শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুন আজ মহাবিপন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুন আজ মহাবিপন্ন

প্রকাশ ঘোষ বিধান

শকুন আমাদের প্রকৃতির এক অসাধারণ বন্ধু। এদের প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী বা প্রাকৃতিক ঝাড়ুদার বলা হয়। মৃত পশুপাখি খেয়ে এরা আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখে। তবে দুঃখের বিষয়, এই উপকারী পাখিটি আজ মহাবিপন্ন।

প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম শনিবার আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস পালিত হয়। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশের পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে শকুনের অতীব গুরুত্ব ও তাদের সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে দিনটি উদযাপিত হয়।

প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে পরিচিত মহাবিপন্ন এই পাখিটি সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং এর সংরক্ষণে কাজ করাই এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এন্ডেঞ্জার্ড ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট এবং যুক্তরাজ্যের হক কনজারভেন্সি ট্রাস্ট প্রথম যৌথভাবে এই উদ্যোগ নেয়। ২০০৯ সাল থেকে এটি বিশ্বব্যাপী একটি সমন্বিত সচেতনতা ক্যাম্পেইন হিসেবে বড় পরিসরে উদযাপন করা শুরু হয়।

প্রকৃতির অতন্ত্র প্রহরী ও প্রধান পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুন আজ বাংলাদেশে ও বিশ্বে মহাবিপন্ন। মৃত প্রাণীর দেহ দ্রুত খেয়ে পরিবেশকে রোগমুক্ত ও গন্ধহীন রাখে এই উপকারী পাখিটি। তবে মানুষের নানা কর্মকান্ড ও অসচেতনতার কারণে আজ এদের অস্তিত্ব মারাত্মক সংকটে পড়েছে।

শকুনের বিলুপ্তির অন্যতম কারণ ছিল গবাদিপশু চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাক ওষুধের ব্যবহার। শকুন পুরোপুরি হারিয়ে গেলে এটি প্রমাণ করবে যে আমাদের খাদ্যশৃঙ্খলে বিষাক্ত রাসায়নিকের প্রভাব কতটা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শকুন মাত্র ২০-৩০ মিনিটে একটি বড় মৃতদেহ সম্পূর্ণ খেয়ে সাবাড় করতে পারে। এই প্রাকৃতিক চক্রটি বন্ধ হলে প্রকৃতি তার স্বাভাবিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষমতা হারাবে।

প্রকৃতির ঝাড়ুদার হিসেবে পরিচিত শকুন হারিয়ে গেলে আমাদের পরিবেশ এক মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শকুন মূলত মৃত পশুপাখি খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে এবং প্রাকৃতিকভাবে জীবাণু ধ্বংস করে। এদের পেটে থাকা শক্তিশালী এসিড অ্যানথ্রাক্স, জলাতঙ্ক বা ক্ষুরারোগের মতো মারাত্মক জীবাণু ধ্বংস করে দেয়। ফলে মহামারী ছড়াতে পারে না।

শকুন বিলুপ্ত হলে আমাদের পরিবেশে যেসব বড় ধরনের হুমকি তৈরি হবে। মৃত পশুপাখি মাটিতে পচে অ্যানথ্রাক্স, যক্ষ্মা, জলাতঙ্ক এবং কলেরার মতো মারাত্মক রোগ ছড়াবে। শকুনের পাকস্থলীতে থাকা বিশেষ এসিড এসব জীবাণু হজম করে ধ্বংস করে ফেলতে পারে, যা অন্য কোনো প্রাণী পারে না। শকুন না থাকলে মৃতদেহ খাওয়ার জন্য বন্য কুকুর, শিয়াল ও ইঁদুরের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাবে। ফলে মানুষের মাঝে জলাতঙ্ক রোগের সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়বে। মৃতদেহ পচে বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নদী, নালা এবং ভূগর্ভস্থ পানির উৎসগুলো মারাত্মকভাবে দূষিত করবে।

ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেন গবাদি পশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই ব্যথানাশক ওষুধগুলো শকুনের জন্য মারাত্মক বিষ। এই ওষুধ দেওয়া পশুর মাংস খেলে শকুনের কিডনি নষ্ট হয়ে যায় এবং তারা মারা যায়। বড় বড় শিমুল, বট বা রেইনট্রি গাছ কেটে ফেলার কারণে শকুনরা বাসা তৈরির জায়গা পাচ্ছে না। এখন মানুষ মৃত পশু খোলা মাঠে না ফেলে মাটিতে পুঁতে ফেলে। এতে শকুনের তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দেয়।

বাংলাদেশ সরকার শকুনের জন্য ক্ষতিকর ডাইক্লোফেনাক এবং কিটোপ্রোফেন ওষুধের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। শকুনের প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য সিলেট ও সুন্দরবন অঞ্চলকে শকুন নিরাপদ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। শকুনের খাদ্য সংকট দূর করতে আইইউসিএন ও বন বিভাগ নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপদ খাবার সরবরাহ করে।

শকুনের মতো একটি উপকারী পাখি হারিয়ে গেলে আমাদের পরিবেশ বড় ধরণের হুমকিতে পড়বে। তাই প্রকৃতিকে সুস্থ রাখতে শকুন বাঁচিয়ে রাখা জরুরি।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

বন্যপ্রাণী দিবস আজ: প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ
বন্যপ্রাণী দিবস আজ: প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার আহ্বান

জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আজ শুক্রবার পালিত হচ্ছে জাতীয় বন্যপ্রাণী দিবস। বন্যপ্রাণী ও বিপন্ন প্রজাতির সুরক্ষা, তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং মানুষের মধ্যে প্রাণবৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই এ দিবসের মূল লক্ষ্য।

বন্যপ্রাণী দিবসটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি সচেতনতামূলক দিবস। প্রাণী আচরণবিদ ও লেখক কলিন পেইজের উদ্যোগে ২০০৫ সালে দিবসটি চালুর তথ্য বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া যায়। পরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মী ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব স্টিভ আরউইনের স্মৃতির সঙ্গেও ৪ সেপ্টেম্বরের দিবসটির যোগসূত্র তৈরি হয়েছে।

তবে দিবসটির প্রতিষ্ঠার বছর ও স্টিভ আরউইনের সঙ্গে সম্পর্কের সময়কাল নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে কিছু পার্থক্য রয়েছে। বন্যপ্রাণী শুধু বন-জঙ্গলের প্রাণীদের নাম নয়; একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি জীব, উদ্ভিদ ও তাদের আবাসস্থল এর সঙ্গে যুক্ত।

বন উজাড়, আবাসস্থল ধ্বংস, অবৈধ শিকার ও বন্যপ্রাণীর বাণিজ্য, দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানুষের অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে বন্যপ্রাণীর অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হাতি, চিত্রা হরিণ, ডলফিন, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, সরীসৃপসহ অসংখ্য প্রাণী দেশের জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশিদের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা সীমিত করলো মালয়েশিয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিদের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা সীমিত করলো মালয়েশিয়া

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার ৩১টি দেশের নাগরিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বা এমইভি সুবিধা সীমিত করেছে মালয়েশিয়া। নতুন ব্যবস্থায় এসব দেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণত সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা প্রযোজ্য হবে জানিয়েছে ভিসা সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ভিসা আপডেট।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে সব দেশের নাগরিকদের জন্য ঢালাওভাবে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হবে না। ফলে বাংলাদেশ থেকে ভিজিট ভিসায় মালয়েশিয়ায় যাওয়ার ক্ষেত্রে এক বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পাওয়ার সুযোগ কমে যাবে।

যেসব দেশের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার পরিবর্তে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা প্রযোজ্য হবে, সেই তালিকাও প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। এর মধ্যে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার মোট ৩১টি দেশ রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু ভ্রমণ উদ্দেশ্যে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবসা, চিকিৎসা, ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ এবং ওয়েডিং ট্যুরিজম।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই নীতির কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই পরিবর্তন ভিজিট ভিসা বা সামাজিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি বা অন্যান্য বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট কিংবা কর্মসংক্রান্ত ভিসার সঙ্গে নতুন এই নীতির সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে দশ জেলায় ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে দশ জেলায় ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ন্যূনতম পাঁচ বছর বা তার বেশি শাস্তিযোগ্য অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তিতে ঢাকাসহ দেশের ১০ জেলায় ২২টি মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে সরকার।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪৪ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

ঢাকা ও মহানগরে পাঁচ ট্রাইব্যুনাল

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় একটি এবং ঢাকা মহানগরে চারটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর-১-এর অধিক্ষেত্রে পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাসানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, হাতিরঝিল, শেরে বাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর-২-এর অধিক্ষেত্রে কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালি, বঙ্গাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকা রয়েছে। ঢাকা মহানগর-৩-এর অধিক্ষেত্রে মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী এবং ওয়ারী থানা এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর-৪-এর অধিক্ষেত্রে উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, উত্তরা পশ্চিমাঞ্চল, দক্ষিণ খান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে একাধিক ট্রাইব্যুনাল

নারায়ণগঞ্জে দুটি মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-১-এর অধিক্ষেত্রে ফতুল্লা, সোনারগাঁও ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এলাকা এবং নারায়ণগঞ্জ-২-এর অধিক্ষেত্রে সিদ্ধিরগঞ্জ, রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার ও বন্দর থানা এলাকা রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা এলাকার জন্য একটি ট্রাইব্যুনাল এবং চট্টগ্রাম মহানগরে তিনটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর-১-এর অধিক্ষেত্রে চাঁদগাঁও, খুলশী, পাঁচলাইশ, বায়েজিদ বোস্তামী ও কর্ণফুলী থানা এলাকা; মহানগর-২-এর অধিক্ষেত্রে কোতোয়ালি, আকবর শাহ, চকবাজার, সদরঘাট ও পতেঙ্গা থানা এলাকা এবং মহানগর-৩-এর অধিক্ষেত্রে বাকলিয়া, পাহাড়তলী, হালিশহর, ডবলমুরিং বন্দর ও ইপিজেড থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার ও কুমিল্লায় পাঁচ ট্রাইব্যুনাল

কক্সবাজারে তিনটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। কক্সবাজার-১-এর অধিক্ষেত্রে টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা এলাকা এবং কক্সবাজার-২-এর অধিক্ষেত্রে উখিয়া, সদর ও ঈদগাঁও থানা এলাকা রয়েছে। কক্সবাজার-৩-এর অধিক্ষেত্রে রামু, চকোরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

কুমিল্লায় দুটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। কুমিল্লা-১-এর অধিক্ষেত্রে কোতোয়ালি, সদর দক্ষিণ, হোমনা, তিতাস, মেঘনা, লালমাই, বরুড়া, চান্দিনা ও দেবিদ্বার থানা এলাকা এবং কুমিল্লা-২-এর অধিক্ষেত্রে বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, মুরাদনগর, বাঙ্গরা বাজার, দাউদকান্দি, চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট থানা এলাকা রাখা হয়েছে।

আরও ছয় জেলায় ট্রাইব্যুনাল

প্রজ্ঞাপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলা এলাকার জন্যও পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর এলাকার জন্য রয়েছে পৃথক একটি ট্রাইব্যুনাল। ফলে ঢাকার বাইরে জেলা ও মহানগর মিলিয়ে এসব এলাকাতেও মাদকসংক্রান্ত মামলার বিচার নির্ধারিত ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রে পরিচালিত হবে।

৬০ দিনের মধ্যে মামলা স্থানান্তর

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটি জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীন পাঁচ বছর বা ততোধিক শাস্তিযোগ্য অপরাধের চলমান মামলাগুলো বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালসমূহে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি মোতাবেক স্থানান্তর করা হবে। কোনও মামলা যে পর্যায়ে স্থানান্তরিত হবে, সেই পর্যায় থেকেই মামলাটির বিচারকার্য পরিচালিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ আলেকুর রহমান প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।