রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বজ্রপাতে সাত জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
বজ্রপাতে সাত জেলায় ১৪ জনের মৃত্যু

 

বজ্রপাতে দেশের সাত জেলায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে দুজন করে এবং পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধা

গাইবান্ধা জেলায় রোববার বিকেলে বজ্রপাতে শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা গ্রামে তিনজন, ফুলছড়ি উপজেলার দেলুয়াবাড়ি গ্রামে একজন ও সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামের একজন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে ফুয়াদ চৌধুরী (১০), একই গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি চৌধুরী (১৫) ও নবীর হোসেনের ছেলে মিজান মিয়া (২০), ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের দেলুয়াবাড়ি গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে মানিক মিয়া (২৫) ও সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামের নম্বার আলী (৬৫)।

বোনারপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান নাসিরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় মৌসুমের প্রথম ঝড়-বৃষ্টির দিনে বজ্রপাতে দুজন মারা গেছেন। রোববার বিকেলে রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান গ্রামে এবং তাড়াশ উপজেলার বেত্রাশীন গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে আকাশে মেঘে দেখে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান গ্রামে মাঠে কাটা ধান স্তূপ করে রাখছিলেন একই পরিবারের কয়েকজন। এমন সময় বজ্রপাতে হোসেন আলী সেখ (২৫) গুরুতর আহত হন। স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃত ব্যক্তি ওই গ্রামের আবদুল হালিম সেখের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

এদিকে তাড়াশ উপজেলায় বজ্রপাতে মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম আবদুল হামিদ (৫০)। তিনি মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।

তাড়াশ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বলেন, বজ্রপাতে একজন কৃষক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি।

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা রশিদুল ইসলামের স্ত্রী লাবণী আক্তার (৩৫) ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে পীরগঞ্জ উপজেলা ও এর আশপাশে থেমে থেমে বৃষ্টি চলছিল। বেলা পৌনে দুইটার দিকে গরুর ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন লাবণী। তখন আকস্মিক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে কোষাডাঙ্গীপাড়ায় বজ্রপাতের ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, দুপুরে বৈরামপুর এলাকায় জমিতে ফসল দেখতে যান ইলিয়াস। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি ও প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।

পীরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এসব ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

পঞ্চগড়

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বজ্রপাতে মো. সোহরাওয়ার্দী (২২) নামের এক চা-শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল পৌনে আটটার দিকে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকায় একটি চা-বাগানের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মো. মোস্তফা (৪৫) ও জাহেরুল ইসলাম (৪৩) নামের আরও দুই চা-শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে মো. মোস্তফাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত সোহরাওয়ার্দী ধামোর ইউনিয়নের সোনাপাতিলা এলাকার আবদুস সামাদের ছেলে।

ধামোর ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খোরশেদ আলম কুদ্দুস বলেন, সকালে সোনাপাতিলা এলাকায় শের আলী নামের এক চাষির চা-বাগান থেকে চা-পাতা তুলে বাড়ি ফিরছিলেন ওই তিন শ্রমিক। এ সময় হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ বজ্রপাতে চা-বাগানের পাশেই ঘটনাস্থলে সোহরাওয়ার্দী মারা যান। ঘটনার সময় তার সামান্য দূরে থাকা অপর দুই শ্রমিক আহত হন। মারা যাওয়া শ্রমিক সোহরাওয়ার্দী আট দিন আগে বিয়ে করেছেন।

আটোয়ারী থানার ওসি মতিয়ার রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

জামালপুর

জামালপুরে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে বজ্রপাতে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় একজন ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী এলাকায় একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ রাজীবের স্ত্রী মর্জিনা বেগম (২২) ও সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার হাবিব মণ্ডলের ছেলে হাসমত আলী (৪৫)।

