শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পবিত্র মদিনায় মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্রে ড্রোন হামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
পবিত্র মদিনায় মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সৌদি আরবের মদিনা শহরের একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে চলতি সপ্তাহের ড্রোন হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ করা হয়। তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ খবর জানিয়েছে।

জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ১১ মিনিটে (০২১১ জিএমটি) তাইবাহ বিদ্যুৎ বিতরণ স্টেশনটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

অপারেশনাল পর্যালোচনা এবং ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে এই পরিকল্পনা ও হামলার পেছনে হুথিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে আল-মালিকি একে একটি ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে আখ্যায়িত করেন।

তিনি জানান, হামলায় একটি ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ গ্রিডে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। এই সুবিধাটি মদিনার মসজিদে নববিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।

আল-মালিকি হুথিদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা এবং পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীকে লক্ষ্য করে মুসলমানদের উসকানি দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, হুথিদের আক্রমণ প্রতিহত করতে এবং দুই পবিত্র মসজিদ ও মক্কা-মদিনার আগত দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় জোট তাদের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে।

এদিকে এই হামলায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে হুথিরা। হুথি নিয়ন্ত্রিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সামরিক সূত্র সাবা নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, মদিনার একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ওই গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে বলে সৌদি আরবের করা অভিযোগটি ‘ভিত্তিহীন’।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণে হুথিদের একটি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করার দাবি করেছিল সৌদি আরব, যা নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই প্রতিহত করা হয়। তবে এই অভিযোগও অস্বীকার করেছিল গোষ্ঠীটি। যদিও এর আগে সৌদি আরামকো ফ্যাসিলিটি ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক কিছু হামলার দায় স্বীকার করেছে এই হুথি বিদ্রোহীরা।

Ads small one

পাইকগাছায় নেশার টাকা না পেয়ে ইটের আঘাতে পিতার মাথা ফাঁটালো ছেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় নেশার টাকা না পেয়ে ইটের আঘাতে পিতার মাথা ফাঁটালো ছেলে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় নেশার টাকা না পেয়ে ইটের আঘাতে পিতার মাথা ফাঁটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন নেশাগ্রস্থ এক ছেলে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা রক্তাক্ত পিতা শহীদ গাইন (৫৫) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

 

এ ঘটনায় আহত পিতা থানায় অভিযোগ করলে দুপুরে এসআই পিংকু ও একরামুল হক অভিযান চালিয়ে মাদকাসক্ত পুত্র আমিন গাইন (২৩) আটক করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছেন। ভুক্তভোগী দম্পতির আক্ষেপ নেশার টাকা না দিলে অত্যাচার করে এমনকি গলায় রঁঁশি দিয়ে নেশাগ্রস্থ ছেলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, মা-বাবার অভিযোগ প্রেক্ষিত বাড়িতে মাদকসহ নেশাগ্রস্থ ছেলেক আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আশাশুনিতে মহিলা দলের কর্মী সম্মেলনে সংগঠনকে তৃণমূলে শক্তিশালী করার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মহিলা দলের কর্মী সম্মেলনে সংগঠনকে তৃণমূলে শক্তিশালী করার আহ্বান

oplus_2

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় আশাশুনি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আয়োজনে এ কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন। উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ জাহান শিলা ও সাংগঠনিক সম্পাদক সালেকা হক কেয়া।

প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আশাশুনি উপজেলা শাখার সহ-সভানেত্রী মোছাঃ জাহানারা বেগম। বিশেষ বক্তা ছিলেন উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নাহারা রিনা।
উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী কামরুন্নাহার (কচি) এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তাছলিমা পারভীন আইরিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আবু জাহিদ সোহাগ।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ে নারী কর্মীদের আরও সক্রিয় করা, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মী সম্মেলন শেষে পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সাতক্ষীরা আদালত এলাকায় যুব নেতা পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আতঙ্কিত বিচারপ্রার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা আদালত এলাকায় যুব নেতা পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আতঙ্কিত বিচারপ্রার্থীরা

ফাইল ফটো

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা আদালত প্রাঙ্গন এখন বিচারপ্রার্থীদের জন্য আতঙ্কের এলাকা হিসেবে পরিণত হয়েছে। মামলার ধার্য্য দিনে আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়া অনেক বিচারপ্রার্থী বিশেষ করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা এ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন।

 

সাতক্ষীরা আদালতের একাধিক দায়িত্বশীল আইনজীবী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সম্প্রতি তাদের কয়েকজন মোয়াক্কেল মহামান্য হাইকোর্ট থেকে অন্তবর্তীকালিন জামিন নিয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদলতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। জামিন আবেদন না’মঞ্জুর হওয়ায় তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পান। ২০ সেপ্টেম্বর (মামলা নং-জিআর-১৬২/২৪ আশা:)) তারা আদালতে হাজিরা দিতে এলে আদালত চত্ত্বর থেকে কৌশলে তাদেরকে ডেকে নিয়ে আদালতের বাইরে মেইন রোড সংলগ্ন একটি বেকারী এ- কনফেকশনারীতে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

যুব সংগঠনের নেতা পরিচয়ে সেখান থেকে তাদেরকে গাড়িতে তুলে নিয়ে অন্যত্র আটক রাখা হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন ধরিয়ে দিয়ে গুমের ভয় দেখিয়ে দুই দিন পর চাঁদা হিসেবে এক জনের (জনপ্রতিনিধি) কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা আদায় করা হয়। অপর একজনের কাছ থেকে (উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা) এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা আদায় করে আড়াই দিন পর ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর একজনের (শ্রমিক লীগ নেতা) কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করে দুই দিন পর আশাশুনির সোহাগ নামে এক যুব সংগঠনের নেতা তাকে সাতক্ষীরা থেকে মুক্ত করে নিয়ে যান।তাদেরকে আবারো আটকানো হতে পারে এমন আশঙ্কায় পরবর্তীতে ওই ক্ষতিগ্রস্তরা আদালতে না এসে আইনজীবীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন দেন।

 

দেড় মাস আগে আদালতের ভিতরকার পার্কের দক্ষিণ পাশ থেকে এক বিচারপ্রার্থীকে (কালিগঞ্জ) তুলে নিয়ে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় হাত ও পা ভেঙে দেওয়া হয়।

 

আদালতে হাজিরা দিতে এসে আবারো নির্যাতন বা অপহরণের শিকার হতে পারেন এমন আশঙ্কায় ওইসব নির্যাতিত বা তাদের পক্ষের আইনজীবীরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম প্রকাশ করতে চান না। এ অবস্থা শুধু আশাশুনি বা কালিগঞ্জের বিচারপ্রার্থীদের নয়। জেলার অধিকাংশ উপজেলার বেশ কয়েকজন বিচার প্রার্থীর। যে চক্রটি এ অপহরণ ও মুক্তিপণের সঙ্গে জড়িত তাদেও অনেককেই বিভিন্ন সময়ে আদালত চত্ত্বরে ঘুরতে দেখা যায়।

 

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদি আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. আকবর আলী শনিবার সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি শুনে তিনি উদ্বিগ্ন। রবিবার আদালতে যেয়ে তিনি এ নিয়ে খোঁজখবর নিয়ে সহকর্মীদের সাথে আলোচনায় বসবেন।

 

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। অপহরণের স্বীকার হওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহীদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, এ ধরণের ঘটনা নিয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি জানার পর অবশ্যই খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।