মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

‘কিডাল্টিং’: পলায়ন না কি জেন-জি’র টিকে থাকার লড়াই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
‘কিডাল্টিং’: পলায়ন না কি জেন-জি’র টিকে থাকার লড়াই

উগ্র ডানপন্থি আদর্শ, অ্যালগরিদমের তৈরি ঘৃণা আর ডিজিটাল কোন্দলে ভরা এক চরম অশান্ত সময়ে বড় হচ্ছে আজকের তরুণ প্রজন্ম বা ‘জেন-জি’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেখানে শান্তির বার্তা ছড়ানোর কথা ছিল, সেখানে তা এখন পরিণত হয়েছে একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশের হাতিয়ারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কট্টরপন্থার ছড়াছড়ি দেখা গেছে গত কয়েক বছরে। পূর্ব থেকে পশ্চিম, সবখানেই আজ বিভাজনের রাজনীতি। এমন এক বৈরী ও খণ্ডবিখণ্ড বাস্তবতায় টিকে থাকতে এই প্রজন্মের তরুণেরা বেছে নিচ্ছে এক অভিনব পথ, যাকে বলা হচ্ছে ‘কিডাল্টিং’।

সহজ কথায়, প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও অবিকল শিশুদের মতো আচরণ বা জীবনযাপনে স্বস্তি খোঁজা। জেন-জি তরুণেরা এখন নরম তুলতুলে খেলনা জমিয়ে রাখছে, শৈশবের কার্টুনগুলো বারবার দেখছে, লেগো দিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ বানাচ্ছে কিংবা ডিআইওয়াই পেইন্টিং করছে। এই আচরণ কেবল বাস্তবতা থেকে পালিয়ে বেড়ানো বা পলায়নপরতা নয়; বরং মানসিকভাবে টিকে থাকার এক লড়াকু কৌশল। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের ভেতরের ক্ষতগুলো সারিয়ে তোলার চেষ্টা করছে।

যেমন লন্ডনের বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘জেলিকেট’ এমন এক ভালোবাসার জগত তৈরি করেছে, যেখানে খেলনা পুতুলেরা যেন সত্যি সত্যি শ্বাস নেয়, বাঁচে এবং তাদের যত্ন নেওয়া হয়। তরুণরা এসব খেলনার জন্মনিবন্ধন সনদ বানাচ্ছে, নাম দিচ্ছে। যেমন এক ১৯ বছর বয়সী তরুণ তার প্লাশ টয় অক্টোপাসের নাম দিয়েছেন ‘টোটো’। এই অস্থির অর্থনীতি ও বৈরী সময়ে এই টোটোই হয়ে উঠেছে তার মানসিক আশ্রয়।

শুধু খেলনাই নয়; মার্ডার মিস্ট্রি গেম, এস্কেপ রুম বা লেগো ব্লগের মতো কাল্পনিক দুনিয়ায় ডুবে থাকছে তারা। এই খেলায় কোনও পাসপোর্ট লাগে না, কোনও ভেদাভেদ থাকে না। যখন দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কোনও খেলনা পুতুলের অস্তিত্বকে মনেপ্রাণে মেনে নেয়, তখন একে অপরকে ‘শত্রু’ বা ‘আলাদা’ ভাবা কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে এই ‘কিডাল্টিং’ বা শৈশবের নস্টালজিয়ায় ফেরার আন্দোলনের মধ্যেও একটি বড় বৈষম্য রয়েছে। এই আবেগীয় বিপ্লব তখনই সফল হবে, যখন সবার শৈশবের স্মৃতিগুলো সমান বা অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। এক শিশু যখন ট্রাম্পোলিনে খেলবে আর অন্য শিশু শুধু পাথর আর লাঠি নিয়ে পড়ে থাকবে, তখন এই স্মৃতি দিয়ে বিভেদ দূর করা সম্ভব নয়।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে।

Ads small one

সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত এবং নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যে একযোগে চারটি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ৩১ আগস্ট সুন্দরবনে সক্রিয় এসব বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ৫২ জন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র‌্যাব-৬ সদর দপ্তর, খুলনা থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বনজীবী ও স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু ও বনদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণকারীদের কয়েকজনের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়।

একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে। র‌্যাব-৬সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদরের তালতলা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর পরিচয় মিলেছে। তিনি সাতক্ষীরা শহরতলীর খেলারডাঙগী এলাকার মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর বেগম (৩৪)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালতলা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

সূত্রে জানাগেছে, মাগুরা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের দোকানের কর্মচারী তালতলা গ্রামের এরফান আলীর ছেলে ভ্যান চালক শরিফুল ইসলাম তার ভ্যানে বালু লোড দেওয়ার এক পর্যায়ে মুকুলের রড-সিমেন্টের দোকানের পিছনে প্রসাব করতে বসেন।

 

এসময় বিলের মধ্যে এক নারীর লাশ দেখতে পেয়ে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে জানান। আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো বোরখা পরিহিত নারীর লাশ পানিতে ভাসতে দেখে সদর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

 

খবর পেয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান’র নেতৃত্বে পুলিশ ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেন। এসময় ঘটনা স্থল থেকে পুলশ একটি এন্ড্রয়েড ফোন উদ্ধার করে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় লাশটি কহিনুর বেগমের।

 

ইতোমধ্যে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারন উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুরে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদের উদ্যোগে সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বাদ মাগরিব থেকে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে এই বিশেষ মাহফিল শুরু হয়।

 

মাওলানা রোকনুজ্জামান বিপ্লবের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ। মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুমহান জীবন ও আদর্শের ওপর বিস্তারিত আলোচনা পেশ করেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা আফজাল হোসেন জিহাদী।

 

এ ছাড়া মাহফিলে বিশেষ বক্তা হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে আলোচনা করেন হাফেজ মাওলানা হাবিবুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেবৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত ছিলেন। মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি