মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বজ্রপাতে সাত জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
বজ্রপাতে সাত জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

 

বজ্রপাতে দেশের সাত জেলায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে দুজন করে এবং পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধা

গাইবান্ধা জেলায় রোববার বিকেলে বজ্রপাতে শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা গ্রামে তিনজন, ফুলছড়ি উপজেলার দেলুয়াবাড়ি গ্রামে একজন ও সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামের একজন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে ফুয়াদ চৌধুরী (১০), একই গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি চৌধুরী (১৫) ও নবীর হোসেনের ছেলে মিজান মিয়া (২০), ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের দেলুয়াবাড়ি গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে মানিক মিয়া (২৫) ও সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামের নম্বার আলী (৬৫)।

বোনারপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান নাসিরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় মৌসুমের প্রথম ঝড়-বৃষ্টির দিনে বজ্রপাতে দুজন মারা গেছেন। রোববার বিকেলে রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান গ্রামে এবং তাড়াশ উপজেলার বেত্রাশীন গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে আকাশে মেঘে দেখে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান গ্রামে মাঠে কাটা ধান স্তূপ করে রাখছিলেন একই পরিবারের কয়েকজন। এমন সময় বজ্রপাতে হোসেন আলী সেখ (২৫) গুরুতর আহত হন। স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত ব্যক্তি ওই গ্রামের আবদুল হালিম সেখের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

এদিকে তাড়াশ উপজেলায় বজ্রপাতে মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম আবদুল হামিদ (৫০)। তিনি মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।

তাড়াশ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বলেন, বজ্রপাতে একজন কৃষক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা রশিদুল ইসলামের স্ত্রী লাবণী আক্তার (৩৫) ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে পীরগঞ্জ উপজেলা ও এর আশপাশে থেমে থেমে বৃষ্টি চলছিল। বেলা পৌনে দুইটার দিকে গরুর ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন লাবণী। তখন আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে কোষাডাঙ্গীপাড়ায় বজ্রপাতের ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, দুপুরে বৈরামপুর এলাকায় জমিতে ফসল দেখতে যান ইলিয়াস। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি ও প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।

পীরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এসব ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বজ্রপাতে মো. সোহরাওয়ার্দী (২২) নামের এক চা-শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল পৌনে আটটার দিকে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকায় একটি চা-বাগানের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মো. মোস্তফা (৪৫) ও জাহেরুল ইসলাম (৪৩) নামের আরও দুই চা-শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে মো. মোস্তফাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত সোহরাওয়ার্দী ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকার আবদুস সামাদের ছেলে।

ধামোর ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খোরশেদ আলম কুদ্দুস বলেন, সকালে সোনাপাতিলা এলাকায় শের আলী নামের এক চাষির চা-বাগান থেকে চা-পাতা তুলে বাড়ি ফিরছিলেন ওই তিন শ্রমিক। এ সময় হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ বজ্রপাতে চা-বাগানের পাশেই ঘটনাস্থলে সোহরাওয়ার্দী মারা যান। ঘটনার সময় তার সামান্য দূরে থাকা অপর দুই শ্রমিক আহত হন। মারা যাওয়া শ্রমিক সোহরাওয়ার্দী আট দিন আগে বিয়ে করেছেন।

আটোয়ারী থানার ওসি মতিয়ার রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

জামালপুর

জামালপুরে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে বজ্রপাতে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় একজন ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী এলাকায় একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ রাজীবের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (২২) ও সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার হাবিব মণ্ডলের ছেলে হাসমত আলী (৪৫)।

আহতরা হলেন মেলান্দহের হাজরাবাড়ী এলাকার হারুন মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (২৫), সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার নুর আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৪) ও একই এলাকার মোহাম্মদ রুমান মিয়ার ছেলে মো. শাওন মিয়া (২৫) এবং সদর উপজেলার নাওভাঙ্গা এলাকার সুমন মিয়ার মেয়ে সুখী (১৪)। আহত ব্যক্তিদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে হঠাৎ জামালপুরে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হয়। মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ি এলাকায় বাড়ির ওঠানে থাকা রান্নাঘরে কাজ করছিলেন মর্জিনা বেগম। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপর দিকে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় ফসলের মাঠে কাজ করছিলেন হাসমত আলী। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এতে হাসমত আলী, আনোয়ার হোসেন ও মো. শাওন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসমত আলীর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বজ্রপাতে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় একটি ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় চারটি গরুর মৃত্যু হয়েছে।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে সহকারী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান মৃত্যু ও আহত ব্যক্তিদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Ads small one

সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় এলবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সুদমুক্ত ও ইসলামী নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনায় ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে সাতক্ষীরায় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (এলবিডব্লিউএফ)-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় সাতক্ষীরার আল কুরআন একাডেমি অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আইবিডব্লুউএফ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মো. মহিউদ্দীন মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহম্মদ শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার কাজী আবিদ হাসান। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ব্লিস হাসপাতালের এমডি মো. আবু হাসান, আইবিডব্লুউএফের জেলা সেক্রেটারী কামাল হোসেন, ব্যবসায়ি মনিরুজ্জামান মনির, ইকরামুল কবির, সাইফুল্লাহ, আব্দুর হামিদ, কাজী সালাউদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধ, সততা, আমানতদারি ও সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। আয়োজকরা ব্যবসায়ীদের হালাল উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ‘মাত্র ১০ হাজার টাকায় ব্যবসার দ্বার খুলবে’ শীর্ষক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়।

 

 

সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক সমাবেশ

সংবাদদাতা: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর বর্তমান সংকট নিরসন, একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত ও ব্যর্থতার বিরুদ্ধে এবং সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতে সাতক্ষীরায় সচেতন গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরায় ইসলামী ব্যাংকের মূল শাখার সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে ব্যাংককে অনিয়ম ও দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যাংকের সুষ্ঠু পরিচালনার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট আবু তালেব। বক্তব্য রাখেন গ্রাহক জযনাল আবেদিন, এসকে মুনছুর আলী, বেলাল হোসেন ও সেলিম হোসেন।

বক্তারা ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ থেকে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ১. বর্তমান চেয়ারম্যান জহির হোসেনকে পদত্যাগ বা অপসারণ করতে হবে। ২. ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ে দক্ষ, যোগ্য, সৎ ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। ৩. এস আলমের অবৈধভাবে অর্জিত ৮২ শতাংশ শেয়ার ও পাচারকৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংকের দায় শোধ এবং মূল উদ্যোক্তা ও আদি মালিকদের কাছে মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. ব্যাংকের পরিচালনায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী দুই বছর কোনো ঊর্ধ্বতন নির্বাহীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি না দেওয়া এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ নবায়ন করতে হবে। ৫. ব্যাংকের অভ্যন্তরে সক্রিয় এস আলমের চিহ্নিত দালাল ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের শনাক্ত করে বহিষ্কার করতে হবে। ৬. ব্যাংক লুটেরাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
পূবালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশলেস ও কার্ড ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, কার্ড বিজনেস ডিভিশন (প্রধান কার্যালয়, ঢাকা)-এর উদ্যোগে “ক্রেডিট কার্ড, ক্যাশলেস ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রডাক্টস ক্যাম্পেইন-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান শেখ মো. শামসুদ্দোহা।

এসময় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের মূল ফটক এবং হাসপাতাল প্রবেশদ্বারে ফিতা কেটে পূবালী ব্যাংকের দুটি বিশেষ বুথ ও স্টল উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. কাজী আরিফ আহমেদ।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক কার্ড বিজনেস বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধান এন. এম. ফিরোজ কামাল এবং সম্মানীয় অতিথি ছিলেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. এস. এম. মনিরুজ্জামান। এছাড়া মঞ্চে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আসন গ্রহণ করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর ড. হরষিত চক্রবর্তী এবং পূবালী ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ইকবাল হোসেন। পরবর্তীতে কলেজের শিক্ষার্থীরা অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কলেজ ও হাসপাতাল কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম আব্দুস সালাম এবং পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা থেকে পাঠ করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি., সাতক্ষীরা শাখার সিনিয়র অফিসার (সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার) সুমন সাহা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি