রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

স্মৃতিশক্তি ‘হারাচ্ছেন’ অমিতাভ, বন্ধ ‘কেবিসির’ শুটিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
স্মৃতিশক্তি ‘হারাচ্ছেন’ অমিতাভ, বন্ধ ‘কেবিসির’ শুটিং

অমিতাভ বচ্চনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি)-এর নতুন পর্বের শুটিং। কবে নাগাদ আবার শুটিং শুরু হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন নির্মাতারা।

আপাতত চ্যানেলে পুরোনো পর্বগুলোই পুনরায় সম্প্রচার করা হচ্ছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন অমিতাভ। নিজের ব্লগে একাধিকবার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন তিনি। গত অক্টোবরেও চিকিৎসকদের পরামর্শে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকার কথা জানান বিগ বি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অমিতাভের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই আপাতত নতুন পর্বের শুটিং স্থগিত রেখেছেন নির্মাতারা।

এর আগে হাঁটুর চোট নিয়েও অনুষ্ঠানটির শুটিং চালিয়ে গেছেন অভিনেতা। তবে এবার তাকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।

এদিকে শনিবার নিজের ব্লগে বয়সের কারণে স্মৃতিশক্তিতে পরিবর্তন আসার কথাও জানিয়েছেন অমিতাভ। চশমা কিংবা মোবাইল ফোন কোথায় রেখেছেন, তা অনেক সময় মনে করতে পারছেন না তিনি। তবে পুরোনো দিনের বহু স্মৃতি এখনো তার মনে রয়েছে।

Ads small one

পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪৪০ টাকা বেশি দরে ১২ কেজির বসুন্ধরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা গ্যাসবাহী পিকআপ আটকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি প্রতিহত করেন। পরে পিকআপে থাকা ১১০টি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ২ হাজার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

গত শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজারের দিনবন্ধু সাধুর দোকানে বসুন্ধরা এলপিজির পাঁচটি সিলিন্ডার বিক্রি করতে যান কলারোয়ার শিমুল স্টোরের বিক্রয় প্রতিনিধি রাজিব হোসেন। দোকানদারের কাছে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু, সাধারণ সম্পাদক রকিব সরদার এবং পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলামসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসবাহী পিকআপটি আটকে দেন। পরে পিকআপে থাকা সিলিন্ডারগুলো নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়।

দোকানদার দিনবন্ধু সাধু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্যাস কিনলে খুচরা পর্যায়ে কত দামে বিক্রি করবেন, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বেশি দামে কিনে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে চাননি বলেও জানান তিনি।

বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, শিমুল স্টোরের শহিদুল ইসলাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। সম্প্রতি কিছু সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও সেগুলো বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এ কারণে তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু বলেন, কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গত শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা গ্যাসের একটি গাড়ি বাজারে আসার পর সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ টাকা বেশি নেওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে যান। পরে ১১০টি সিলিন্ডার নির্ধারিত দামে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও করেন তিনি।

আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের সাতক্ষীরা জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাজিরুল ইসলাম।

আবেদনে নাজিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, শোভনালী ইউনিয়নের ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশখালী ও বালিয়াপুর গ্রামের মাতিবিল নামের খাল দুটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এর মধ্যে ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক বাঁশখালী গ্রামের মাতিবিল খালটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা হয়েছিল। অপর খালটি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াপুর গ্রাম হয়ে ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মরিচ্চাপ নদীর সুইচগেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দুটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাবাসীকে ব্যাপক দুর্ভোগ ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আবেদনকারীর দাবি, খাল দুটি পুনঃখনন করা হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি মাছ চাষ ও ধান আবাদের উপযোগী হবে। পাশাপাশি অতিবৃষ্টিতে শোভনালী ইউনিয়নসহ আশপাশের চারটির বেশি ইউনিয়নে সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে। এ অবস্থায় খাল দুটি পুনঃখননে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে সরকারি খাসজমি বণ্টন, বেদখল জমি উদ্ধার এবং উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন জেলা শাখা।

গত শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম গাজী। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অ্যাডভোকেট খগেন্দ্রনাথ ঘোষ এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মো. আহম্মদ আলী।

সভায় বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লাভলু, দপ্তর সম্পাদক মো. লাভলু, আব্দুল জব্বার, মনিরুজ্জামান মনি, মো. রাজু হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম ও মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহারসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, সরকারি উদ্যোগে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য খাসজমি বরাদ্দ এবং ব্যারাক নির্মাণের কার্যক্রম চললেও অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার এখনো এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাঁচ বিঘার বেশি খাসজমির নামে যেসব ডিসিআর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বণ্টনের দাবি জানান তাঁরা।

সভায় বেদখলে থাকা সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীনদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, এতে ভূমিহীনদের আবাসনের সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাজস্বও বাড়বে।

এ ছাড়া খুলনা থেকে সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ সরকারি পরিকল্পনা ও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দ্রুত শেষ করার দাবি জানানো হয়। সড়কের দুই পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন ও সাধারণ মানুষকে যথাযথ পুনর্বাসন, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর নিরাপদ আশ্রয় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প বাজারের ব্যবস্থা করারও দাবি তোলেন বক্তারা।