রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

২ আগষ্ট বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
২ আগষ্ট বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী

প্রক্শ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। ২ আগষ্ট রোববার ইতিহাসের ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে বিজ্ঞানীর জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান। জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানকে ঘিরে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয়ভাবে আয়োজন করা হয়েছে নানা কর্মসূচি। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রোববার সকালে খুলনা জেলার পাইকগাছায় আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, জন্মস্থান পরিদর্শন, পিসি রায়ের জীবন ও কর্মের উপর আলোকচিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনী,আলোচনা সভা ও অন্যান্য কর্মসুচি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন। সভাপতিত্ব করবেন, খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। উপস্থিত থাকবেন, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ ও উপজেলা প্রশাসন এবং রাড়ুলী ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।

বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ১৮৬১ সালের ২ আগষ্ট খুলনা জেলার পাইকগাছার রাড়ুলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা হরিশচন্দ্র রায় চৌধুরী ও মাতা ভুবন মোহনী দেবী। প্রফুল চন্দ্র পিতার প্রতিষ্ঠিত স্কুলে বাল্য শিক্ষা লাভ করেন। প্রফুল চন্দ্রের পিতা-মাতা স্থায়ীভাবে কলকাতায় বসবাস শুরু করলে তিনি ১৮৭১সালে হেয়ার স্কুলে ভর্তি হন এরপর ১৮৭৪ সালে এ্যালবার্ড স্কুলে ভর্তি হন এবং এ স্কুল থেকে এন্ট্রাস পাশ করেন। তিনি ১৮৯১ সালে মেট্রোপলিটন ইনিস্টিটিউট থেকে এফ, এ পাশ করেন। বিএ পড়ার জন্য প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন।

 

১৮৮২ সালে গিলক্রাইস্ট বৃত্তি লাভ করে ইংল্যান্ডের এডিরবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ১৮৮৫ সালে বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৮৮৭ সালে মৌলিক গবেষণামুলক প্রবন্ধে ডিএমসি উপাধি লাভ করেন এবং একই বছরে এডিসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যামিক্যাল সোসাইটি সহ সভাপতি নির্বাচিত হন। এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান জনক ডক্টরেট ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮৮ সালে ইউরোপ ঘুরে কলিকাতায় পৌছান। তিনি ১৮৮৯ সাল থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত ২৭ বছর প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ২০ বছর বিজ্ঞান কলেজে পালিত অধ্যাপক হিসবে শিক্ষকতা করেন। ১৯১২ সালে লন্ডন ডারহার্ম বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মান জনক ডক্টরেট উপাধী প্রদান করেন। ১৮৯৫ সালে তিনি মার্ককিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার করেন।

১৮৯২ সালে মাত্র ৮০০ টাকা মুলধন নিয়ে বেঙ্গল ক্যামিক্যাল প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটির নাম কারণ করা হয় দি বেঙ্গল কেমিক্যাল এন্ড ফার্মাসিটিক্যাল। ১৯৩৭ সালে মানিকতলায় স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রিসার্ট ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩৪ সালে আচার্য্যদেব খুলনার সোনাডাঙ্গায় বেকার যুবকদের কর্মস্থানের জন্য প্রফুল্ল চন্দ্র কটন মিল লিঃ প্রতিষ্ঠা করেন। দেশভাগের পর এ, পি, সি কটন মিলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় খুলনা টেক্সটাইল মিল। ১৯০৮ সালে রাড়ুলীতে সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।

 

তিনি বাগেরহাটের পি, সি কলেজ, খুলনা সিমেন্ট্ররি রোডে এ, পি, সি শিশু বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে অসংখ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন ও অনুদান প্রদান করেন। পি, সি, রায়ের কর্মকান্ডে লন্ডনের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতবর্ষের মহীশুর, বেনারস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসচূক ডক্টরেট উপাধিতে ভুষিত করেন। ব্রিটিশ সরকার ১৯১২ সালে তাকে সি, আই, ই এবং ১৯২৯ সালে নাইট উ্পাধিতে ভুষিত করেন। ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন ৮২ বছর বয়সে আচার্য্যদেব শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

 

Ads small one

ডিজিটাল অগ্রযাত্রার অদৃশ্য শত্রু: সাইবার নিরাপত্তায় কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
ডিজিটাল অগ্রযাত্রার অদৃশ্য শত্রু: সাইবার নিরাপত্তায় কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ?

‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রযাত্রা মানুষের জীবনযাত্রাকে যেমন সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করেছে, তেমনি এর অপব্যবহার নতুন নতুন ঝুঁকিরও জন্ম দিয়েছে। আজ ঘরে বসেই শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যাংকিং, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি নানা সেবা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির এই অগ্রগতির পাশাপাশি সাইবার অপরাধও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো, আর্থিক প্রতারণা, সাইবার বুলিং ও ব্ল্যাকমেইলিং এখন ব্যক্তি, পরিবার এবং রাষ্ট্র সবার জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ এগিয়ে চলছে, সেই যাত্রাপথকে নিরাপদ রাখতে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আজ সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি। প্রযুক্তির সুফল তখনই অর্থবহ হবে, যখন এর ব্যবহার হবে দায়িত্বশীল, নিরাপদ এবং সচেতনতার সঙ্গে।

‎প্রযুক্তির অপব্যবহারের সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলোর একটি হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও ভুয়া তথ্যের বিস্তার। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে একটি অসত্য তথ্য লক্ষাধিক মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে, যা সামাজিক বিভ্রান্তি, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা কিংবা অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য শেয়ার করার প্রবণতা সমাজের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

‎সাইবার বুলিংও বর্তমানে উদ্বেগজনক সমস্যা। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী, শিক্ষার্থী ও নারীরা প্রায়ই অনলাইন হয়রানি, অপমানজনক মন্তব্য, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার কিংবা ব্যক্তিগত ছবি বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়ার মতো অপরাধের শিকার হচ্ছে।

 

এর ফলে অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন, আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন এবং সামাজিক জীবন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে বাধ্য হন। একই সঙ্গে প্রযুক্তির প্রতি অতিরিক্ত আসক্তিও নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন গেম বা ভিডিওতে ডুবে থাকার কারণে অনেক তরুণের পড়াশোনা, কর্মক্ষমতা, পারিবারিক যোগাযোগ এবং মানসিক সুস্থতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রযুক্তি মানুষের সময় বাঁচানোর কথা থাকলেও অসচেতন ব্যবহারে সেটিই অনেক সময় অপচয় ও মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি হলো অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং।

 

প্রতারকচক্র বিভিন্ন ফিশিং লিংক, ভুয়া ওয়েবসাইট বা প্রতারণামূলক বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের পাসওয়ার্ড ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল বা আর্থিক সেবার অ্যাকাউন্ট অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। আর্থিক প্রতারণাও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ওটিপি, পিন নম্বর বা গোপন তথ্য হাতিয়ে নিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা অন্যান্য আর্থিক সেবা থেকে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। কখনো চাকরির প্রলোভন, কখনো লটারিতে পুরস্কার পাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস, আবার কখনো পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা চালানো হচ্ছে।

 

সচেতনতার অভাবে সাধারণ মানুষ সহজেই এসব প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ব্ল্যাকমেইলিং বর্তমানে আরেকটি বড় সামাজিক সমস্যা। ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও বা তথ্য চুরি করে অর্থ দাবি কিংবা মানহানির হুমকি দেওয়ার ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীরা এ ধরনের অপরাধের শিকার হয়ে চরম মানসিক সংকটে পড়েন। অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক লজ্জার ভয়ে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছেও যেতে সাহস পান না, যা অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করে। সাইবার অপরাধের ক্ষতি শুধু আর্থিক নয়, এর গভীর মানসিক ও সামাজিক প্রভাবও রয়েছে। অনলাইন হয়রানি বা প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা বিষণ্নতা, উদ্বেগ, আত্মবিশ্বাসহীনতা এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় ভুগছে।

