শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

তালার দুর্যোগপ্রবণ কলাগাছি গ্রামে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
তালার দুর্যোগপ্রবণ কলাগাছি গ্রামে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের দাবি

সংগৃহীত ছবি

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কলাগাছি, বিশ্বাসের চক ও কুলপোতা গ্রাম দুর্যোগের দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। চারপাশে বিল, খাল ও নদী থাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ঘুর্ণিঝড়ে সেখানকার বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই গ্রামগুলোর আশপাশে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাইক্লোন সেন্টার নির্মিত হলেও এসব গ্রামে কোনো সাইক্লোন সেন্টার তৈরি করা হয়নি। ফলে প্রায় ছয় হাজার বাসিন্দা ও তাঁদের সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কলাগাছি, বিশ্বাসের চক ও কুলপোতাÑএই তিন গ্রামের সিংহভাগ মানুষ দরিদ্র এবং বেড়িবাঁধ, বিল ও নদীর পাশে বাস করেন। কোনো দুর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় গবাদিপশু ও মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কলাগাছি গ্রামটি অধিক জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেখানে সাইক্লোন সেন্টার না বানিয়ে অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ ও মাত্র ৮৫ পরিবারের বাস থাকা দর মুড়াগাছা গ্রামে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসীর তথ্যমতে, দর মুড়াগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীসংখ্যা মাত্র ২৫।

 

সেখানে নিজস্ব পর্যাপ্ত জমিও নেই। ফলে সেখানে স্থাপনা নির্মিত হলে খেলার মাঠ ও সামাজিক পরিবেশ ব্যাহত হবে। অথচ কাছেই শালিখা ডিগ্রি কলেজে ইতিমধ্যে একটি সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে। অন্যদিকে কলাগাছি হাইস্কুলে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করা হলে সংলগ্ন তিন গ্রামের বিপুলসংখ্যক মানুষ একযোগে আশ্রয় নিতে পারবেন। তাই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে কলাগাছি হাইস্কুল চত্বরে কেন্দ্রটি নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

তালা উপজেলা প্রকৌশলী রথীন্দ্রনাথ হালদার বলেন, জার্মান সরকারের অর্থায়নে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে দর মুড়াগাছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ প্রক্রিয়া চলছে। কলাগাছি গ্রামটি দুর্যোগে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। ওই গ্রামে সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের আবেদন যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জমা দেওয়া হলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Ads small one

ভোমরা বন্দরে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৪,৫৩৭ টন কাঁচামরিচ আমদানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
ভোমরা বন্দরে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৪,৫৩৭ টন কাঁচামরিচ আমদানি

এম শফিকুল ইসলাম: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪ হাজার ৫৩৭ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ভোমরা বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি করে আসছে। দেশের শীর্ষ ৬টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এ বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানিতে নিয়োজিত রয়েছে।

ভোমরা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মুশফিকুর রহমান জানান, দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিগত অর্থবছরের জুলাই থেকে আমদানিকারকদের অনুমতির ভিত্তিতে নিয়মিত কাঁচামরিচ আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। সরকার কাঁচামরিচ আমদানির ওপর অধিক শুল্কায়ন কমিয়ে ১৩ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করে দেওয়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচামরিচ আমদানি হচ্ছে। বাজারদর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে সরকার আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে বিপুল পরিমাণ কাঁচামরিচ সরবরাহ হওয়ায় সার্বিক বাজারদর স্বাভাবিক রয়েছে। তবে স্থানীয় বাজারে এর তেমন ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বাজারে এখনো প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দেশীয় বুলেট কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চাষি আকবর আলী জানান, ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে জমিতে পানি জমে রোপণ করা মরিচের গোড়া পচে নষ্ট হয়ে গেছে। প্রায় এক বিঘা জমিতে লাগানো মরিচের গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি। ফলে পরিবারের রান্নার চাহিদা মেটাতে বাজার থেকে বেশি দামে কাঁচামরিচ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।

এদিকে গোডাউনগুলোতে বাজারজাত করার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া মরিচ বাছাইয়ের কাজ চলছে পুরোদমে। স্থানীয় নারী ও পুরুষ শ্রমিকেরা দিন-রাত মরিচ বাছাইয়ের কাজ করছেন। এতে তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। উপযুক্ত মজুরি পেয়ে তাঁরা খুশি হলেও এই কাজের সুযোগ সাময়িক।

ঝাউডাঙ্গা বাজারে আলো জ্বালিয়ে প্রশংসিত যুবদল নেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গা বাজারে আলো জ্বালিয়ে প্রশংসিত যুবদল নেতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঝাউডাঙ্গা বাজারে নিজস্ব উদ্যোগে আলোর ব্যবস্থা করে প্রসংশিত হয়েছেন যুবদল নেতা আখতারুজ্জামান বাপ্পি। দীর্ঘদিন ধরে বাজারের ভেতরের প্রধান সড়ক ও মোড়গুলো অন্ধকারে থাকার কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন এই বাজারে হাজারো মানুষের আনাগোনা থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত লাইট না থাকায় সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যেত। এতে চোর-ছিনতাইকারীর উপদ্রব বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হতো। বিষয়টি নজরে আসার পর সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান বাপ্পি নিজ অর্থায়নে এবং কর্মী-সমর্থকদের সহযোগিতায় এলইডি লাইট স্থাপনের উদ্যোগ নেন। গত কয়েক দিনে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এসব লাইট বসানো হয়।

বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিনের দাবির পর যুবদল নেতার এই উদ্যোগে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা বেড়েছে এবং ব্যবসা পরিচালনা সহজ হয়েছে।

এ বিষয়ে আখতারুজ্জামান বাপ্পি বলেন, “জনগণের সেবক হওয়াটাই মূল লক্ষ্য। নেতার নির্দেশ অনুযায়ী সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ থেকেই এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আগামীতেও এলাকার যেকোনো সমস্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকব।”

আশাশুনি কুল্যা ইউনিয়ন জাসাসের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনি কুল্যা ইউনিয়ন জাসাসের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার ৩নং কুল্যা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাসাস আশাশুনি উপজেলা শাখার এক সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটিতে মো. হাবিবুল্লাহ ইসলামকে আহ্বায়ক এবং মো. সবুজ হোসেনকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম রানা, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সোহাগ হোসেন, মো. মোবারক হোসেন, মাছুম বিল্লাহ, আদনান হোসেন আবির, মো. সবুজ সরদার, মেহেদী হাসান, রানা আহম্মেদ ও সবুজ হোসেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জেকের আলী, রিপন হোসেন, আবু বক্কার, মুশফিকুর রহিম , মোহাসিন হোসেন, আলামিন মালী, আলীমদ্দীন সরদার, কাদের মামুন, রায়হান হোসেন, মুরাদ হোসেন, ইসলাম সরদার, সাগর হোসেন, আছাফুর হোসেন, আদম গাজী, শাহাদাত হোসেন, খায়রুল ইসলাম, শ্রী অমিতাপ বিশ্বাস, শুকান্ত মন্ডল, শামিম হোসেন, আবুল হোসেন এবং তারিকুল হোসেন।

আশাশুনি উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম বাচ্চু ও সদস্য সচিব শরিফ ইমরান টিটো স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সাথে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক জাসাস সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক শেখ জিল্লুর রহমান ও সদস্য সচিব ফারুক হোসেন এই কমিটির অনুমোদন নিশ্চিত করেছেন।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে কুল্যা ইউনিয়নে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক আন্দোলন আরও বেগবান ও সুসংগঠিত হবে।