আহতরা হলেন মেলান্দহের হাজরাবাড়ী এলাকার হারুন মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (২৫), সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকার নুর আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৪) ও একই এলাকার মোহাম্মদ রুমান মিয়ার ছেলে মো. শাওন মিয়া (২৫) এবং সদর উপজেলার নাওভাঙ্গা এলাকার সুমন মিয়ার মেয়ে সুখী (১৪)। আহত ব্যক্তিদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে হঠাৎ জামালপুরে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হয়। মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ি এলাকায় বাড়ির ওঠানে থাকা রান্নাঘরে কাজ করছিলেন মর্জিনা বেগম। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপর দিকে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় ফসলের মাঠে কাজ করছিলেন হাসমত আলী। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এতে হাসমত আলী, আনোয়ার হোসেন ও মো. শাওন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসমত আলীর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বজ্রপাতে সদর উপজেলার চর যথার্থপুর এলাকায় একটি ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় চারটি গরুর মৃত্যু হয়েছে।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে সহকারী পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান মৃত্যু ও আহত ব্যক্তিদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Ads small one

শ্যামনগরে গোল্ডকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হরিনগর ও পূর্ব মীরগাং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে গোল্ডকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হরিনগর ও পূর্ব মীরগাং

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে উপজেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এই টুর্নামেন্টের বালক ও বালিকা—উভয় বিভাগের চূড়ান্ত লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।
বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ৬৩ নম্বর হরিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয়েছে ৭৩ নম্বর দরগাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যদিকে বালিকা বিভাগে ৩৬ নম্বর আড়পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ১৬৫ নম্বর পূর্ব মীরগাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। টুর্নামেন্টের বিশেষ দিক হলো, বালক ও বালিকা—উভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হওয়া দল দুটি উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের।
খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য মো. আব্দুল ওয়াহেদ ও সাবেক উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. সোলায়মান কবীর।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ক্লাস্টারের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। মাঠজুড়ে দর্শকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে এই ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন হয়।

মণিরামপুরে কৃষকদের সঙ্গে ধান কাটলেন সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরে কৃষকদের সঙ্গে ধান কাটলেন সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক

মণিরামপুর (যশোর) সংবাদদাতা: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার নেহালপুর আড়পাতা বিলে কৃষকদের সঙ্গে ধান কাটার উৎসবে যোগ দিলেন যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে তিনি নিজেই কাস্তে হাতে মাঠে নেমে কৃষকদের সঙ্গে ধান কাটেন।
সকাল থেকেই স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে মাঠে সময় কাটান সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি কৃষকদের কাছ থেকে ফসলের ফলন ও কৃষি কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন। ধান কাটা শেষে তিনি বলেন, “দেশের কৃষকেরা কঠোর পরিশ্রম করে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। জাতীয় অর্থনীতিতে তাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি।”
গাজী এনামুল হক আরও বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। যেকোনো প্রয়োজনে তিনি সবসময় কৃষকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
মাঠের মধ্যে সরাসরি সংসদ সদস্যকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। আড়পাতা বিলের কয়েকজন কৃষক জানান, এলাকার জনপ্রতিনিধি এভাবে মাঠে এসে তাঁদের সঙ্গে কাজ করায় তাঁরা উৎসাহিত বোধ করছেন। এর ফলে সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা তাঁকে জানানোর সুযোগ হয়েছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে যশোর অঞ্চলে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে ধান কাটার কাজ পুরোদমে চলছে।

সাতক্ষীরায় শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার ইটভাটাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিশুশ্রম রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটির এক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসন এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, খুলনার যৌথ উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল।
সভায় বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম নির্মূলে কেবল আইন যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে ধর্মীয় উপাসনালয়-মসজিদ ও মন্দিরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। শিশুদের কাজে না পাঠিয়ে স্কুলে পাঠাতে অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় কর্মজীবী শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন ইউনিয়নে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে এবং দেবহাটা উপজেলায় কর্মরত শিশুদের বেসরকারি সংস্থা ‘সুশীলন’-এর মাধ্যমে পুনর্বাসন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর খুলনার সহকারী মহাপরিদর্শক মো. শাহিনুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন একই দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক সানতাজ বিল্লাহ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিউল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম টুটুল ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাইয়েদুর রহমান মৃধা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাফফর উদ্দীন, সাতক্ষীরা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অপু হালদার এবং সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং জেলা থেকে শিশুশ্রম নির্মূলে সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।