সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঐতিহ্যের গুড়পুকুর মেলায় উপচে পড়া ভিড়, বিকেল হলেই নামে জনস্রোত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যের গুড়পুকুর মেলায় উপচে পড়া ভিড়, বিকেল হলেই নামে জনস্রোত

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস: দুই বছর পর আবার ফিরেছে সাতক্ষীরার প্রায় তিনশত বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলার উৎসবমুখর আমেজ। ১ অক্টোবর থেকে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে শুরু হওয়া এই মেলাকে ঘিরে প্রতিদিন জমছে নানা বয়সী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কেনাকাটা, ঘুরতে আসা আর তরুণ-তরুণীদের বাঁধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে উঠলেও, শুরুর মাত্র চার দিনের মাথায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ও নিরাপত্তা সংকট নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে দর্শনার্থীদের মধ্যে। বিকেল হলেই নামে জন¯্রােত।

মেলা চলাকালে পার্কজুড়ে দর্শনার্থী ও তরুণ-তরুণীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি চোখ পড়ার মতো। নানা রঙের স্টল ঘুরে দেখা এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার উপভোগ করার মাধ্যমে মেলা প্রাঙ্গণ ফিরে পেয়েছে তার পুরোনো প্রাণচাঞ্চল্য। আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে এই উৎসবমুখর পরিবেশের আড়ালে দ্রুত দানা বাঁধছে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক। মেলার প্রথম চার দিনেই নারীঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে দুটি পৃথক হেনস্তা ও মারামারির অভিযোগ উঠেছে।

১ অক্টোবর মেলা শুরুর দিনই এক নববিবাহিত দম্পতি কিশোর গ্যাংয়ের হাতে হেনস্তা ও মারধরের শিকার হন। স্টল ঘুরে দেখার সময় কয়েকজন বখাটে তরুণ তাদের পথরোধ করে পরিচয় জানতে চায়। স্ত্রী পরিচয় দেওয়ার পরও ফোন কল করা এবং জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে ওই তরুণকে শারীরিকভাবে প্রহার করা হয়, যার একটি দৃশ্যচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভুক্তভোগী তরুণের ভাষ্য, নিরুপায় হয়ে অন্যায়ের শিকার হতে হয়েছে তাদের; এভাবে চলতে থাকলে পরিবার নিয়ে মেলায় আসা বন্ধ হয়ে যাবে।

এর পর ৩ অক্টোবর রাতে মেলা প্রাঙ্গণে নারীঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোরদের দুপক্ষের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনার পর সন্তান ও পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে তীব্র নিরাপত্তার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মেয়ের নিরাপত্তার চিন্তায় মেলায় আসার আগ্রহ কমে যাওয়ার কথা জানান ঘুরে দেখতে আসা অভিভাবক কিরণময় সরকার। একইভাবে ধারালো অস্ত্রের উপস্থিতি ও সংঘর্ষের ভয়ে মেলায় ঢুকতে সংকোচ প্রকাশ করেন কলেজশিক্ষার্থী চয়ন মন্ডল।

স্থানীয় সমাজচিন্তক ও সচেতন মহল মেলার এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো বখাটেদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে শতবর্ষী এই ঐতিহ্যবাহী মেলার সুনাম ক্ষুণœ হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বৃদ্ধি ও অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন সমাজকর্মীরা। একই সঙ্গে ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে আসা পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছেন স্থানীয় নাগরিক নেতারা।

সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেলা উপলক্ষে পোশাকধারী পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা নজরদারি চালাচ্ছেন। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

মেলা প্রাঙ্গণে ফিরে আসা প্রাণোচ্ছলতা ও তরুণ-তরুণীদের আনন্দ যেন বখাটেদের অপতৎপরতায় ভেস্তে না যায়, সে জন্য বাকি দিনগুলোতে প্রশাসন সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করবেÑএমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় দর্শনার্থীদের।

 

Ads small one

দেবহাটায় সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে মন্দিরের জমি দখলের হুমকি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে মন্দিরের জমি দখলের হুমকি

সংবাদদাতা: জমি দখল করতে ৮৯ বছরের মন্দিরের সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে সংখ্যলঘুদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের পাইকাড়া সার্বজনীন কালীমাতা ও রাধা গোবিন্দ মন্দিরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পাইকাড়া সার্বজনীন কালীমাতা ও রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ কুমার রায় জানান, ব্রিটিশ শাসনামলে জমিদার কৃষ্ণকিশোর বন্দোপাধ্যায় সিএস ৩২ খতিয়ানের ২৭৮৫ দাগের এক একর জমিতে ১৯৩৭ সালে এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। একতলা বিশিষ্ঠ মন্দিরের বারান্দার চারিধারে বাঁশের চটার রেলিং রয়েছে। মন্দিরের পূর্ব পাশে পাকা প্রাচীর দেওয়া ছিলো। মন্দিরের জায়গাটুকু বাদ দিয়ে বাকী জমিতে ক’টি মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই মন্দিরে পুজা অর্চনা ছাড়াও ঘেরে গলদা, বাগদা, রুই , কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন। ওই জমি ক্রয়সূত্রে দাবি করে বাবর আলী ফকির আদালতে দেঃ ১/৯৫ মামলা করলে ১৯৯৬ সালের ৩ এপ্রিল তা খারিজ হয়ে যায়।
অনিমেষ কুমার রায় আরো জানান, সম্প্রতি মন্দিরের ৯৯ শতক জমির মধ্যে ৮৫ শতক জমি মাটিকুমড়া গ্রামের কলিমউদ্দিনের ছেলে আজিবর রহমান ও মুজিবর রহমানের কাছ থেকে পাইকাড়া গ্রামের বাবুরালী গাজীর ছেলে মাহামুদুল হাসান, জামাল ফারুক ও জামাল ফারুকের স্ত্রী রওশানারা খাতুন কিনেছেন দাবি করে মন্দির কর্তৃপক্ষকে জমি ছেড়ে দিতে বলে। প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় ওই জমি দখলে নেওয়ার হুমকি দেয় বাবুরালী গাজী ও তার ছেলেরা। বাধ্য হয়ে তার (অনিমেষ) জ্যাঠাত ভাই তপন রায় বাদি হয়ে গতবছরের ৬ মার্চ সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে পিটিশন ৩৩৩/২৫ নং মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাবুরারী গাজীসহ তার ছেলে মাহামুদুল হাসান, জামাল ফারুক ও জামাল ফারুকের স্ত্রী রওশানারাসহ কয়েকজনকে বিবাদী করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২৫ মার্চ গভীর রাতে জনাব আলী গাজীর ছেলে বাবুরালী গাজীর নেতৃত্বে তার ছেলে জামাল ফারুক, মাহামুদুল হাসান, নজরুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা ৩৫/৪০ জন সন্ত্রাসী হাতে দা, লাঠি, শাবল, লোহার রড, বাঁশের লাঠি নিয়ে মন্দিরের চারিপাশের বাঁশের বেড়া ও পূর্ব পাশের ইটের প্রাচীর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। পরে তারা বেড় জাল দিয়ে গলদা ও বাগদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির লক্ষাধিক টাকার মাছ লুটপাট করে। ভাংচুর ও লুটপাটে বাধা দেওয়ায় তিনজন নারীসহ ছয়জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে গতবছরের ১৫ জুলাই মন্দিরের পুকুর ও ঘের থেকে তাদের চাষকৃত মাছ ধরে নিলে জামাল ফকির বাদি হয়ে আদালতে সিআরপি-১৪৬/ ২৬ নং মামলা করা হয়। মামলায় হীরুলাল,প্রভাস রায়সহ চারজনকে বিবাদী করা হয়।পিবিআই কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান দুটি দলিলের ফটোকপি মূলে জালাল ফারুক ৫৮০৩ দাগের ৩৫ শতক জমি দাবি করলেও ওই জমি ও পুকুরে বিবাদীগণ মাছ চাষ ও বিক্রি করে বলে উল্লেখ করেন। এরপরও তিনি ভূমি অপরাধ প্রতিকার ও প্রতিকার আইনের তিনটি ধারায় ও পেনাল কোর্ড এর ১৪৩ ও ৫০৬ ধারা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দিলে সমন পেয়ে সোমবার আদালত থেকে জামিন নেন। এতে ক্ষুব্ধ জামাল ফারুক, মহিদ, বাবর আলী, মিন্টু, এলা ঢালীসহ ১০/১২ জন সোমবার বিকেলে মন্দিরের সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে জমি জবরদখলের হুমকি দিয়ে চলে যায়। ৯৯৯ এ ফোন দিলে দেবহাটা থানার উপপরিদর্শক বিপ্লবের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পাইকাড়া গ্রামের জামাল ফারুক বলেন, জমি কিনেছেন তাই দখল করতে সাইনবোর্ড তুলে ফেলেছেন।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীন আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনজীবীর স্ত্রী ও শালিকাসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
আইনজীবীর স্ত্রী ও শালিকাসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে এক আইনজীবীর স্ত্রী ও শালিকাসহ পাঁচজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ৫ অক্টোবর বিকেলে পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত গৃহবধূ সোনিয়া আফরিন (৩০) ও তাঁর বোন সাফিও খাতুনকে (৩২) সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোনিয়া আফরিনের স্বামী আইনজীবী মো. সাইফুল্লাহ গণী বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার ও বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল সকালে পুরাতন সাতক্ষীরা মাদ্রাসাপাড়া এলাকার ফারুক হোসেন, তাঁর স্ত্রী উম্মে কুলসুম, ছেলে ফাহিম ও রবিউল ইসলামসহ আসামিরা বাদীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। ওই ঘটনায় ৩ মে আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হলে আদালতের নির্দেশে পরদিন সদর থানা পুলিশ সেটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে। ওই মামলার জের ধরে আসামিরা ক্ষুব্ধ হয়ে বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করতে থাকেন।
এরই ধারাবাহিকতায় ৫ অক্টোবর বিকেল পাঁচটার দিকে সোনিয়া আফরিন ও তাঁর বড় বোন সাফিয়া খাতুন বাড়ির সামনের রাস্তায় বের হলে ওত পেতে থাকা আসামিরা ধারালো দা, লোহার রড ও শাবল নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। হামলায় সোনিয়া ও সাফিয়া গুরুতর জখম হন। এ সময় তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে মিজান ও মইনুল ইসলামকে পিটিয়ে জখম করা হয়। বাধা দিতে গেলে মিজানের স্ত্রী মমতাজকেও (৩০) লোহার রড দিয়ে পেটানো হয়। এ ছাড়া হামলাকারীরা সোনিয়া আফরিনের গলা থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আসামিরা স্থান ত্যাগ করেন। গুরুতর আহত সোনিয়া আফরিন ও সাফিয়া খাতুনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে মমতাজ, মিজান ও মইনুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটিতে থানায় মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।

