সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার নিশ্চিত হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা পরিহার নিশ্চিত হোক

উপকূলীয় লোনাঞ্চলের লাখো মানুষের দীর্ঘদিনে লালিত একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। বেতগ্রাম থেকে তালা-পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কটির উন্নয়ন ও বাঁক সরলীকরণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। ৫৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্প পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে খুলনা ও সাতক্ষীরার চার উপজেলার সড়ক যোগাযোগে এক নতুন দিগন্ত সূচিত হবে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, বিশাল বিশাল গর্ত আর ধূলিবালির নরকযন্ত্রণা সহ্য করা পথচারী ও এলাকাবাসীর জন্য এটি নিঃসন্দেহে স্বস্তির বার্তা।

প্রকল্পের সুফল নিয়ে কোনো দ্বিধা না থাকলেও এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া যেসব অভিজ্ঞতা ও প্রশ্ন রেখে যাচ্ছে, তা এড়ানো অসম্ভব। ২০২০ সালে ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালে এসে পৌঁছানো এবং ব্যয় প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা বেড়ে ৫৩৫ কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকার বিষয়টি আমাদের পরিকাঠামো খাতের এক পুরনো ও পরিচিত ব্যাধির কথাই স্মর করিয়ে দেয়Ñপ্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও সময়মতো জমি অধিগ্রহণে ব্যর্থতা।

সড়ক ও জনপথ দপ্তর (সওজ) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভাষ্যমতে, ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করার ক্ষেত্রে ১১.২৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং জেলা প্রশাসন ও ভূমি মালিকদের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণেই এই বিলম্ব। প্রয়োজনীয় অর্থ বা চেক প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও ভূমি মালিকরা সঠিক সময়ে ক্ষতিপূরণের টাকা না পাওয়ায় আন্দোলন-বিক্ষোভের মুখে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের মতো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকল্পের শুরুতেই সঠিকভাবে নিবৃতি ও সমন্বয় করা গেলে আজ চার বছরের বাড়তি বিলম্ব এবং জনগণের দীর্ঘ ভোগান্তি এড়ানো যেত।

যেকোনো অবকাঠামোগত প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ। এই অঞ্চলের মানুষের কৃষিজাত পণ্য সরবরাহ, জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ এবং দৈনিক যাতায়াত সহজ করতে সড়কটির অবদান হবে অনস্বীকার্য। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং কপিলমুনি ও গোলাবাটি মোড়সহ শেষদিকের বাকি কাজটি চলতি মাসের মধ্যেই শেষ করে বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

আমরা আশা করব, সওজ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট এই স্বল্প সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে সড়কটির অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করবে। একই সাথে, জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত যেসব জটিলতা এখনো বিক্ষিপ্তভাবে রয়ে গেছে, স্থানীয় জেলা প্রশাসন তা দ্রুত ও সঠিকভাবে নিষ্পত্তি করবে। উন্নয়নের মিষ্টি ফলের পাশাপাশি যেন সময় ও অর্থের অপচয়ের তেঁতো অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রকল্পে পুনরায় দেখতে না হয়Ñসে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীতিগত শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

Ads small one

‘স্বাস্থ্যসেবায় যতেœর ছোঁয়া’: সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে সার্ভিস উন্নয়ন সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ
‘স্বাস্থ্যসেবায় যতেœর ছোঁয়া’: সাতক্ষীরা ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে সার্ভিস উন্নয়ন সভা

সংবাদদাতা: ‘স্বাস্থ্যসেবায় যতেœর ছোঁয়া’ স্লোগান এবং ‘সম্মান, শৃঙ্খলা, সহযোগিতা ও প্রো-অ্যাক্টিভনেস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডে মাসিক সার্ভিস উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হাসপাতালের কনসালটেশন সেন্টারে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হাসপাতাল ইনচার্জ মুহা. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, পুষ্টি ও ডায়েট বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদ তাছনীম জান্নাত প্রার্থী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনজুরুল ইসলাম খান, সিনিয়র অফিসার ও হিসাব কর্মকর্তা শেখ শরিফুল আউয়াল, আরএমও ডা. আসলাম হোসেন এবং বিভিন্ন বিভাগের ইনচার্জসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পাটকেলঘাটায় এসিল্যান্ড অফিসের সামনে সংস্কারের নামে নতুন দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩১ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এসিল্যান্ড অফিসের সামনে সংস্কারের নামে নতুন দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: তালা উপজেলার পাটকেলঘাটায় শতবর্ষী ভাসমান বাজারের (টি-বাজার) বন্দোবস্তের নামে সংস্কারের আড়ালে নতুন পাকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে তালা উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) না থাকায় সার্ভেয়ার মিরাজ ও নাজির নুরুল আমিনের সহযোগিতায় এই নির্মাণকাজ চলছে। অভিযোগ রয়েছে, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে এসব দোকানঘর তোলার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। কাপড়পট্টি ও গোবশতলায় এ ধরনের কাজ চললেও সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করা হয়।
বন্দোবস্তের বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি জায়গায় স্থায়ী বা পাকা দোকানঘর নির্মাণের কোনো বিধান নেই। এ বিষয়ে সার্ভেয়ার মিরাজের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বন্দোবস্তের কাগজপত্রে ছাদ পাকা না করার শর্ত রয়েছে, তবে ভাসমান বাজারের বিষয়টি তার জানা নেই। নাজির নুরুল আমিন জানান, সংস্কারের অনুমতি নিয়েই কাজ করতে হয়।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা জানান, সরকারি জায়গায় কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা বা পাকা দোকানপাট নির্মাণের সুযোগ নেই এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাঁশদহা ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড দায়িত্বশীলদের নিয়ে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
বাঁশদহা ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড দায়িত্বশীলদের নিয়ে আলোচনা সভা

0-0x0-0-0#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন শাখা ও ওয়ার্ডের সভাপতি-সেক্রেটারিদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বাঁশদহা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে রেউই বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন আমির মাওলানা এ টি এম নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন সেক্রেটারি ডা. ওসমান গনির সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শহিদ হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শহিদ হাসান আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনী গণজোয়ার সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা রমজান আলী। এ ছাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের বিভিন্ন শাখার সভাপতি-সেক্রেটারি ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।