বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/জলবায়ু ঝুঁকি ও উন্নয়ন বৈষম্য নিরসনে সাতক্ষীরার ২১ দফা দাবি অবিলম্বে পূরণ হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/জলবায়ু ঝুঁকি ও উন্নয়ন বৈষম্য নিরসনে সাতক্ষীরার ২১ দফা দাবি অবিলম্বে পূরণ হোক

বাংলাদেশকে বলা হয় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রথম সারির আঘাতক্ষেত্র, আর সেই আঘাতের সবচেয়ে তীব্র ও নির্মম শিকার সাতক্ষীরাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল। সিডর, আইলা, আম্পান থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক প্রায় প্রতিটি প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে এই জনপদ। একদিকে ঝড়-জলোচ্ছ্বাস আর বেড়িবাঁধ ভাঙনের চিরস্থায়ী আতঙ্ক, অন্যদিকে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা ও আশঙ্কাজনক হারে লবণাক্ততার বিস্তার—সব মিলিয়ে সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা আজ চরম সংকটে। এই বাস্তবতায় গত বুধবার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবিসম্বলিত স্মারকলিপি পেশের ঘটনাটি কেবল সময়ের দাবি নয়, বরং এই অঞ্চলের মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার এক যৌক্তিক আকুতি।

সাতক্ষীরা জেলাটি দেশের অর্থনীতিতে যে পরিমাণ অবদান রাখে, সেই তুলনায় এখানকার টেকসই উন্নয়নের চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক। স্মারকলিপিতে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, এই জেলা বছরে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন করে খাদ্য উদ্বৃত্ত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া বিদেশে রপ্তানিযোগ্য ২৮ হাজার মেট্রিক টন চিংড়িসহ দেড় লাখ মেট্রিক টন মাছ, বিপুল পরিমাণ দুধ, শাকসবজি এবং বিখ্যাত আম ও কুল উৎপাদিত হয় এই মাটিতেই। ভোমরা স্থলবন্দর থেকে বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব এবং সুন্দরবনের মৎস্য ও বনজ সম্পদ থেকে রাষ্ট্রীয় কোষে জমা হয় বিপুল অর্থ। অথচ, অর্থনৈতিকভাবে এত অবদান রাখার পরও দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক ধরে এই জেলাটি চরম উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর টেকসই অবকাঠামোর অভাবে সাতক্ষীরার গ্রামীণ কর্মসংস্থান দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। ফলে বাড়ছে দারিদ্র্যের হার, এবং মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে হাজার হাজার মানুষ জলবায়ু শরণার্থী হয়ে ভিড় করছেন সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় কিংবা পাড়ি জমাচ্ছেন অন্য জেলায়। একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অঞ্চলের মানুষের জন্য এই বাধ্যবাধকতার চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে?
নাগরিক কমিটির ২১ দফা দাবির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী প্রস্তাবটি হলোÑসুন্দরবন উপকূলীয় এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দুর্যোগপ্রবণ এলাকা’ ঘোষণা করা এবং এই অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র ‘সুন্দরবন উপকূলীয় বোর্ড ও মন্ত্রণালয়’ গঠন করা। আমরা মনে করি, এই অঞ্চলের সংকটের ধরন দেশের মূল ভূখ-ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। তাই এর জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ এবং একটি ডেডিকেটেড মন্ত্রণালয় থাকা অত্যন্ত জরুরি।
এ ছাড়া সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত চালু করা, সাতক্ষীরা থেকে মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ, এবং ঢাকার সাথে দূরত্ব কমাতে মাওয়া-ভাঙ্গা-নড়াইল-চুকনগর-সাতক্ষীরা সড়ক বাস্তবায়ন করা এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। ভোমরা স্থলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া এবং বসন্তপুর নদীবন্দর চালু করা গেলে তা জাতীয় অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে। একই সাথে এই অঞ্চলের কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য আধুনিক হিমাগার স্থাপন এবং সুন্দরবনের ওপর নির্ভরতা কমাতে আইটি পার্ক ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এখন সময়ের দাবি।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা। সিএস ম্যাপ অনুযায়ী নদী-খালের অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং কপোতাক্ষ, বেতনা ও মরিচ্চাপ নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে না আনলে সাতক্ষীরার জলাবদ্ধতা দূর করা অসম্ভব। সামনেই বর্ষা মৌসুম। প্রতি বছর বর্ষা এলেই বেড়িবাঁধ ভাঙন আর জলাবদ্ধতায় মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষেত ভেসে যায়। আমরা আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরার সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবদান এবং ভৌগোলিক ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এই ২১ দফা দাবি অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করবেন এবং আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই উপকূলের মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সাতক্ষীরার মানুষকে আর ‘জলবায়ু শরণার্থী’ হিসেবে দেখতে চায় না দেশ।

