বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প: অর্ধযুগেও শেষ হয়নি তালা-কয়রা সড়কের কাজ, ভোগান্তি চরমে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প: অর্ধযুগেও শেষ হয়নি তালা-কয়রা সড়কের কাজ, ভোগান্তি চরমে

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ণ সাতক্ষীরার তালা থেকে খুলনার পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অর্ধযুগেও শেষ হয়নি। তিন দফা মেয়াদ ও ১৯৫ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর পরও কাজের গতি ধীর হওয়ায় ওই অঞ্চলের লাখো মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে সর্বশেষ সংশোধিত মেয়াদ অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখনো অর্ধেকের বেশি কাজ বাকি রয়ে গেছে।

 

খুলনা সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি ‘তালা-কয়রা ভায়া পাইকগাছা সড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) পাস হয়। এরপর ৩৩৯ কোটি ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মোজাহার এন্টারপ্রাইজ’কে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

 

২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় তিন দফায় সময় বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। সময় বাড়ার সাথে সাথে প্রকল্পের ব্যয়ও বেড়েছে দফায় দফায়। মূল ব্যয়ের সাথে প্রথমে ৪০ কোটি, এরপর তিন কিলোমিটার অংশের জন্য আরও ৫৫ কোটি এবং সর্বশেষ তালা থেকে পাইকগাছা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করার জন্য আরও ১০০ কোটি টাকা যুক্ত করা হয়েছে। ফলে মূল ৩৩৯ কোটি টাকার এই প্রকল্প ব্যয় এখন দাঁড়িয়েছে ৫৩৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

খুলনা সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ বলেনÑ “ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতা ও মামলা-মোকদ্দমার কারণে সময় বেশি লেগেছে। গত নভেম্বর থেকে আবারও কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হবে।”

সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কাজের গতি অত্যন্ত মন্থর। সড়কের ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করার কাজ ৮০ ভাগ শেষ হলেও সড়ক প্রশস্ত করার কাজ হয়েছে মাত্র ৪০ ভাগ; অনেক এলাকায় ১০ ভাগ কাজও শেষ হয়নি। সড়কের এই বেহাল দশার কারণে শুকনো মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদাপানিতে নাকাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও হাসপাতালে যাতায়াতকারী রোগীরা তীব্র ঝুঁকিতে পড়েছেন।
মাইক্রোবাস চালক মনজুরুল ইসলাম জানান, আগে তালা থেকে কয়রা যেতে যেখানে দেড় ঘণ্টা সময় লাগত, এখন সড়কের বেহাল দশার কারণে চার ঘণ্টার বেশি সময় লাগছে। এতে জ্বালানি খরচ যেমন বাড়ছে, তেমনি যাত্রীদের ভাড়াও বেশি দিতে হচ্ছে।

মোবারকপুর এলাকার ভ্যানচালক হাসেম আলী সরদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এক রাস্তা সংস্কার করতে আর কত বছর লাগবে? তিন বছর ধরে শুকনোয় ধুলা আর বৃষ্টিতে কাদার মধ্যে নাকানিচুবানি খাচ্ছি। আমরা মহা বিপদে আছি।”

জানতে চাইলে তালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন বলেন, “এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সড়কের উন্নয়ন। সড়কটি প্রশস্ত ও বাঁক সোজা হলে মানুষের অর্থ ও সময় দুই-ই সাশ্রয় হবে। তবে কাজে ধীরগতির বিষয়টি সত্য, আমরাও দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।”

কাজে ধীরগতির বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, “কাজের তদারকির জন্য আমি নিয়মিত এলাকা পরিদর্শন করছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে যেন কাজটি শেষ হয়, সে জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।”

 

Ads small one

কুরিয়ার জট ও চড়া ভাড়ার দিন শেষ: সাতক্ষীরার আম মাত্র ৫টাকায় পৌঁছে দিচ্ছে ডাক বিভাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
কুরিয়ার জট ও চড়া ভাড়ার দিন শেষ: সাতক্ষীরার আম মাত্র ৫টাকায় পৌঁছে দিচ্ছে ডাক বিভাগ

আসাদুজ্জামান সরদার: চলছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠের আমেজ। গাছপাকা সুস্বাদু গোবিন্দভোগ, হিমসাগর আর ল্যাংড়া আমের সুবাসে আমোদিত চারপাশ। দেশের গ-ি পেরিয়ে সাতক্ষীরার এই আমের সুখ্যাতি এখন বিশ্বজুড়ে। তবে প্রতি বছরই আমের এই ভরা মৌসুমে দূর-দূরান্তে থাকা প্রিয়জন কিংবা ক্রেতাদের কাছে আম পাঠাতে গিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের চড়া মাশুলের ধাক্কায় হিমশিম খেতে হতো সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের। অনেক সময় আমের দামের চেয়ে কুরিয়ার ভাড়াই হয়ে যেত দ্বিগুণ।
সাধারণ মানুষ আর আম চাষিদের সেই চিরচেনা ভোগান্তি দূর করতে এবার অবিশ্বাস্য সাশ্রয়ী মূল্যে আম পরিবহনের এক দারুণ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। তাদের প্রযুক্তি-নির্ভর ‘স্পিড পোস্ট’ সার্ভিসের মাধ্যমে এখন নামমাত্র মূল্যে সাতক্ষীরার আম পৌঁছে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ডাক বিভাগের এই আধুনিক ও গতিশীল রূপান্তর এখন আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের মুখে চওড়া হাসি ফুটিয়েছে।

সাতক্ষীরা প্রধান ডাকঘর সূত্রে জানা গেছে, এই বিশেষ সার্ভিসে আম বুকিংয়ের ক্ষেত্রে প্রথম কেজি মাত্র ১০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কেজির জন্য নেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫ টাকা। বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসগুলো যেখানে প্রতি কেজিতে ১৩ থেকে ১৫ টাকা বা তারও বেশি চার্জ নিচ্ছে, সেখানে ডাক বিভাগের এই দর আমের বাজারে এক আমূল পরিবর্তন এনেছে। হিসেব অনুযায়ী, কোনো গ্রাহক ২০ কেজি আম পাঠালে ভ্যাট ও উৎস করসহ তার মোট খরচ পড়ছে মাত্র ১১৬ টাকা।
কম খরচের পাশাপাশি ডাক বিভাগের দ্রুততম ডেলিভারির বিষয়টিও নজর কেড়েছে ব্যবসায়ীদের। সকালে বুকিং করলে ওই দিন সন্ধ্যার মধ্যেই খুলনায় এবং সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা শহরের গ্রাহকের হাতে আম পৌঁছে যাচ্ছে। আর চট্টগ্রাম, সিলেট বা বরিশালের মতো দূরবর্তী জেলাগুলোতে বুকিংয়ের এক থেকে দুই দিনের মধ্যে আম অক্ষত অবস্থায় মিলছে।
সাতক্ষীরা পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে আম পাঠানোর সবচেয়ে উপযুক্ত ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম এখন ডাক বিভাগের ‘স্পিড পোস্ট’। আমাদের লক্ষ্য কম খরচে গ্রাহকের দোরগোড়ায় দ্রুত ও নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করা।”
ঢাকা শহরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ জিপিও এবং সাব-পোস্ট অফিসের আওতায় এই আম ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে। গুলশান, বনানী, উত্তরা, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, নিউমার্কেট, তেজগাঁও, খিলগাঁও, ওয়ারী, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও ঢাকা জিপিওসহ প্রধান প্রধান সবগুলো এলাকা রয়েছে এই সেবার আওতায়। বর্তমানে দেশের যেকোনো জেলা সদর এবং জেলা সদরের কাছাকাছি থাকা উপজেলা ডাকঘরগুলো থেকে এই সেবা মিলছে।
সাতক্ষীরা পৌরসভার আলিয়া মাদ্রাসা পাড়ার আম ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী বলেন, “সাতক্ষীরার আম সারদেশের মানুষের কাছে খুব প্রিয়। কিন্তু আগে ক্যারেট আর কুরিয়ার খরচ বেশি হওয়ায় ঢাকার মানুষকে অনেক বেশি দাম দিয়ে কিনে খেতে হতো। ডাক বিভাগের এই কম খরচের সেবার কথা শুনে আজ প্রথম এসেছি। আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের জন্য এটি দারুণ এক সুযোগ।”
সাতক্ষীরা পোস্ট অফিসের হিসাবরক্ষক শ্যাম কুমার পাল জানান, আম ঠিকঠাক ও দ্রুত সময়ে পৌঁছানোর কারণে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ডাক বিভাগের এই আধুনিক ও সাশ্রয়ী রূপান্তর মিডল-ম্যান বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাবে এবং চাষি ও ভোক্তাদের সরাসরি যুক্ত করে আমের বাজারে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শ্যামনগরে একটি পরিবারকে দেশান্তর ও প্রাণনাশের হুমকি, থমথমে পরিস্থিতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে একটি পরিবারকে দেশান্তর ও প্রাণনাশের হুমকি, থমথমে পরিস্থিতি