 

পারিবারিক সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে, কর্মজীবন ও শিক্ষাজীবনও ব্যাহত হচ্ছে। তাই সাইবার নিরাপত্তাকে কেবল প্রযুক্তিগত বিষয় হিসেবে নয়, সামাজিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্ব দিতে হবে। এই সংকট মোকাবিলায় প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো ব্যক্তিগত সচেতনতা। শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (২ঋঅ) চালু রাখা, অপরিচিত লিংকে ক্লিক না করা, ব্যক্তিগত তথ্য বা ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং তথ্য যাচাই করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা এসব অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

 

একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকর ভূমিকা, সাইবার অপরাধ দমনে দ্রুত তদন্ত, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এবং ভুক্তভোগীদের সহজে অভিযোগ জানানোর সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলোকেও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও সক্রিয় হতে হবে। পরিবারের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানরা ইন্টারনেটে কী দেখছে, কার সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং কত সময় অনলাইনে কাটাচ্ছে এসব বিষয়ে মা-বাবার ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল নজরদারি প্রয়োজন। নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে সচেতনতা ও পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ গড়ে তুললে শিশুরা নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবে। লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

 

সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এ কে এম নাজিম উল্লাহ আর নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এ কে এম নাজিম উল্লাহ আর নেই
এসএম বিপ্লব হোসেন: সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক স্বনামধন্য অধ্যক্ষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এ কে এম নাজিম উল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার ভোর ৪টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে জেলার শিক্ষা অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের জানাজার নামাজ রোববার বাদ যোহর মেহেদীবাগ এলাকার খাদিজাতুল কোবরা মসজিদে (সার্কিট হাউসের পশ্চিম পাশে) অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে নলতা শরীফের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ কে এম নাজিম উল্লাহ ১৯৯৮ সালে খুলনার ডুমুরিয়া শাহপুর কলেজ থেকে সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১২ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, দক্ষ প্রশাসন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে কলেজটিকে জেলার অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন।
তাঁর নেতৃত্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজ খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ কলেজের স্বীকৃতি অর্জন করে। এ কৃতিত্বের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ পুরস্কার ও সনদ গ্রহণ করে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
অবকাঠামোগত উন্নয়নেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। কলেজের নিজস্ব আয়ের অর্থে, বড় ধরনের সরকারি অনুদান ছাড়াই, একটি টিনশেড ক্যাম্পাসকে উন্নীত করে চারতলা ও পাঁচতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ও বাস্তবায়ন তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বেরই ফল। এ ধরনের আত্মনির্ভরশীল উন্নয়ন দেশের বেসরকারি কলেজগুলোর মধ্যে বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত।
শিক্ষকতা যে কেবল একটি পেশা নয়, বরং একটি মহান ব্রত, এ কে এম নাজিম উল্লাহ তাঁর সততা, নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও শিক্ষার্থী-শিক্ষকবান্ধব মনোভাবের মাধ্যমে তা আজীবন ধারণ ও লালন করেছেন। তাঁর আদর্শ, কর্মনিষ্ঠা এবং শিক্ষার প্রতি নিবেদন আগামী প্রজন্মের শিক্ষকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে শিক্ষার্থী, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী ট্রাক ট্রাকক্টর কাভার্ডভ্যান ও ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক দলের কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী ট্রাক ট্রাকক্টর কাভার্ডভ্যান ও ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক দলের কমিটি গঠন

সাতক্ষীরা জাতীয়তাবাদী ট্রাক ট্রাকক্টর কাভার্ডভ্যান ও ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক দল (ইটাগাছা ভিআইপি মোড়) এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৯ জুলাই সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ ও সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে নূর মোহাম্মাদকে সভাপতি, মোঃ আলতাফ হোসেন খান সিনিয়র সভাপতি ও কবীর উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য ১০১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি