অংশ ধসে পড়ে। সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার জানান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে দুইতলা একাডেমিক ভবনটি নির্মিত হয়েছিল। আইলা, ইয়াস ও রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ের লবণাক্ত পানির কারণে ভবনটির কাঠামো আগেই দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে সেখানে ক্লাস নিতে হচ্ছিল। মাধ্যমিক শাখায় বর্তমানে ২৩০ জন শিক্ষার্থী ও ১৯ জন শিক্ষক রয়েছেন।
খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ধনঞ্জয় মিস্ত্রী জানান, প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে চারতলা ভিত্তির ওপর নতুন একতলা ভবন এবং পাঠদান সচল রাখতে অস্থায়ী দুটি টিনশেড ভবন নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই নির্মাণকাজ শুরু হবে।