 

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে একটি পরিবারের সদস্য ও সংবাদকর্মীকে দেশান্তর করার হুমকি, প্রাণনাশ এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম পরিতোষ কুমার বৈদ্য। উপজেলার সেন্ট্রাল কালিনগর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মাসুমের বিরুদ্ধে গত এক সপ্তাহ ধরে মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে এই অনবরত হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আড়পাঙ্গাসিয়া গ্রামের এক প্রতিবন্ধী শিক্ষকের মেয়ের সঙ্গে ‘মাসুম কম্পিউটার অ্যান্ড ফটোস্ট্যাট’ দোকানের মালিক মাসুমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে কিছুদিন আগে গভীর রাতে ওই মেয়েটিকে তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী মাসুমকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। পরদিন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় মুচলেকা নিয়ে মাসুমকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরিতোষ কুমার বৈদ্য জানান, ভুক্তভোগী পরিবারটি তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি মানবিক কারণে তাদের আইনি ও সামাজিক সহযোগিতা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুম তার কাছে ৪০ হাজার টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন দাবি করে। এই অনৈতিক দাবি পূরণ করতে অস্বীকৃতি জানালে মাসুম তাকে দেশছাড়া করার হুমকি দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ভাষায় বার্তা পাঠাতে শুরু করে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরিতোষ শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও মাসুমের হুমকি থামেনি।
অভিযুক্ত মাসুম জানায়Ñ“মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের যেসব স্ক্রিনশট ও রেকর্ডের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো আমার আইডি নয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে অভিযুক্ত মাসুমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ শ্যামনগর শাখার আহ্বায়ক অনাথ ম-ল। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মাধ্যমে এভাবে হুমকি ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া সাইবার নিরাপত্তা আইন ও দ-বিধির ফৌজদারি ধারা অনুযায়ী কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান বলেন, “সংবাদকর্মী পরিতোষ বৈদ্যের জিডির পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরপরও যদি তাকে নতুন করে কোনো হুমকি দেওয়া হয়ে থাকে, তবে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আশাশুনিতে পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা

আশাশুনি প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে সঠিক নিয়মে পশু জবাই ও কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স হলরুমে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আ. সালাম। সভায় পবিত্র ঈদে পশুর চামড়া যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য সঠিক নিয়মে চামড়া ছাড়ানো, লবণ দিয়ে সংরক্ষণ, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার আছাদুল ইসলাম, শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কর ছিদ্দিক, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এস কে হাসানসহ স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মাংস ব্যবসায়ী (কসাই) ও পশু ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।