মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

সাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠনের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক শাহীন গোলদারের মায়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠনের শোক

পত্রদূত ডেস্ক: এসএ টেলিভিশনের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি শাহীন গোলদারের মা নুরজাহান বেগম (৮০) ইন্তেকাল করেছেন। রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরাম: এক শোকবার্তায় সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আমিনুর হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ নুরজাহান বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তারা মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। শোক প্রকাশকারী নেতৃবৃন্দ হলেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন আব্বাস, যুগ্ম-সম্পাদক শেখ বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দীন, অর্থ সম্পাদক মোতাহার নেওয়াজ মিনাল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহফিজুল ইসলাম আক্কাজ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আনিছুর রহমান তাজু, আরীফ মাহমুদ, মো. আব্দুল মতিন, মো. জিয়াউর রহমান জিয়া ও এএইচএম তুমু।

সাতক্ষীরা সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা: শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা আলহাজ্ব ডাক্তার আবুল কালাম বাবলা, আবুল কালাম আজাদ, এডভোকেট এবি এম সেলিম, সভাপতি মো. আবু সাঈদ, সিনিয়র সহসভাপতি ডিএম কামরুল ইসলাম, সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক একরামুল কবির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান বাপ্পি, সহসাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আজহারুল ইসলাম সাদি, অর্থ সম্পাদক ডাক্তার মাসুদ রানা, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, তথ্য ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হোসেন, সিনিয়র সদস্য মীর আবু বকর, নাজমুল আলম মুন্না, তুহিন হোসেন, শেখ জাকির হোসেন, হোসেন আলী, এডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন, আলী মুক্তাদা হৃদয়, শিক্ষক মোর্তজা আলম, নাসির উদ্দিন, মুজাহিদুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, সদস্য ফিরোজ হোসেন, শেখ কামরুল ইসলাম, নাজমুস শাহাদাত জাকির, মোঃ কামরুল ইসলাম, শাহজাহান আলী, দেলোয়ার হোসেন, মাসুদ আলী মনি, জিএম আবু জাফর, আলমগীর হায়দার, রবিউল ইসলাম, আলী হোসেন, ডি এম আশিক, গাজী হাবিব, ডাক্তার ইকরামুল কবির, হাসানুর রহমান, মেহেদী হাসান শিমুল, ডাক্তার মাসুম বিল্লাহ, শেখ আল আমিন, ইদ্রিস আলী, মোকারাম বিল্লাহ ইমন, মন্টিয়ার হোসেন মন্টি প্রমূখ।

তালা প্রেসক্লাব: বিবৃতিদাতারা হলেন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক এস.এম নজরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এস.এম জাহাঙ্গীর হাসান, সাধারণ সম্পাদক শেখ জলিল আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এম. এ মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক খাঁন নাজমুল হুসাইন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম হাসান আলী বাচ্চু,দপ্তর সম্পাদক বি. এম বাবলুর রহমান, প্রচার সম্পাদক এস. এম জহর হাসান সাগর, কার্যনির্বাহী কমিটির সি. সদস্য এস. এম লিয়াকত হোসেন, শেখ আব্দুস সালাম, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোটার সাতক্ষীরা এস. এম আকরামুল ইসলাম, মো. বাহারুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এড: কবির আহমেদ, মো. সোহাগ হোসেন মোড়ল, শেখ ফয়সাল হোসেন, পার্থ প্রতিম মন্ডল, সাধারণ পরিষদ সদস্য মো. লিটন হুসাইন, মো. হাফিজুর রহমান, কাজী এনামুল হক বিপ্লব, খাঁন আল-মাহবুব হুসাইন, কাজী জীবন বারী, মো: সাগর মোড়ল, মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু প্রমুখ।

Ads small one

শ্যামনগরে ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমায় দক্ষযজ্ঞ ও শিবের তান্ডবনৃত্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমায় দক্ষযজ্ঞ ও শিবের তান্ডবনৃত্য

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে শ্যামনগরে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। উপজেলার দক্ষিণ বড়কুপট নদীরপাড় পূজাম-পে এবার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে পৌরাণিক দৃশ্যপটÑদক্ষযজ্ঞে সতীর দেহত্যাগ এবং সতীর বিয়োগে ভগবান শিবের তা-বনৃত্য।

মাটি ও ফাইবার দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ২৫ ফুট উচ্চতার বিশাল প্রতিমা। আয়োজকদের দাবি, এটি খুলনা বিভাগের সবচেয়ে উঁচু প্রতিমা। ব্যতিক্রমী নান্দনিকতা ও পৌরাণিক কাহিনির উপস্থাপনার কারণে পূজার আগেই ম-পটিকে ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আবেগকে শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। প্রতিমার মাধ্যমে দক্ষযজ্ঞের ঘটনাপ্রবাহ, সতীর আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী সময়ে শিবের শোক, ক্রোধ ও তা-বের দৃশ্য তুলে ধরা হচ্ছে। বিশাল প্রতিমার পাশাপাশি ম-পসজ্জাতেও থাকছে ভিন্নধর্মী আয়োজন।

দক্ষিণ বড়কুপট নদীরপাড় পূজাম-প পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিবুপদ জানান, প্রতিবছরই এই ম-পে প্রচুর ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়। এবার ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমা ও পৌরাণিক দৃশ্যপট উৎসবের আকর্ষণ বহু গুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। পূজার দিনগুলোতে দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আনন্দ বজায় রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দীর্ঘ ৯ বছর পর আবাদের হাট বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি গফফার ও সম্পাদক রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ ৯ বছর পর আবাদের হাট বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি গফফার ও সম্পাদক রেজাউল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর সাতক্ষীরার আবাদের হাট বাজার কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে মোট ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে দুটি প্যানেলে ৩৪ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ৬ জন প্রার্থী অংশ নেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল দুটি ছিলÑআব্দুল গফফার ও এস এম আজিমুল্লাহ (ময়না) প্যানেল এবং মো. আকরাম ও মো. আব্দুল মজিদ প্যানেল। নির্বাচনে ৬০২ জন ভোটারের মধ্যে ৫৫৬ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, সভাপতি পদে আব্দুল গফফার-আজিমুল্লাহ প্যানেল ১০টি, আকরাম-মজিদ প্যানেল ৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২টি পদে জয়লাভ করেছেন।

কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আব্দুল গফফার (বাস প্রতীক) ৩৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকরাম হোসেন (মোটরসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ১৯৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল ইসলাম (ডালিম প্রতীক) ২৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন; তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহিনুর রহমান (বই প্রতীক) পেয়েছেন ৯৬ ভোট।

সহসভাপতি পদে মো. শফিকুল ইসলাম (কলম প্রতীক, ২৬১ ভোট) ও মো. শামসুর রহমান (হরিণ প্রতীক, ২২৪ ভোট) বিজয়ী হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মাসুম বিল্লাহ (উড়োজাহাজ প্রতীক, ৩৪৩ ভোট) ও জালাল উদ্দিন (টেবিল ফ্যান প্রতীক, ২৭৮ ভোট) জয় পেয়েছেন।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেনÑসাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন (হাতি, ২৮০ ভোট), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ হোসেন (চেয়ার, ৪৫৬ ভোট), কোষাধ্যক্ষ আমিনুল এহসান ( ব্যাট, ২৭৫ ভোট), দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম (মোরগ, ৩৫১ ভোট), প্রচার সম্পাদক আব্দুস সামাদ মিন্টু (মাইক, ৩১২ ভোট), ধর্মবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান (ঘুড়ি, ৩৪৭ ভোট) এবং ক্রীড়া সম্পাদক মামুনুর রহমান (আনারস, ৩২২ ভোট)।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেনÑআমিরুল ইসলাম (কেটলি, ৩৫৪ ভোট), সালাউদ্দিন (হাঁস, ২৮৩ ভোট), শাহাজান আলী (বাইসাইকেল, ২৬১ ভোট) ও মনিরুল ইসলাম (টেবিল, ২৫৯ ভোট)।

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ১১ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক ও ৫ নম্বর শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ এবং সদস্যসচিব ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম ভোটিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব আবুল কালাম জানান, কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রার্থীরা নিজ নিজ সমর্থনের ভিত্তিতে জয়ী হয়েছেন।

সাতক্ষীরায় শিশু অধিকার দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশু অধিকার দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘শিশুর অধিকার হোক সুরক্ষার অঙ্গীকার’Ñএই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে শিশুদের অধিকার সুরক্ষা, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঠুন চক্রবর্তী, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল।

জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা মো. রিয়াজুর ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের অধিকার নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি শিশুর কথা শোনা ও বোঝার চেষ্টা করা সবার দায়িত্ব। পড়াশোনার পাশাপাশি সংগীত, কবিতা, গল্প, চিত্রশিল্প, নৃত্য ও সাহিত্যচর্চার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শিশুদের প্রতিভাকে বিকশিত করে যাচ্ছে। এই বিশ্বাসকে ধারণ করে শিশুদের জন্য গৃহীত উদ্যোগগুলোকে আরও সময়োপযোগী করতে হবে।

তিনি আরও জানান, শিশু একাডেমি শিশুদের মেধা, মনন, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে দেশজুড়ে চিত্রাঙ্কন, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, নাটক, খেলাধুলা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মতো নানা সৃজনশীল কোর্স পরিচালনা করে আসছে। এসব প্রশিক্ষণ শাখার মাধ্যমে সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এ ছাড়া একাডেমির প্রকাশনা শাখা থেকে নিয়মিত শিশুতোষ ও সৃজনশীল বই প্রকাশ করা হচ্ছে। দেশের প্রতিটি শিশুর হাসি যেন উন্নয়নের সবচেয়ে সুন্দর সূচক হয় এবং শিশুর নিরাপত্তা যেন রাষ্ট্রের সবচেয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি হয়Ñসেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

আলোচনা সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, শিশুদের সঠিক বিকাশের ওপরই একটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা নির্ভর করে। তাই প্রতিটি শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, বিনোদন ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নির্যাতন, সহিংসতা, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও বৈষম্য প্রতিরোধে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।