বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী ও ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার চার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী ও ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার চার

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইন মামলার আসামি, ধর্ষণ মামলার আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-আশাশুনি উপজেলার বালিয়াপুর গ্রামের মৃত ছৈলুদ্দীন সরদারের ছেলে মো. জলিল সরদার (৬৪)। তিনি সাতক্ষীরা জেলা মৎস্যজীবী লীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার মামলা নং-২২, তারিখ ২১ জুন ২০২৬, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৬/৭/ ৮/৯/ ১০/১১/ ১২/১৩ ধারায় মামলা রয়েছে।

দ্বিতীয়জন বেউলা গ্রামের মো. শাহাজান আলীর ছেলে মো. রায়হানুজ্জামান। তিনি পি.ডি. নং-২৬৮/২৫ মামলায় তিন মাসের বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

তৃতীয়জন উত্তর চাপড়া গ্রামের মো. জেনারুল সরদারের ছেলে মো. আল আমিন (২৪)। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা আশাশুনি থানার মামলা নং-১৫, তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫)-এর ৯(খ) ধারার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চতুর্থজন আশাশুনি সদরের মৃত মো. জাকাত আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ। তিনি সিআর নং-৩৪০/২৬ মামলার আসামি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওসি শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে চারজনকেই পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Ads small one

আশাশুনির ১০৬ দুর্গাপূজা মন্দিরে ৬৩ টন ৬০০ কেজি চালের ডিও প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
আশাশুনির ১০৬ দুর্গাপূজা মন্দিরে ৬৩ টন ৬০০ কেজি চালের ডিও প্রদান

oplus_2

আশাশুনি প্রতিনিধি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ১০৬টি পূজাম-পে সরকারি অনুদান হিসেবে ৬৩ টন ৬০০ কেজি চালের ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে বরাদ্দের ডিও তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্কে আপনাদের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা প্রচার করা হয়ে থাকে, যা সম্পূর্ণ অমূলক। পৃথিবীতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আমরা সবাই মানুষ এবং পরস্পরের ভাই। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন। দেশ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায়ও আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে তাঁর মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন মন্দির ও শ্মশানের উন্নয়নে ৫২ লাখ টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, নায়েবে আমির নুরুল আফছার মুর্তজা, পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি নীলকণ্ঠ সোম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এসকে হাসান, পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের সভাপতি তুষার কান্তি বোস এবং প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি বিভিন্ন পূজাম-পের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে সরকারি বরাদ্দের চালের ডিও তুলে দেন। একই স্থানে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডুর সভাপতিত্বে এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অপর একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন। এ সময় আগের অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন অতিথির পাশাপাশি উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবু জাহিদ সোহাগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন দুটি পূজাম-পের কমিটির সভাপতির হাতে চালের ডিও তুলে দেন।

 

ডুমুরিয়ায় ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
ডুমুরিয়ায় ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

Oplus_16908288

পত্রদূত ডেস্ক: ডুমুরিয়ায় ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মিলন কুমার ভদ্র (৫৩) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি দ্রুত পালিয়ে যায়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালের দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গুটুদিয়া এসিজিবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মিলন কুমার ভদ্র ডুমুরিয়ার শোভনা ইউনিয়নের গাবতলা এলাকার উপেন্দ্রনাথ ভদ্রের ছেলে। তিনি গাবতলা বাজারে স্বর্ণ ব্যবসার পাশাপাশি নার্সারি ব্যবসাও করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেল চালিয়ে খুলনা শহরের উদ্দেশে রওনা হন মিলন ভদ্র। মহাসড়কের এক পাশে সংস্কার কাজ চলায় তিনি অপর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা ইমাদ পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮৮৩৬) তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়।

 

এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। মিলন কুমার ভদ্রের আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, স্বজন ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

 

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬-এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় পদোন্নতিপ্রত্যাশী পুলিশ সদস্যদের চাকরির খতিয়ান বই পর্যালোচনা ও প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এএসআই (নিরস্ত্র) থেকে এসআই (নিরস্ত্র) এবং কনস্টেবল/নায়েক থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতির লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা পরিচালনা ও মূল্যায়ন বোর্ডের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. মিরাজুল ইসলাম, পিপিএম; সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মিথুন সরকার এবং পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র) মো. নাজমুল হক মোল্লা।

পরীক্ষার অংশ হিসেবে পরীক্ষার্থীদের চাকরির খতিয়ান বই পর্যালোচনা এবং প্যারেডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের নির্ধারিত মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

এ পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ধারিত পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনাধীন সদস্যদের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা হয়।