প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা সারা দেশের মতো পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন ম-পে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হচ্ছে। ম-পগুলোতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গত ২০ অক্টোবর দেশজুড়ে শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী পালিত হয়। পাইকগাছা উপজেলায় ১৫১টি মন্দির বা ম-পে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খুলনার পাইকগাছার বাজারখোলায় ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী সর্বজনীন পূজা মন্দিরে ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকে ঢাকের বাদ্য, কাঁসর-ঘণ্টা, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে উপজেলার পূজাম-পগুলো। সন্ধ্যায় বর্ণিল আলোকসজ্জা, দৃষ্টিনন্দন প্রতিমা আর ভক্তদের উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
পাইকগাছার বিভিন্ন পূজাম-পে সকাল থেকেই ভক্তদের আনাগোনা শুরু হয়। সন্ধ্যার পর ম-পে ম-পে পূজারিদের ভিড় বাড়তে থাকে। কেউ দেবী দুর্গার প্রতিমার সামনে করজোড়ে প্রণাম করছেন, কেউ অঞ্জলি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উৎসবের মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখতে ছবি তুলছেন। ফুল, ধূপ ও আগরবাতির সৌরভে ম-পগুলোতে বিরাজ করছে ভক্তিপূর্ণ পরিবেশ।
২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন ও এবারের দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদ্যাপনের জন্য দেশের বিভিন্ন পূজাম-পে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।