শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রে গাইলেন কনক দত্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রে গাইলেন কনক দত্ত

প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করলেন কনক দত্ত। ওয়ালিদ আহমেদ পরিচালিত ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের গানে তার এই অভিষেক হয়। ওয়ালিদ আহমেদের লেখা ও সুরে এবং রুবেল ফ্লাইং কাইটস এর সংগীত পরিচালনায় “হৃদয়ের জমিনে” শিরোনামের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সঙ্গীতশিল্পী কনক দত্ত বলেন, সংগীত আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অনেক বছর ধরে গান করছি, তবে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার সুযোগ এবারই প্রথম পেলাম। প্রতিটি শিল্পীর স্বপ্ন থাকে প্লেব্যাক করার। ‘ঢাকা ১২০৫’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। নির্মাতা আমার কন্ঠে আস্থা রেখেছেন তাই আমি কৃতজ্ঞ।

সংগীত পরিচালক রুবেল ফ্লাইংকাইটস বলেন, “হৃদয়ের জমিনে” গানটি একদম মনে দাগ কাটার মতে। গানটি শোনার সময় শ্রোতারা শুধু মিউজিক না পাশাপাশি এমন অনুভব করবেন যেন পুরো গানটা তারা শুনেই ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারছেন। কন্ঠশিল্পী কনক দত্ত একজন বিনয়ী গুণীশিল্পী। তার ব্যতিক্রম কন্ঠ ও চ্যালেঞ্জ নেবার দক্ষতা আমায় মুগ্ধ করেছে।

‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের পরিচালক ওয়ালিদ আহমেদ বলেন, “হৃদয়ের জমিনে” গানটির জন্য আমরা এমন একজন শিল্পী খুঁজছিলাম, যিনি সুরের পাশাপাশি গানের আবেগটিও সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারবেন। কনক দত্ত সেই কাজটি সফলভাবে করেছেন। ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের এই গানের আবহের সঙ্গে তাঁর কণ্ঠ খুব সুন্দরভাবে মিশে গেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই গানটি দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, লোকসংগীত, ধ্রুপদী ও আধুনিক গানের চর্চার মাধ্যমে কনক দত্ত সংগীতপ্রেমীদের কাছে একজন পরিচিত মুখ। এরই ধারাবাহিকতায় চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের মাধ্যমে কনক দত্তের এই যাত্রা তাঁর ক্যারিয়ারে একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করলেন। অডিও গান ও মঞ্চ পরিবেশনার বাইরে এবার বড় পর্দার দর্শকদের কাছেও তাঁর কণ্ঠ পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হলো।

প্রসঙ্গত, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিতব্য ‘ঢাকা ১২০৫’ চলচ্চিত্রের মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা ও অভিনেতা রাকিব হোসাইন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

বেতগ্রাম-কয়রা সড়ক উন্নয়ন: ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
বেতগ্রাম-কয়রা সড়ক উন্নয়ন: ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পে আশার আলো

এম.এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বেতগ্রাম থেকে তালা-পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও বাঁক সরলীকরণ কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০ শতাংশ কাজ শেষ হলে এ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

খুলনা সড়ক ও জনপথ (সওজ) দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) ৫৩৫ কোটি টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। দরপত্রের মাধ্যমে কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মোজাহার এন্টারপ্রাইজ’-এর ২০২২ সালের জুনে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও চার দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।

প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আঠারো মাইল (বেতগ্রাম) থেকে তালা উপজেলার মধ্যবর্তী অংশ এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় বিলম্ব হওয়ার পর গত জুনে পাইকগাছার কপিলমুনি বাজার অংশে বাঁক সরলীকরণের কাজ শুরু হয়। বর্তমানে কপিলমুনি ফকিরবাসা ও পাইকগাছা গোলাবাটি মোড়ের বাঁক সরলীকরণে পিচঢালাইয়ের কাজ বাকি রয়েছে।

পথচারী মনিরুজ্জামান মনির ভাষ্যমতে, দেরিতে হলেও কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোয় সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে রয়েছে। বর্ষায় বড় বড় গর্ত আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির যে যন্ত্রণা ছিল, তা অবসান হতে চলেছে।

সওজের কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পে ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক সোজা করতে ১১.২৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণে ৭১ কোটি ৮২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। তবে কপিলমুনি, গোলাবাটি, গোপালপুরসহ ১০টি পয়েন্টে জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগীদের চেকের অর্থ হস্তান্তরের পর বর্তমানে কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
পাইকগাছা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর এবং সুজন কয়রা শাখার সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম জানান, এই সড়কটি যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় উন্নয়নকাজে স্থানীয়রা সার্বিক সহায়তা দিয়েছেন।
মোজাহার এন্টারপ্রাইজের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাজন আহমেদ ও সওজের খুলনা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক জানান, চলতি মাসের মধ্যেই অবশিষ্ট সব কাজ শেষ করে সড়কটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।

 

শিকড়ী স্কুল মোড় থেকে বৈকারী বাজার সড়কের বেহাল দশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
শিকড়ী স্কুল মোড় থেকে বৈকারী বাজার সড়কের বেহাল দশা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী-কুশখালী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ শিকড়ী কাথন্ডা-বৈকারী বাজার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলের জন্য এটি প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি দিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে মাটির পথ বের হয়ে এসেছে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েই চলেছে।
প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও কৃষকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন। বৈকারী বাজারে কৃষিপণ্য পরিবহনসহ আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কাথন্ডা আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সিয়াম হোসেন ও সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশিকুজ্জামান জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন অবস্থা হলেও স্থায়ী সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে পানি জমে চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। রাতে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
ভোগান্তি নিরসনে শিকড়ী হাই স্কুল মোড় থেকে বৈকারী বাজার পর্যন্ত সড়কটি দ্রুত ও টেকসই পুনর্র্নিমাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে খানাখন্দগুলো ভরাট করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তাঁরা।

তালায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
তালায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা, আহত ৫

খলিষখালী (পাটকেলঘাটা) প্রতিনিধি: তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহজাদপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলার ঘটনায় এক বিধবাসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তালা থানায় মামলা হয়েছে (মামলা নম্বর ১০/২০২৬)।

আহত ব্যক্তিরা হলেনÑবিধবা সালমা বেগম, মনিরুল ইসলাম, ময়না খাতুন, রাশিদা খাতুন ও জাহানারা বেগম। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভ্যানযোগে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, উজ্জ্বল মোল্লার নেতৃত্বে জাকির মোল্লা, আলমগীর মোল্লা, শেখ রনি ও সুজন মোড়ল দেশীয় অস্ত্র দা, রড ও শাবল নিয়ে সালমা বেগমের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁকে কুপিয়ে জখম করা হয়। সালমা বেগমের চিৎকার শুনে মনিরুল, ময়না খাতুন, রাশিদা খাতুন ও জাহানারা বেগম এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, ঘটনাটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।