আশাশুনিতে নবাগত ওসি শাহিদুর রহমানের যোগদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে নবাগত ওসি শাহিদুর রহমানের যোগদান

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন শাহিদুর রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি আশাশুনি থানায় যোগদান করেন। আশাশুনিতে ওসি হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিসাবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি’র দায়িত্বে ছিলেন। নবাগত অফিসার ইনচার্জ যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার কৃতি সন্তান। (ওসি) শাহিদুর রহমান ২০১২ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। নবাগত (ওসি) সোমবার বিকাল ৪টায় আশাশুনি থানায় পৌঁছে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই লক্ষণ চন্দ্র দাসের কাছ থেকে চার্জ বুঝিয়ে নেন। এসময় থানার এসআই ফিরোজ আলম, আনজির হোসেন, কামরুল ইসলাম কাছেদ মুন্সী, মিনহাজ উদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা নবাগত ওসিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। যোগদানের পর ওসি শাহিদুর রহমানের বলেন, পুলিশ ও জনতার সম্পর্ক হবে বন্ধুর মতো। জনসাধারণের যে কোনো প্রয়োজনে পুলিশ সহায়তা দিতে বদ্ধপরিকর। আশাশুনি থানা এলাকায় সকল অপরাধমূলক কর্মকা-সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম কর্মীসহ সকল শ্রেণীপেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।