সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

কপোতাক্ষ তীরে ৩৮ বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে খান নাজমুল পাবলিক লাইব্রেরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
কপোতাক্ষ তীরে ৩৮ বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে খান নাজমুল পাবলিক লাইব্রেরি

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: বইয়ের পাতায় জ্ঞানচর্চা আর অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে শিক্ষার বিস্তারে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে একটি গ্রামীণ পাঠাগার। ঘরের কাঠের আলমারিতে যতœ করে রাখা নানা বিষয়ের বই, টেবিলের ওপর ছড়ানো পত্রপত্রিকা ও পড়াশোনার উপকরণ—ক্ষুদ্র এই পরিসরেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে এক নীরব জ্ঞানচর্চা।
সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কপোতাক্ষ নদীর তীরের ইসলামকাটি গ্রামে অবস্থিত খান নাজমুল পাবলিক লাইব্রেরি। ১৯৮৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে ৩৮ বছর পার করেছে। দীর্ঘ এই সময়ে সমাজে অনেক পরিবর্তন এসেছে, বদলেছে শিক্ষাব্যবস্থা, বেড়েছে প্রযুক্তির ব্যবহার। তবে তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগেও বই আর পাঠাগারের গুরুত্ব হারায়নি; বরং তালাই উপজেলার শিক্ষাবিস্তারে এই লাইব্রেরি আজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
শুধু বই পড়ার সুযোগ নয়, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বাইসাইকেল প্রদান, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং পাঠকদের নিয়ে নানা শিক্ষামূলক কর্মকা- পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
লাইব্রেরির ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে পুরোনো ও নতুন বইয়ের নানা সংগ্রহ। স্থানীয় এক শিক্ষকের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই লাইব্রেরিটি এখন কেবল বই পড়ার স্থান নয়, বরং এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। লাইব্রেরিটির কার্যক্রম পরিদর্শন করে এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সংসদ সদস্য, সেনাবাহিনীর কর্মরত কর্মকর্তা ও বিসিএস ক্যাডারের একাধিক কর্মকর্তা। গ্রামীণ পরিবেশে শিক্ষা প্রসারের এই উদ্যোগকে তারা আলোর পথ দেখাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

Ads small one

শ্যামনগরে দুস্থদের আর্থিক সহায়তা দিল উপজেলা পরিষদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে দুস্থদের আর্থিক সহায়তা দিল উপজেলা পরিষদ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে হতদরিদ্র ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর মধ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পক্ষে সহায়তার এই অর্থ হস্তান্তর করেন কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন।
উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিজন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। ১০ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৫৫ জন দুস্থ ব্যক্তির মধ্যে এই অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার বাদঘাটা গ্রামের পঙ্গুত্ববরণকারী আব্দুল হামিদ ও মানিকপুর গ্রামের বৃদ্ধা সুফিয়া বেগমসহ কয়েকজনের হাতে এই অর্থ তুলে দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকজন অসচ্ছল ব্যক্তিকে এই সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

শ্যামনগরে গুড নেবারসের দুর্যোগ সহনশীলতা প্রকল্পের সূচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে গুড নেবারসের দুর্যোগ সহনশীলতা প্রকল্পের সূচনা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে জাপানভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা গুড নেবারসের তিন বছর মেয়াদি একটি প্রজেক্ট ইনসেপশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে গুড নেইবারস বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড বার্টিন গোমেজের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় বাঁধে এক লাখ গাছ লাগানোর মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক প্রকল্পের সফলতা কামনায় সব ধরনের প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গুড নেইবারস জাপানের এশিয়া সেকশন ম্যানেজার মিয়ুকি সুজিই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন অংশীজনের উপস্থিতিতে ফিতা কেটে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করা হয়।

জেলায় ৮৩ হাজার হেক্টরে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
জেলায় ৮৩ হাজার হেক্টরে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা

 

এম শফিকুল ইসলাম: অনুকূল আবহাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে পুরোদমে শুরু হয়েছে রোপা আমন ধানের আবাদ। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসজুড়ে বীজতলা থেকে চারা তুলে মাঠে লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় ৮৩ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এতে সম্ভাব্য চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭০ মেট্রিক টন। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষকেরা জানান, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, কীটপতঙ্গের আক্রমণ ও রোগবালাই রোধে কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। এ ছাড়া সারের কৃত্রিম সংকট এড়াতে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।