Ads small one

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

আজ (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’।

১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানব পরিবেশবিষয়ক সম্মেলনে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে বৈশ্বিক উদ্যোগের ভিত্তি তৈরি হয়। এর ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ১৯৭৩ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে দিবসটি উদযাপিত হয়। পরিবেশ বিষয়ে জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি হিসেবে এটি পরিচিত।

দিবসটি উপলক্ষে পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা আলোচনা সভা, র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক প্রচারণার আয়োজন করেছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও পৃথক কর্মসূচি পালন করছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, নদীভাঙন, বন্যা, খরা ও ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেশের পরিবেশ, কৃষি ও জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ, বায়ুদূষণ এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ পরিবেশগত সংকটকে আরও তীব্র করে তুলছে। তাদের মতে, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগই একটি নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ এবং উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জলবায়ু ও পরিবেশের সংকট মোকাবিলা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। সরকারি-বেসরকারি খাত, গবেষক, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও জনসচেতনতার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

কলারোয়ায় নারী ও শান্তিবিষয়ক আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় নারী ও শান্তিবিষয়ক আলোচনা সভা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে নারী, শান্তি ও সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) ও অর্জন ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
নারী উদ্যোক্তা মৌসুমী সরদারের সভাপতিত্বে সভায় সামাজিক শান্তি রক্ষা এবং নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন দীপা রানী, মনিকা রানী, রঞ্জন ম-ল, প্রভা মন্ডল ও ইশিতা মন্ডল। বক্তারা তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

এক বছরে দেশে ৫২ হাজার বৃক্ষনিধন, জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ার দাবি পরিবেশবাদীদের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
এক বছরে দেশে ৫২ হাজার বৃক্ষনিধন, জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ার দাবি পরিবেশবাদীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেশে আশঙ্কাজনক হারে গাছ কাটা ও বন উজাড় রোধে একটি ‘জাতীয় বন ও বৃক্ষনিধন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্প, নগরায়ণ, শিল্পায়ন, কৃষিজমির সম্প্রসারণ এবং জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে দেশের বনভূমি ও সবুজ আচ্ছাদন ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে, যা প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদপ্তর মিলনায়তনে ‘গাছনিধন মিডিয়া মনিটরিং ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়। রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের (আরডিআরসি) কোষাধ্যক্ষ আমিনুর রসুল বাবুল অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যৌথ আয়োজক হিসেবে ছিল আরডিআরসি, গ্রীন ভয়েস, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন, ব্রাইটার্স এবং ন্যাশনাল ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম।

গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এক বছরে দেশে ৫২ হাজার ৩৭৫টি বৃক্ষনিধনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি আগের বছরের (২০২৪-২৫) তুলনায় ৭১.২ শতাংশ কম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলাভিত্তিক হিসাবে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ২৩ হাজার ৪১টি এবং কক্সবাজারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ হাজার বৃক্ষনিধনের তথ্য পাওয়া গেছে। বন ও পরিবেশ সুরক্ষায় অনুষ্ঠানে ৯ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বন আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন, টেকসই কৃষিবনায়ন সম্প্রসারণ, নগর পরিকল্পনায় সবুজ অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করা এবং বনের ওপর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, বৃক্ষনিধনের ফলে মাটিক্ষয়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়ছে। তবে আশার কথা হলো, সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে গাছ কাটার হার গত বছরের চেয়ে কমেছে। সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, আইন ও নীতিমালা থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় বৃক্ষনিধন পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। পরিবেশগত অপরাধ দমনে ইউনিয়ন পর্যায়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের সমন্বয়ক মিহির বিশ্বাস এবং গ্রিন সেভারসের প্রতিষ্ঠাতা এহসান রনিসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।