মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

এআইতে আপনার গোপন জিজ্ঞাসা সত্যিই কি গোপন থাকে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
এআইতে আপনার গোপন জিজ্ঞাসা সত্যিই কি গোপন থাকে?

ইন্টারনেটে কিছু খোঁজার সময় মানুষ অনেক এমন বিষয়ও লিখে ফেলেন, যা তিনি হয়তো কারও সঙ্গে সরাসরি শেয়ার করতেন না। এখন সেই জায়গাটা ধীরে ধীরে দখল করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—এআইতে করা ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল প্রশ্নগুলো কি সত্যিই গোপন থাকে?

প্রযুক্তির সুবিধার পাশাপাশি এই প্রশ্নটি এখন ব্যবহারকারীদের অন্যতম বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে।

এআই কি আপনার প্রশ্ন সংরক্ষণ করে?

বেশিরভাগ এআই সিস্টেম ব্যবহারকারীর প্রশ্ন বা ইনপুট কোনও না কোনোভাবে সংরক্ষণ করে। এর উদ্দেশ্য সাধারণত সেবার মান উন্নত করা, ভুল সংশোধন করা এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো উত্তর দেওয়া।

তবে এই সংরক্ষণ সবসময় ব্যক্তিগত পরিচয়সহ হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তথ্যগুলো পরিচয়মুক্ত বা “অ্যানোনিমাইজড” করে রাখা হয়।

আপনার কথোপকথন কে দেখে?

কিছু ক্ষেত্রে এআই প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের সেবা উন্নত করতে মানুষের সহায়তা নেয়। তখন সীমিত পরিসরে কিছু কথোপকথন পর্যালোচনা করা হতে পারে।

তবে সাধারণত এসব প্রক্রিয়া কঠোর গোপনীয়তা নীতির আওতায় পরিচালিত হয় এবং নির্দিষ্ট নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়।

কোথায় ঝুঁকি?

কি একেবারে নেই—এমন বলা যাবে না। ব্যবহারকারী যদি নিজের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড বা আর্থিক তথ্য সরাসরি লিখে দেন, তাহলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ যেকোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মেই তথ্য ফাঁসের সম্ভাবনা পুরোপুরি শূন্য নয়।

এছাড়া তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ বা অনির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।

গোপনীয়তা কতটা নির্ভর করে ব্যবহারকারীর ওপর?

বিশেষজ্ঞদের মতে, গোপনীয়তার একটি বড় অংশ নির্ভর করে ব্যবহারকারীর আচরণের ওপর।

প্রয়োজন ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা এবং সংবেদনশীল তথ্য এড়িয়ে চললে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?

এআই ব্যবহারের সময় কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চলা জরুরি। যেমন—ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার না করা, অপরিচিত বা সন্দেহজনক প্ল্যাটফর্ম এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের গোপনীয়তা নীতি পড়ে নেওয়া। এসব ছোট পদক্ষেপই বড় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

তাহলে কতটা গোপন?

সহজভাবে বললে—আংশিক। এআই আপনার প্রশ্ন প্রক্রিয়াজাত করে এবং অনেক ক্ষেত্রে সংরক্ষণ করে, তবে তা সবসময় সরাসরি আপনার পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে না।

তবে শতভাগ গোপনীয়তার নিশ্চয়তা কোনও অনলাইন সেবাই দিতে পারে না—এটাই বাস্তবতা।

শেষ কথা

এআই আমাদের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে, পাশাপাশি তৈরি করেছে নতুন ধরনের সচেতনতার প্রয়োজন।

আপনার গোপন জিজ্ঞাসা কতটা নিরাপদ থাকবে—তা শুধু প্রযুক্তির ওপর নয়, অনেকটাই নির্ভর করে আপনার সচেতন ব্যবহারের ওপর।

Ads small one

সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত এবং নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যে একযোগে চারটি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ৩১ আগস্ট সুন্দরবনে সক্রিয় এসব বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ৫২ জন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র‌্যাব-৬ সদর দপ্তর, খুলনা থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বনজীবী ও স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু ও বনদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণকারীদের কয়েকজনের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়।

একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে। র‌্যাব-৬সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদরের তালতলা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর পরিচয় মিলেছে। তিনি সাতক্ষীরা শহরতলীর খেলারডাঙগী এলাকার মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর বেগম (৩৪)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালতলা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

সূত্রে জানাগেছে, মাগুরা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের দোকানের কর্মচারী তালতলা গ্রামের এরফান আলীর ছেলে ভ্যান চালক শরিফুল ইসলাম তার ভ্যানে বালু লোড দেওয়ার এক পর্যায়ে মুকুলের রড-সিমেন্টের দোকানের পিছনে প্রসাব করতে বসেন।

 

এসময় বিলের মধ্যে এক নারীর লাশ দেখতে পেয়ে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে জানান। আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো বোরখা পরিহিত নারীর লাশ পানিতে ভাসতে দেখে সদর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

 

খবর পেয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান’র নেতৃত্বে পুলিশ ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেন। এসময় ঘটনা স্থল থেকে পুলশ একটি এন্ড্রয়েড ফোন উদ্ধার করে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় লাশটি কহিনুর বেগমের।

 

ইতোমধ্যে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারন উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুরে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদের উদ্যোগে সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বাদ মাগরিব থেকে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে এই বিশেষ মাহফিল শুরু হয়।

 

মাওলানা রোকনুজ্জামান বিপ্লবের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ। মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুমহান জীবন ও আদর্শের ওপর বিস্তারিত আলোচনা পেশ করেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা আফজাল হোসেন জিহাদী।

 

এ ছাড়া মাহফিলে বিশেষ বক্তা হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে আলোচনা করেন হাফেজ মাওলানা হাবিবুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেবৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত ছিলেন। মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি