মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

ঈদে সিনেমা মুক্তির হিড়িক, শঙ্কায় হল মালিকরা, দর্শক যাবে কোথায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
ঈদে সিনেমা মুক্তির হিড়িক, শঙ্কায় হল মালিকরা, দর্শক যাবে কোথায়?

এক ঈদে এত সিনেমা—ঢালিউডে এমন দৃশ্য অনেকদিন দেখা যায়নি। বড় তারকা, বড় বাজেট, আলোচিত গল্প আর জমজমাট প্রচারণা নিয়ে এবার ঈদুল আজহায় মুক্তির তালিকায় রয়েছে একের পর এক সিনেমা। দর্শকদের জন্য এটি যেমন উৎসবের খবর, তেমনি রয়েছে দ্বিধাও। পাশাপাশি চলচ্চিত্র ব্যবসার ভেতরে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অস্বস্তি।

কারণ, দেশের সীমিত সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে এতগুলো সিনেমা একসঙ্গে জায়গা পাবে কীভাবে—সেই প্রশ্ন এখন নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক থেকে শুরু করে হল মালিকদের মুখে মুখে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত দর্শকই বা পছন্দের একাধিক চলচ্চিত্র কীভাবে দেখবে? ব্যস্ত জীবনে সময় করে উঠতে পারবেন তো?

ঈদকে কেন্দ্র করে মুক্তির তালিকায় রয়েছে— রকস্টার, মাসুদ রানা, রইদ, মালিক, নাকফুলের কাব্য, দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল, পিনিক, তছনছ এবং বনলতা সেন।

বেশিরভাগ সিনেমাই বড় তারকা ও বড় বাজেটনির্ভর হওয়ায় মাল্টিপ্লেক্স ও সিঙ্গেল স্ক্রিন—দুই ধরনের হলেই তৈরি হয়েছে তীব্র চাপ। একই সময়ে এতগুলো সিনেমা মুক্তি পাওয়ায় স্ক্রিন ভাগ হয়ে যাচ্ছে, ফলে অনেক সিনেমাই প্রত্যাশিত শো পাচ্ছে না। বিশেষ করে সিনেপ্লেক্সগুলোতে বড় বাজেট ও তারকানির্ভর ছবিগুলো অগ্রাধিকার পেলে মাঝারি বাজেটের সিনেমাগুলো আরও বেশি চাপে পড়ছে।

এ বিষয়ে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জল বলেন, “দর্শক যেটা ভালো মনে করেন, সেটাই দেখবেন। তাতে আমরা কোনো বাধা দেখি না। কিন্তু ঈদকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র মুক্তির এই দৌড় ও প্রবণতা প্রযোজকদের ঝুঁকির কারণ। আমরাও হয়তো লাভবান হতাম যদি ঈদ ছাড়াও ভালো ভালো ছবিগুলো আসত। সারা বছরই তখন ব্যবসা থাকতো, হলও চাঙা হতো। প্রযোজকদের বলবো, এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে।”

দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্স–এর প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদে এটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য খুবই খারাপ ফল বয়ে আনবে। সারাবছর দর্শক সিনেমা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নতুন দর্শক তৈরি হচ্ছে না। হলমালিকরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।”

তিনি মনে করেন, প্রদর্শক সমিতি, প্রযোজক ও পরিবেশকদের মধ্যে জরুরি সমন্বয় প্রয়োজন। তার ভাষায়, “কোন সময় কোন ছবি মুক্তি পাবে, সেটি নির্ধারণ করা গেলে সবাই উপকৃত হবেন।”

অন্যদিকে মাসুদ রানা চলচ্চিত্রের প্রযোজক ও পরিবেশক আব্দুল আজিজ মনে করছেন, একসঙ্গে এত সিনেমা মুক্তির পরিস্থিতি কোনোভাবেই সুস্থ প্রতিযোগিতা নয়। তবে নিজের সিনেমা ঈদে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই সুস্থ প্রতিযোগিতা না। কিন্তু ঈদ হচ্ছে সবচেয়ে বড় সিনেমা সিজন। সবাই চায় এই সময়ে দর্শকের কাছে পৌঁছাতে। সেই জায়গা থেকে আমরাও ‘মাসুদ রানা’ ঈদেই মুক্তি দিচ্ছি।”

তবে প্রতিযোগিতার বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন মালিক চলচ্চিত্রের পরিচালক সাইফ চন্দন। তার মতে, ঈদ ছাড়া অন্য সময়ে বড় সিনেমা মুক্তি দেওয়া কঠিন।

সাইফ চন্দন বলেন, “ঈদ ছাড়া কেন রিলিজ দিবো, কোথায় রিলিজ দিবো, কে দেখবে? এখানে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। এখানে আমরা সবাই কলিগ। প্রতিটি নায়ক, নায়িকা, নির্মাতা, প্রযোজক—প্রত্যেকেই আপন।”

অন্যদিকে রইদ নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন বলছেন, গত দুই বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেক নির্মাতাই নিরাপদ সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন।

তিনি বলেন, “দুই বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা গেছে। কেউই আসলে চায় না এমন একটা টাইমে রিলিজ হয়ে গেল, যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা বা অন্য কিছুর মাঝে পড়ে তার চলচ্চিত্রটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। উৎসবকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র মুক্তিকে নেতিবাচকভাবে দেখছি না। আমাদের প্রযোজকও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন পরিস্থিতি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার আসলে কোনো উপায় ছিল না। আমি তিন মাস আগেও রিলিজ দিতে পারতাম না। আবার সামনে আসছে বিশ্বকাপ ফুটবল, তাই এই সময়টাই বেছে নিয়েছি।”

সিঙ্গেল স্ক্রিনের প্রতিনিধিত্ব করে মধুমিতা সিনেমা হল–এর মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ বলেন, “এটা খুবই ব্যাড কালচার। একসঙ্গে এতগুলো ছবি ঈদে, ঈদের পর তো আমাদেরকে হলগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। তখন কী করবো? কোনো ছবি থাকে না। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা ‘রকস্টার’ দিয়ে শুরু করছি। এরপর দর্শক রেসপন্স বুঝে অন্য সিনেমাগুলো হলে তুলবো।”

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নব্বইয়ের দশকে যখন একের পর এক চলচ্চিত্র মুক্তি পেত, তখন প্রযোজক, পরিবেশক, নির্মাতা ও হল মালিকদের প্রতিনিধিত্বে একটি রিলিজ কমিটি ছিল। সেই কমিটিই ইন্ডাস্ট্রির পরিস্থিতি বিবেচনায় চলচ্চিত্র মুক্তির অনুমতি ও সমন্বয় করতো। বর্তমানে কার্যকর এমন কোনো সমন্বয় কাঠামো নেই বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো—সমন্বিত মুক্তি পরিকল্পনা। বছরে শুধু ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসার দিকে না ঝুঁকে সারা বছরজুড়ে বড় ও মাঝারি বাজেটের সিনেমা ছড়িয়ে মুক্তি দেওয়া গেলে প্রেক্ষাগৃহও সচল থাকবে, দর্শকের আগ্রহও বাড়বে। একই সঙ্গে পুনরায় একটি কার্যকর রিলিজ কমিটি গঠন করে কোন সময়ে কোন ধরনের সিনেমা মুক্তি পাবে, তার পরিকল্পনা তৈরি করা গেলে অযাচিত প্রতিযোগিতা কমবে।

তা না হলে, এক ঈদে যতই সিনেমার জোয়ার আসুক না কেন, বছরের বাকি সময়জুড়ে খালি হল আর লোকসানের চক্র থেকেই বের হতে পারবে না দেশের চলচ্চিত্র শিল্প।

Ads small one

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।

 

 

 

 

ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতির বাবার ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক যুবদল সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. আবু সাঈদ মোল্লার বাবা শামছুর রহমান মোল্লা (৮৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিডিএফ প্রেসক্লাবের নেতারা।