বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন রুবেল হোসেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন রুবেল হোসেন

স্পোর্টস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পেসার রুবেল হোসেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) নিজের ফেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেন তিনি।
পোস্টে রুবেল লেখেন, আমি পেসার রুবেল হোসেন। বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছি ২৭ টেস্ট, ১০৪ ওয়ানডে এবং ২৮ টি-টোয়েন্টি। জাতীয় দল আমার আবেগ। কিন্তু একটা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতেই হতো। সেই চিন্তা করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানালাম।

তিনি আরো লেখেন, আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, গণমাধ্যমকর্মী ও ভক্তদের ধন্যবাদ। বাকি সময়টাতেও এভাবেই আমাকে আপনাদের পাশে রাখবেন, এটা আমার বিশ্বাস।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও ঘরোয়া আসরে খেলা চালিয়ে যাবেন রুবেল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তবে ঘরোয়া আসরের ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

২০০৯ সালের জুলাইয়ে কিংসটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রুবেলের। অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে ১২১ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। ম্যাচটি ৯৫ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলেন রুবেল।

যদিও টেস্টের আগেই ওয়ানডে অভিষেক হয়েছিল রুবেলের। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় রুবেলের। সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০২১ সালে। এরপর আর জাতীয় দলে সুযোগ পাননি তিনি। ২০১৫ বিশ্বকাপে তার বোলিংয়েই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল বাংলাদেশ।

অন্যদিকে ২৮টি টি-২০ খেলা রুবেল সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন একই বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ২৮ ম্যাচে রুবেলের উইকেট সংখ্যা ২৮টি।

Ads small one

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে পৃথক চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় সাড়ে ১৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (১৭ জুন) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপি ও বিশেষ ক্যাম্পের টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা, ওষুধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৩ বিজিবির অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, সুলতানপুর, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের পৃথক আভিযানিক দলগুলো নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিযানে নামে।


ভোমরা বিওপির একটি বিশেষ দল সীমান্ত পিলার ২/৬-এস থেকে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানার আনসারের মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা জব্দ করে।
কাকডাঙ্গা বিওপির দুটি পৃথক দল কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি এলাকা থেকে ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ জব্দ করে।
মাদরা বিওপির দল উত্তর ভাদিয়ালি থেকে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং হিজলদী বিওপির দল বড়ালি এলাকা থেকে ১ লক্ষ ১২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল পার্টস উদ্ধার করে।
সুলতানপুর বিওপির সদস্যরা কলারোয়া থানার বর্মিতলা থেকে ৭০ হাজার টাকার ওষুধ এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের একটি দল সাতক্ষীরা সদরের কামারবাইশা এলাকা থেকে ৩ লক্ষ ৯০০ টাকা মূল্যের মোবাইল পার্টস জব্দ করতে সক্ষম হয়।


সব মিলিয়ে অভিযানে সর্বমোট ১৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল আটক করা হয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান (ওএসপি, পিএসসি) জানান, চোরাকারবারিরা শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। এসময় বিজিবি সদস্যরা এসব মালামাল জব্দ করে।

শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বুধবার (১৭ জুন)উপজেলার সুবিধা বঞ্চিত ও কেস ম্যানেজমেন্টকৃত শিশু ও তার পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে চাইল্ড সেনসিটিভ সোসাইল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ ফেইজ-২ এর সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের একশত শিশু ও তার পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দোলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন সমাজে পিছিয়ে পড়া ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা শিশুদের সুরক্ষা,শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো কাজ করছে। ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণের মাধ্যমে এসব পরিবারে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

সংবাদদাতা: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক ও জনবান্ধব করতে সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লেকভিউ রিসোর্টে উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে বুধবার সকালে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ২৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল পৌরসভার প্রতিনিধিদের রূপকল্প প্রণয়ন, পরিকল্পনা ও বাজেট প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা, যাতে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ, টেকসই ও জনগণমুখী হয়ে ওঠে। কর্মশালায় পৌরসভার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রক্রিয়া, স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালার বাধ্যবাধকতা এবং বাস্তবায়ন কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি পরিস্থিতি বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদা নিরূপণ এবং তা উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট রঞ্জন কুমার ঘোষ এবং স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট এক্সপার্ট সাঈদ মাহাদি। তারা অংশগ্রহণকারীদের স্থানীয় সরকার কাঠামোর গুরুত্ব, আইনগত বিষয়াবলি, উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কৌশল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
কর্মশালার সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন রূপান্তরের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কোঅর্ডিনেটর মোছা. জোহুরা খাতুন মীরা। দলীয় আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি প্রাণবন্ত ও কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম. এম. নুর আহমদ, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানসহ পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের প্রশাসনিক ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রূপকল্প প্রণয়নের প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী করা সম্ভব হবে।