মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

আশাশুনি উপকূলে ৩শ পরিবারের মাঝে ১০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনি উপকূলে ৩শ পরিবারের মাঝে ১০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় ৩০০ পরিবারের মাঝে ১০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে আশাশুনি উপজেলা অ্যাডাপটেশন ক্লিনিক প্রাঙ্গণে ব্র্যাক এর ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন প্রোগ্রামের (সিইআইপি) আওতাধীন ‘রেইন ফর লাইফ’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু।

ব্র্যাকের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন প্রোগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের অপারেশন ম্যানেজার মো. সফিকুর রহমান স্বপন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান, ব্র্যাকের কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম, কাজী এনামুল হক এবং সেক্টর স্পেশালিস্ট (কৃষি) মো. শাহীন হোসেনসহ ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগীরা।

আয়োজকরা জানান, আশাশুনি উপজেলার বড়দল, বুধহাটা, কাদাকাটি ও কুল্লা ইউনিয়নের প্রায় ৩০০টি পরিবারের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। এসব চারা বসতভিটা ও আশপাশে রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পরিবারের অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

Ads small one

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত ঘর ভাংচুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার নাকতাড়া কালীমন্দিরের পুকুরঘাটে নবনির্মিত একটি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শ্রীউলা গ্রামের চা ব্যবসায়ি ইমরানের নেতৃত্বে এ হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়।

নাকতাড়া কালীবাড়ি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, নাকতাড়া কালী মন্দিরের নামে ১৪ শতক দেবত্ব সম্পত্তি ছাড়াও স্থানীয়দের দেওয়া পুকুরের ৫৯ শতক ও ৫৫ শতক ডাঙা জমি মন্দিরের নামে বর্তমানে রেকর্ড রয়েছে। শ্রীউলার আবুল হোসেন ঘোলা-আশাশুনি সড়কের কালীমন্দির সংলগ্ন কিছু জমি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করে ইমরান হোসেন ও মনিকে ভাড়া দেন। ইমরান চায়ের দোকান ও মনি মোবাইল সার্ভিসিং এর দোকান পরিচালনা করে আসছে।

আশাশুনির নাকতাড়া কালীমন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বজল কুমার মিত্র জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী কালীমন্দিরের প্রধান ফটক ও পুকুর ঘাট ভাংচুর করে একটি বিশেষ মহল। স্থানীয় বিএনপি নেতা অ্যাড. নুুরুল আমিন ও সরকারী কৌশুলী অসীম কুমার ম-লের সহযোগিতায় ওই পুকুরঘাট আবারো সংস্কার করা হয়। গত চৈত্র মাসে ওই পুকুর এসকেবেটর মেশিন দিয়ে খনন করার সময় পুকরঘাটটি আবারো ভেঙে যায়। নারীদের ¯œানের সুবিধার্থে সোমবার বিকেলে একটি নতুন ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করে তারা যার যার মত বাড়ি চলে যান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চায়ের দোকানদার ইমরান দোকান মালিক দাবিদার আবুল হোসেনের নির্দেশে ৮/১০জন লোক নিয়ে নবনির্মিত ওই ঘরের এসবেস্টার্স ও প্রাচীর ভাংচুর চালায়।

 

বিষয়টি নাকতাড়া বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি ও শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ পুলিশকে অবহিত করা হয়। সন্ধ্যায় আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক সেলিমসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মন্দিরে এলে ইমরান পালিয়ে যায়। পুলিশের নির্দেশনায় আব্দুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ^াস দেওয়ায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। মঙ্গলবারের মধ্যে সমস্যা সমাধান না হলে বুধবার তারা থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন।

এ ব্যাপারে আবুল হোসেনের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাড়াটিয়া ইমরান সাংবাদিকদের জানান, পুকুরঘাটে যেখানে নতুন ঘর বানানো হয়েছে তা মন্দিরের রেকডীয় হলেও মালিক আবুল হোসেনের দখলে ছিল। তাই আবুল হোসেনের নির্দেশে তিনি লোকজন নিয়ে ঘর ভেঙে দিয়েছেন।

শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও নাকতাড়া কালীবাড়ি বাজার পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহম্মেদ খান মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদককে জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ও লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

কলারোয়ার দুই সাংবাদিক সংগঠনকে এমপি ইজ্জত উল্লাহর আর্থিক অনুদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার দুই সাংবাদিক সংগঠনকে এমপি ইজ্জত উল্লাহর আর্থিক অনুদান

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষ থেকে কলারোয়ার দুই সাংবাদিক সংগঠন-কলারোয়া প্রেসক্লাব ও কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষে অনুদান প্রদান করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাঃ কামারুজ্জামান।

এ সময় তিনি বলেন, সমাজে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা ও উৎসাহ প্রদান সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তিনি সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের প্রতি শুভেচ্ছা ও সহযোগিতার বার্তা পৌঁছে দেন।

কলারোয়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের আহ্বায়ক তৌফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহ্বায়ক এম. এ. সাজেদ, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু এবং প্রধান শিক্ষক রাশিদুল হাসান কামরুলসহ অন্যান্য সদস্যরা।

অন্যদিকে কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহ-সভাপতি এস. এম. জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম. এ. আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফারুকী, দপ্তর সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ রিপন, প্রচার সম্পাদক ফারুক হোসেন রাজ এবং নির্বাহী সদস্য মোর্তুজা হাসানসহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা এ সহযোগিতার জন্য সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের কল্যাণ ও পেশাগত উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

 

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে আলমগীর হোসেন ও শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রওশন আরা রুবি। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন সুলতানপুর গ্রামের মৃত ফজলুর কাদেরের স্ত্রী রওশন আরা রুবি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটা উপজেলার বালিথা ও বিল শিমুলবাড়িয়া মৌজার ‘ধাপার ঘের’-এ তাঁদের এসএ ও বিএস খতিয়ানভুক্ত মোট ৮ দশমিক ৩৩ একর পৈত্রিক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর স্বামী ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করার পর অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে চাচা শ্বশুর আবুল কাশেমের উত্তরাধিকারীরা, যার মধ্যে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত শরিফুল ইসলাম ও মামলাবাজ আলমগীর হোসেন রয়েছেন, জোরপূর্বক ওই সম্পত্তি দখল করে ভোগদখল শুরু করেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৮ সালে তাঁরা নিজস্ব সম্পত্তিতে পুনরায় দখল নেন এবং বর্তমানে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। এরপর প্রতিপক্ষ একাধিক মামলা দায়ের করলেও পর্যায়ক্রমে বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তিনি দাবি করেন, উচ্চ আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ এখনো বহাল রয়েছে এবং এ অবস্থায় নিম্ন আদালতও মামলার কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আদালতে সুবিধা করতে না পেরে প্রতিপক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করছে এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে তাঁদের সহযোগী মো: আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার চার্জশিট রয়েছে (মামলা নং- ৭, তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৫)। মামলার দিন আগামী ১২/৮/২০২৬। এছাড়া দেবহাটা থানায় শরিফুলদের অন্যতম সহযোগী আলমগীর, রনিসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে (মামলা নং-১৬/২৫)। মামলার দিন আগামী ০২/৯/২০২৬। এসব তথ্য গোপন রেখে একটি দলীয় পরিচয় ব্যভহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে জমি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এ ঘটনায় মাননীয় পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন রওশন আরা রুবি।