সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য, হুমকিতে পরিবেশ ও সুন্দরবন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য, হুমকিতে পরিবেশ ও সুন্দরবন

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন বাজার ও জনবসতি এলাকার নদীতে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাবারের প্যাকেটসহ নানা ধরনের অপচনশীল বর্জ্য। এতে নদীর পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি জলজ প্রাণী, মাছ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর বাড়ছে ক্ষতিকর প্রভাব।

 

দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বর্জ্য জমতে থাকায় উপকূলীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন বাজার ও নদীতীরবর্তী এলাকায় জনসচেতনতার অভাব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা এবং অসতর্কভাবে ময়লা ফেলার কারণে নদী দূষণের ঝুঁকি বাড়ছে। বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যবহৃত প্লাস্টিকসামগ্রী অনেক সময় নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে নদী, খাল কিংবা নদীর তীরে ফেলা হয়। জোয়ার-ভাটার পানিতে এসব বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে নদী ও সুন্দরবনের গভীরে।

 

পরিবেশের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। অধিকাংশ প্রচলিত প্লাস্টিক সহজে পচে মাটির সঙ্গে মিশে যায় না। সময়ের সঙ্গে এগুলো ভেঙে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণায় পরিণত হতে পারে, যা মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর দেহে প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি করে। এ ছাড়া নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়া, পানির গুণগত মান কমে যাওয়া এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়ে।

 

সুন্দরবন সংলগ্ন নদী ও প্লাস্টিক জাতীয বর্জ্য ফেলে যে ক্ষতি করছেন এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের সরকারি বন সংরক্ষক, শাহিনুর ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ গাছপালা কার্বন ধারণ করে এবং উপকূলকে ঢেউ ও ঝড়ের প্রভাব থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করে। তাই এই বন ও এর সঙ্গে সংযুক্ত নদী-খালের পরিবেশ রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

 

প্লাস্টিক বর্জ্য নদীতে ফেলা জলবায়ু পরিবর্তনের একমাত্র বা প্রধান কারণ নয়। তবে প্লাস্টিকের উৎপাদন, ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পর্যায়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হতে পারে। অন্যদিকে, নদী ও বনাঞ্চলে বর্জ্য জমে থাকা বাস্তুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলে এ ধরনের দূষণ পরিবেশগত সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই আসুন আমরা সবাই সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্য খোলা বন্ধ করি সুন্দরবন কে বাঁচাই।

 

সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে ও খালে অপচনশীল বর্জ্য ফেল্লে, জীবিকা ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি আছে কিনা এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন ইয়ত ফর বাংলাদেশ এর মুখ্য সংগঠক ইমাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার বহু মানুষ মাছ ধরা, কাঁকড়া আহরণ, কৃষিকাজ ও বনজ সম্পদের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নদী দূষিত হলে মাছ ও অন্যান্য জলজ সম্পদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে দূষিত পানি, দুর্গন্ধ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

 

বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবি এর উপজেলা সমন্বয়কারী, কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সুন্দরবনসংলগ্ন বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি বাজার কমিটি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, পরিবেশবাদী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচার, নদীতীর পরিষ্কার অভিযান এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিয়মিত তদারকি চালু করা গেলে দূষণ কমানো সম্ভব।

 

সুন্দরবন ও নদী রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকার পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের প্রত্যাশা সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও প্রাকৃতিক সুরক্ষার অন্যতম অবলম্বন। তাই নদীকে প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত রাখা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া সময়ের দাবি। সুন্দরবনসংলগ্ন নদী ও বাজারগুলোকে প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জরুরী প্রয়োজন।

Ads small one

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগ, আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
তানজিন তিশার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগ, আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ

৭৫ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে মামলা, সেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরেক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মু. মাহবুব-উল-আলমের আদালতে ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী মামলা করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রনি এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘তানজিন তিশাকে আদালতে আগামী ২৩ নভেম্বর হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ গত বছরের ২৭ নভেম্বর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেন। মামলার পর তানজিন তিশা বিভিন্ন সময় মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেন। সানায়া আনামের যেকোনও ধরনের ক্ষতি করারও হুমকি দেন। গত বছরের ৭ নভেম্বর তিশা সানায়া আনামকে ফোন করে হুমকি দেন।

