রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪২, নিখোঁজ প্রায় ৫ হাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪২, নিখোঁজ প্রায় ৫ হাজার

নেপালের উত্তরাঞ্চলে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৩৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় এখনও ৪,৮৮৬ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ। নেপালভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট আটটি জেলা থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে চিতওয়ানে ৩৬০, পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে ২৩০, পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ২২২, নুয়াকোটে ১৯২, রাসুয়ায় ১৬০, গোরখায় ৭৩, ধাদিংয়ে ৬৭ এবং তানাহুন জেলায় ৩৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও অন্যান্য শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর এ পর্যন্ত ১,০৩০টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে। যার মধ্যে ২২২ জন নারী, ৩৫৫ জন পুরুষ এবং ৪৫৩টি এমন মরদেহ রয়েছে যাদের লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

নিহতদের পরিচয় শনাক্তে সহায়তার জন্য কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ২,২৭২টি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ১,২৬০টি নমুনা নিহতদের দেহ থেকে এবং ১,০১২টি নমুনা স্বজনদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া নিখোঁজদের স্বজনরা তাদের স্বজনদের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছেন কিনা তা জানতে ১,২৭০টি অজ্ঞাত মরদেহের বিস্তারিত তথ্য নেপাল পুলিশের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ বিতরণ, মরদেহ উদ্ধার এবং অন্যান্য জরুরি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৭,৯১২ জন পুলিশ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ।

সুড়ঙ্গে আর কোনও জীবিত ব্যক্তির সন্ধান মেলেনিসুড়ঙ্গে আর কোনও জীবিত ব্যক্তির সন্ধান মেলেনি
বর্তমানে বিভিন্ন জেলার হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে প্রায় ৩,২৪০ জন মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বন্যা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রেখেছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর বাধা অপসারণ এবং বন্যাকবলিত এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালানোর জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে।

Ads small one

সাতক্ষীরার আবাদেরহাটে জমি দখল-পাল্টা দখলের প্রতিযোগিতা, থানায় অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার আবাদেরহাটে জমি দখল-পাল্টা দখলের প্রতিযোগিতা, থানায় অভিযোগ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদরের আবাদেরহাট বাজারের পাশে ১৭ শতক জমি দখল ও পাল্টা দখল নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। রবিবার ভোর তিনটার দিকে সদ্য দখলে নেওয়া জমিতে নির্মাণাধীন বেড়া ও ঘর ভাংচুর করাসহ আমেনা খাতুন দম্পতিকে মারপিটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহ গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী আমেনা খাতুন জানান, তার বাবা আবাদেরহাটের ইসমাইল হোসেন পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৫৮ শতক জমি মা রউফুৃন্নেছার নামে লিখে দেন। বর্তমানে তার মা রউফুন্নেছার নামে হাল ৩৫ দাগে ১৭ শতক জমি রয়েছে। ওই জমি নামজারি করে নিয়মিত খাজনা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। ওই জমির বড় অংশ জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে শিয়ালডাঙা গ্রামের শওকত হোসেন, তার ভাই মাহাবুর রহমান পটল, শাজাহান আলী, কওছার আলী, মুজিবর রহমান, মাহাবুবর রহমানের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা তার মায়ের জমি জবরদখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছিলো।

 

একপর্যায়ে ফারাজি অংশে ঘর ও দোকান বানিয়ে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে ছিলেন। ২০১৩ সালের শেষের দিকে দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে শওকত হোসেন, মাহাবুবর রহমন, রাজিয়া সুলতানা দলীয় ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তার মা রউফুন্নেছাকে বাড়ি থেকে বের করে চুল দিয়ে গাছের ডালে বেঁধে নির্যাতন করে দোকান ও বাড়ি ভাংচুর করে জমি দখলে নেন। এ ঘটনায় তিনি মামলা করতে সাহস পাননি।

আমেনা খাতুন আরো জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর তিনি তার তিনটি দোকানঘরসহ জমি দখলে নেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কয়েকবার শালিসি সভা বসে। মাহাবুবর রহমান ও তার ভাইয়েরা কাগজপত্র দেখানোর জন্য সময় নিয়ে আর আসেন না।

 

সর্বশেষ তারা(আমেনা) ওই জমি মাপ জরিপ করে মাহাবুবর রহমান ও তার শরীকদের চলাচলের জন্য রাস্তা ছেড়ে দিয়ে জমিতে সিমেন্টের পিলার দিয়ে বেড়া দেন। গত ২ সেপ্টেম্বর ওই ঘেরা ও বেড়া ভেঙে দেয় মাহাবুবর রহমান ও তার লোকজন। পরবর্তীতে শনিবার তারা আবারো ঘেরা-বেড়া দিয়ে টিনের চাল নির্মাণ করে বসবাস করা শুরু করলে রবিবার ভোর তিনটার দিকে মাহাবুবর ও তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা ওই ঘর ও বেড়া ভেঙে দেন। ভাংচুর ও লুটপাট করা হয় তাদের দোকান। লুটপাট করা হয় দোকানের মালামাল। ভাংচুর ও লুটপাটে বাধা দেওয়ায় তাকে (আমেনা) ও স্বামী আব্দুল হামিদকে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে মুজিবর রহমান জানান, বিহারীপুর মৌজায় ইসমাইল হোসেন ও তার ভাই ইসহাক যাদের কাছে জমি বিক্রি করেছেন তাদের কাছ থেকে ২০০৯ সালে তিনটি দলিল মূলে এবং ২০১৪ সালে ও ২০২০ সালে দুটি দলিল মূলে তারা হাল ৩৫. ৩৬ ও ৩০৫ দাগে প্রায় ৫৮ শতক জমি কিনেছেন। বর্তমানে রউফউন্নেছার নামে ১৭ শতক জমি বর্তমান মাপে রেকর্ড হলেও তিনি তার বড় জামাতা মনিরুলের সঙ্গে তালাক হওয়া বড় মেয়ের নতুন করে বিয়ে দিতে কাছে সোয়া আট শতক জমি দিয়েছেন।

 

পরবর্তীতে ওই জমি ফেরৎ নিতে আদালতে মামলা করলে রায় রউফউন্নেছার বিপক্ষে যায়। বর্তমানে রফিউন্নেছার পৌনে চার শতক জমি থাকলেও তিনি একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের ব্যবহার করে রেকর্ড অনুযায়ি ১৭ শতক জমি জবরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তারা(মুজিবর) জবরদখলকে প্রতিহত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তারা রেকর্ড সংশোধনের জন্য দেওয়ানী মামলা করেছেন আদালতে।

তবে মুজিবর রহমানের কাছে শনিবার বিকেলে তাদের জমির সমর্থনে দলিল ও নামজারি সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চাইলে রবিবার দেখাবার কথা বলে চলে যান। পরে তারা আর যোগাযোগ করেননি।

সরেজমিনে শনিবার ও রবিবার সকালে আবাদেরহাট এলাকায় যেয়ে দেখা গেছে দখল ও পাল্টা দখলকে ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদুর রহমান জানান, রবিবার ভোরে বাড়ি, বেড়া ও দোকানঘর ভাংচুরের অভিযোগে বাঁশদহা গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী আমেনা খাতুন বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেবহাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
দেবহাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযান

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার দেবহাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর থেকে এ প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করা হয়। দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে এবং সুশীলন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে. বাপ্পা, সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম. রেজাউল করিম, ইউপি সদস্য আজগার আলী, ইউপি সদস্যা রেহেনা পারভিন, সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মিজানুর রহমান, গ্রাম কমিটির সভাপতি ফিরোজ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পরে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ, টাউনশ্রীপুর বাজারসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় আয়োজকরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাজার ও জনসমাগমস্থলে ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং নিজ নিজ এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

মো. জাবের হোসেন: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রাচীর নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক পরিবেশ উন্নয়নের কথা বলে এই প্রকল্পে ২৪ লক্ষাধিক টাকার প্রাক্কলন তৈরি করা হলেও কাজের মান ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ লাখ ৭০ হাজার ৮৯৬ টাকা।

প্রদত্ত তথ্যাবলী ও প্রকল্পের বিবরণ থেকে জানা যায়, নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ দিন ধরে পর্যাপ্ত সীমানা প্রাচীর না থাকায় অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। অফিসটির চারপাশ উন্মুক্ত থাকায় নানা ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি লেগেই থাকে। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সুষ্ঠু পরিবেশে সেবা প্রদান করতে পারেন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন কাজ করছেন। স্থানীয় প্রভাষক মেজর মো. এছাহক আলী জানান, নগরঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীরের যে কাজ ঠিকাদার করছেন, তাতে ব্যাপক অনিয়ম চলছে। শুক্রবারে তারা এক দফায় অনিয়মের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ঢালাইয়ে যে বালু ব্যবহার করা হচ্ছে সেটি একেবারে নিম্নমানের। প্রাচীরের পাকা কলাম বা পিলার ঢালাই দেওয়ার পরপরই ১২ ঘণ্টার মধ্যে কাঠের ফ্রেম বা বক্স খুলে ফেলা হচ্ছে, তাতে আবার পানি ধরে রাখার জন্য কোনো পাটের বস্তাও ব্যবহার করা হচ্ছে না। এছাড়া অনেক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, তারা গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করেন, যাতে সাধারণ মানুষ তা দেখতে না পায়।

এদিকে এসব প্রশ্নের জবাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাব-কন্টাক্টর মাসুম বিল্লাহ বলেন, “আমার এখানে কোনো স্বার্থ নেই। ঠিকাদার মনিরুল সাহেব যেভাবে কাজ করতে বলছেন, আমি সেভাবে কাজ করছি।” কেন তারা একদিনে সব কলাম ঢালাই দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং কেন ছালার চট দেওয়া হচ্ছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা ঢালাই মেশিনটা ভাড়া করে এনেছি বলে একদিনে ঢালাই করার চেষ্টা করছিলাম। আর ছালার চট ঠিকাদার দিতে দিচ্ছেন না।”
অন্যদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের কাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা মো. এজাজ রহমান বলেন, আর কোন অনিয়ম হবে না।

সাংবাদিক দেখে তারা প্রাচীর ঢালাই পাঁকা পিলারে চটের বস্তা দেয়া কাজ শুরু করেন শনিবার সকালে। যদিও তার কয়েকদিন আগে পিলারগুলো ঢালাই দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, তালা সহকারী কমিশনার (ভূমি), তালা উপজেলা প্রকৌশলী অফিসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট স্থানীয় সচেতন মহল সঠিকভাবে যাতে কাজটি হয় সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।