মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ সার কালোবাজারি ও কৃত্রিম সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সার কালোবাজারি ও কৃত্রিম সংকট

সরকারি গুদামে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সারের মজুদ থাকা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে কৃত্রিম সংকট ও আকাশচুম্বী দামের খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রোপা আমন মৌসুমের এই ব্যস্ত সময়ে সারের জন্য কৃষকদের দ্বারে দ্বারে ঘোরা এবং বস্তাপ্রতি চার থেকে সাড়ে চার শ’ টাকা অতিরিক্ত গুনতে বাধ্য হওয়া কোনো সাধারণ প্রশাসনিক ত্রুটি নয়; এটি অসাধু সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ও মনিটরিং ব্যবস্থার চরম স্থবিরতারই প্রতিফলন। যখন প্রান্তিক কৃষক চড়া দামে না কিনলে সার পাচ্ছেন না, তখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘কাগজে-কলমে উদ্বৃত্ত মজুদের’ পরিসংখ্যান কার্যত তাদের জন্য এক উপহাস ছাড়া আর কিছু নয়।

চলতি বছর প্রকৃতি ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট কৃষকের অনুকূলে ছিল না। বিদ্যুতের লোডশেডিং এবং ডিজেল-সংকটের কারণে সেচ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে আমনের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা সামলে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে যাঁরা ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। সার বিতরণের নতুন নীতিমালা নিয়ে পুরোনো ডিলারদের অসহযোগিতা, গুদাম থেকে খোলাবাজারে সার পাচার এবং রাজনৈতিক প্রভাবে সার স্থানান্তরের যে অভিযোগ উঠে এসেছে, তা কঠোর হস্তে দমন করা না গেলে গ্রামীণ অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। কৃষি অর্থনীতিবিদদের ভাষ্যমতেÑগুদামে মজুদ থাকা আর কৃষকের হাতে সুলভে সার পৌঁছানো এক কথা নয়। সারে প্রদত্ত সরকারি কোটি কোটি টাকার ভর্তুকি যেন কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীর পকেটে না যায়, তা নিশ্চিত করার দায়ভার পুরোপুরি সরকারের।

কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবেÑএ স্রেফ কোনো স্লোগান হতে পারে না। চাল উৎপাদনের সিংহভাগ জোগানদাতা ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকেরা এভাবে শোষিত হলে তার প্রভাব শুধু গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং শহরের খাদ্যনিরাপত্তা ও চালের বাজারে তা ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে। প্রশাসনিক শিথিলতা ঝেড়ে ফেলে অনতিবিলম্বে মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল জোরদার করতে হবে। অসাধু মজুতদার ও পাচারকারী ডিলারদের লাইসেন্স বাতিলসহ দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ন্যায্যমূল্যে সরাসরি কৃষকের হাতে সার পৌঁছানোর বিকল্প নেই। জরুরি ভিত্তিতে বিতরণ ব্যবস্থার এই গলদ দূর না করলে সামগ্রিক আমন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন যে সুদূরপরাহত হবেÑতা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Ads small one

সুন্দরবন অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল জীবিকায়নবিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল জীবিকায়নবিষয়ক কর্মশালা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (খামারবাড়ি) কমপ্লেক্সে সুন্দরবন অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, মৎস্য চাষ, গবাদিপশু ও জীবিকার ওপর স্থানীয় পর্যায়ের সমন্বয় এবং যৌথ পরিকল্পনাবিষয়ক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘জলবায়ু-সহনশীল জীবিকায়ন: স্থানীয় পর্যায়ের সমন্বয় ও যৌথ পরিকল্পনা’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে কেয়ার বাংলাদেশের নেতৃত্বে ‘নবপল্লব’ কনসোর্টিয়াম ও কর্ডএইড।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপপরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেয়ার বাংলাদেশের রিজিওনাল ম্যানেজার লুৎফা পারভীন ও কর্ডএইডের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মাসুদ রানা।
কর্মশালায় বক্তারা সুন্দরবন উপকূলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান (নেচার-বেসড সলিউশনস) গ্রহণের ওপর জোর দেন। জলবায়ু অভিযোজন ও স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারি দপ্তর, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় সুদৃঢ় করার আহ্বান জানানো হয়।

কলারোয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

 

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার মানিকনগর গ্রামের উজ্জ্বল হোসেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভিটেবাড়ি দখলের চেষ্টা, মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সোমবার রাতে কলারোয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, একই গ্রামের তিন নারী ও কপিল উদ্দিন গাজী দীর্ঘদিন ধরে নানা কৌশলে তাঁর পরিবারকে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। তাঁদের অত্যাচারের কারণে মানিকনগরের বাড়ি ছেড়ে বর্তমানে খোর্দ্দ বাজারে দাদার বাড়িতে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন।
উজ্জ্বল হোসেন জানান, ২০১৪ সালে তাঁদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হলেও তা আদালতে প্রমাণিত হয়নি। পরবর্তীতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং ৩০ আগস্ট তাঁদের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। এর মধ্যে সর্বশেষ মামলায় ২ নম্বর আসামি হিসেবে তাঁর মামা শামিনুর রহমানকে ১২ সেপ্টেম্বর রাতে সোনাবাড়িয়া বাজার থেকে কলারোয়া থানা-পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ ও জখমের হুমকি দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

জেলা কালচারাল অফিসার অন্বেষার সঙ্গে মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
জেলা কালচারাল অফিসার অন্বেষার সঙ্গে মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মৌচাক সাহিত্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিস কক্ষে উপস্থিত হয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সংগঠনটির প্রতিনিধিরা।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি মৌচাক সাহিত্য পরিষদের বিভিন্ন কর্মকা- সম্পর্কে অবহিত হন এবং সংগঠনের কবি-সাহিত্যিকদের খোঁজখবর নেন। এ সময় মৌচাক সাহিত্য পরিষদের পক্ষ থেকে জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষাকে শুভেচ্ছা স্মারক, ‘মৌচাক’ পত্রিকা এবং মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুল ওহাব আজাদের লেখা তিনটি বই প্রদান করা হয়।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি আব্দুল ওহাব আজাদ, সহসভাপতি প্রভাষক মহিনুর ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. মছরুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুন্না ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রেবেকা সুলতানা প্রমুখ।