মামলায় বলা হয়, সানায়া আনামের প্রতারণার মামলা পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তদন্ত কর্মকর্তা পক্ষপাতদদুষ্ট হয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। এর বিরুদ্ধে নারাজি দিলে রবিবার মামলাটি সিআইডি পুলিশকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সানায়া আনাম আদালত থেকে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে তা প্রকাশিত হয়। এতে তিশা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। বাদীর পল্লবীর বাসায় লোক পাঠিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন তানজিন তিশার বিরুদ্ধে। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সানায়া আনাম। তিনি থানায় যান মামলা করতে। তবে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে তাকে আদালতে মামলার করার পরামর্শ দেয় বলে অভিযোগে বলা হয়।

হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেবে এক মুসলিম দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেবে এক মুসলিম দেশ

ইয়েমেনের কট্টরপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের হামলা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে অনুমোদন দিয়েছে মিসরের পার্লামেন্ট। দেশটির আইনপ্রণেতা ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলায় তীব্র হওয়া আঞ্চলিক সংঘাতের আরও কাছে চলে এলো কায়রো।

রিয়াদ যদি হুথিদের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরক্ষায় সহায়তা চায়, তবে যেন সামরিক সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে গত সপ্তাহে পার্লামেন্টের অনুমোদন চেয়েছিলেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। হুথিদের সাম্প্রতিক তৎপরতা কেবল সৌদির ভূখণ্ডের জন্যই হুমকি তৈরি করেনি, বরং লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা কৌশলগত বাব আল-মানদেব প্রণালিকেও ঝুঁকিতে ফেলেছে। এই রুটটি মিসরের সুয়েজ খালে প্রবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় বিমান চলাচল এবং তেল রফতানি ব্যাহত হওয়ার পর এই অনুমোদন দিলো কায়রো। তবে মিসর ইরানের নেতৃত্বাধীন আক্রমণ ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানালেও সরাসরি সংগ্রামে নামেনি। সিসি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন মিসরের যেকোনও সহায়তা কেবল সৌদি ভূখণ্ড ও সীমানা রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে; ইয়েমেনের ভেতরে গিয়ে হামলা চালানো তাদের উদ্দেশ্য নয়।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে গত বুধবার মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাতি এবং গোয়েন্দা প্রধান হাসান রাশাদ রিয়াদ সফর করেন। সফর শেষে আবদেলাতি জানান, কূটনৈতিক উপায়ে ইয়েমেন সংঘাত সমাধানের প্রতিটি সুযোগ বাস্তবায়নে কায়রো সমর্থন জানায়।

সংঘাত তীব্র রূপ নেওয়ায় লোহিত সাগরের নিরাপত্তা রক্ষায় দুই দেশ নিরাপত্তা আলোচনা জোরদার করেছে। এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান লোহিত সাগরে নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল নিয়ে আলোচনা করতে কায়রো সফর করেছিলেন। মিসর ইঙ্গিত দিয়েছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে আগস্টে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টিও তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

মিসরীয় সামরিক সক্ষমতা এবং লোহিত সাগরে এর কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া সৌদি আরব মিসরের এক বড় রাজনৈতিক ও আর্থিক অংশীদার। তবে ১৯৬০-এর দশকে ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া এবং ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর কোনও বড় ধরনের আন্তর্জাতিক যুদ্ধ অভিযানে সেনা না পাঠানোর ইতিহাস মিসরকে কিছুটা সতর্ক রাখছে। মিসর কতটুকু সামরিক সহায়তা দেবে তা শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক চাওয়া এবং আঞ্চলিক সংঘাত এড়ানোর চেষ্টার ওপর নির্ভর করবে।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

স্বর্ণের দামে বড় পতন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
স্বর্ণের দামে বড় পতন

আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এ নিয়ে টানা চতুর্থ দফা সোনার দাম কমালো বাজুস। এর ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম কমে দাঁড়াচ্ছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সোনার নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। গতকাল শনিবার এ দাম ছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।

সোনার দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৬৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩৯১ টাকা।