বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

আশাশুনি বাজার ও ব্রীজ সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন পাওবো কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
আশাশুনি বাজার ও ব্রীজ সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন পাওবো কর্মকর্তা

Oplus_16908288

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলা সদর বাজার ও মরিচ্চাপ ব্রীজ নদী ভাঙ্গনে হুমকিগ্রস্থ হওয়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাজকিয়া।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পাওবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজমুল হক, এসডিই রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিন, জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন পিন্টু, জামায়াত নেতা মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, বাজার বণিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ আহসান উল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আশাশুনি প্রেসক্লাবের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনকালে পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাসকিয়া সাংবাদিকদের জানান, ভয়াবহ ভাঙ্গনের বিষয়ে অবহিত হয়ে সরজমিনে পরিদর্শনে এসেছি। তিনি বলেন, মরিচ্চাপ নদী নতুন করে খননের পর পূর্বের চলমান বাজার সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করেছে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু হবে। উপস্থিত সূধীজনের দাবীর মুখে স্থায়ী ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে সিসি ব্লক কাজ করা হবে তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে প্রকল্প পাঠানো হবে। তা পাশ হওয়া সাপেক্ষে ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রসঙ্গতঃ মরিচ্চাপ নদী খননের পর সদর বাজার ও মরিচ্চাপ নদীর উপর নির্মিত মরিচ্চাপ ব্রীজ এলাকা ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন পূর্বের থেকে প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে বাজার ও ব্রীজ হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়েছে। বাজারের অসংখ্য দোকানপাট, পাউবো সহ সরকারি বেসরকারি অফিস, বসতবাড়ী যে কোন মুহূর্তে মরিচ্চাপ নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে। ইতোমধ্যে, ব্রীজ সংলগ্ন একটি পাকা বসত বাড়ী নদী গর্ভে চলে গেছে।

 

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ দ্রুত এবং পর্যায়ক্রমে বাজার রক্ষায়, ব্রীজ ও ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে চাপড়া-মাদ্রা গ্রামের ভাঙ্গনও প্রকট আকার ধারন করেছে। মাদ্রা গ্রামের সামনে ভাঙ্গনও দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ওই গ্রামের বাড়ী ঘর নদী গর্ভে চলে যাবে। দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পাউবো’র উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসি।

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।