মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

গুড়পুকুরের মেলায় নাগরদোলা-ঘোড়া-ট্রেনে মেতে উঠেছে শিশুরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
গুড়পুকুরের মেলায় নাগরদোলা-ঘোড়া-ট্রেনে মেতে উঠেছে শিশুরা

মিলন বিশ্বাস: জমে উঠেছে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলা। সকাল থেকে মেলার মাঠে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের ভিড়। তবে মেলার সবচেয়ে বেশি আনন্দ যেন শিশুদের চোখেমুখে। নাগরদোলা, ঘোড়া, শিশুদের ট্রেন, রঙিন খেলনা আর বেলুন-সবকিছু ঘিরেই তাদের উচ্ছ্বাস।

নাগরদোলা ঘুরছে আপন গতিতে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছে শিশুদের আনন্দ। কেউ বাবার হাত ধরে টানছে, ‘ওইটাতে উঠব।’ কেউ মায়ের কাছে আবদার করছে পছন্দের খেলনা কিনে দেওয়ার জন্য। কোথাও ঘোড়ার টগবগ ছুট, কোথাও শিশুদের ট্রেনের হুইসেল। চারপাশে রঙিন বেলুন, খেলনা ও বাহারি পণ্যের সমাহার। সব মিলিয়ে যেন শিশুদের জন্য তৈরি হয়েছে এক অন্যরকম আনন্দের জগৎ।

দুই বছর পর আবারও বসেছে গুড়পুকুর মেলা। ১ অক্টোবর শুরু হওয়া এ মেলা চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। চতুর্থ দিনে এসে মেলার বিভিন্ন আয়োজন আরও জমে উঠেছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিশুরা ঘুরে দেখছে মেলার বিভিন্ন স্টল ও বিনোদনের আয়োজন।

বিনেরপোতা থেকে বাবার হাত ধরে মেলায় এসেছে সুমাইয়া ইয়াসমিন (৯)। একের পর এক আয়োজন দেখছিল সে। তবে নাগরদোলার সামনে এসে থমকে যায় তার চোখ। মেলার কোন জিনিসটি সবচেয়ে ভালো লেগেছে জানতে চাইলে সুমাইয়া জানায়, নাগরদোলায় চড়ার আনন্দই তার কাছে সবচেয়ে বেশি। সঙ্গে পছন্দের একটি খেলনা নিয়ে বাড়ি ফেরার ইচ্ছাও রয়েছে তার।

শিশু শোভন (৭)-এর আবার নাগরদোলার চেয়ে বেশি পছন্দ শিশুদের ট্রেন। ট্রেনে ওঠার জন্য সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল সে। নিজের পালা আসতেই আনন্দে চড়ে বসে। ট্রেন চলতে শুরু করলে চারপাশ দেখতে দেখতে হাত নাড়ছিল। তার কাছে মেলার সবচেয়ে মজার বিষয়—একসঙ্গে এত কিছু দেখা আর ঘুরে বেড়ানো।

তাবাচ্ছুম আক্তার (১৪) মেলায় এসেই ছুটে যায় খেলনার দোকানে। নানা রঙ ও আকৃতির খেলনা দেখে একটির পর একটি হাতে নিয়ে দেখছিল সে। শেষ পর্যন্ত পছন্দের খেলনা হাতে পেয়ে মুখে ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুরে দেখে মেলার অন্যান্য আয়োজন।
দেবহাটা থেকে আসা চুমকির পছন্দ নাগরদোলা ও রঙিন খেলনা। মেলার আলো, মানুষের ভিড় আর সারি সারি খেলনা দেখে তার চোখেমুখে ছিল বিস্ময়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখার আবদারও করছিল সে।

শিশুদের এই আনন্দের অংশীদার অভিভাবকেরাও। সন্তানদের হাত ধরে মেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরছেন তাঁরা। কেউ সন্তানের পছন্দের খেলনা কিনে দিচ্ছেন, কেউ নাগরদোলায় তুলে দিচ্ছেন, আবার কেউ শিশুদের ট্রেনের টিকিট কাটতে ব্যস্ত।

শহরের লস্করপাড়া থেকে আসা হোসনে আরা বলেন, সন্তানদের আনন্দ দেখতেই মেলায় এসেছেন। দীর্ঘদিন পর মেলা হওয়ায় বাচ্চাদের আগ্রহও অনেক বেশি। মেলায় এসে তাদের আনন্দ করতে দেখে ভালো লাগছে।

বাঁশদহা থেকে আসা বিলকিস খাতুন বলেন, বাচ্চাদের আনন্দ দেখে নিজের ছোটবেলার কথা মনে পড়ছে। ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে এভাবেই মেলায় এসে ঘুরে বেড়াতেন তাঁরা। এখন সন্তানদের হাত ধরে সেই একই মেলায় আসতে পেরে ভালো লাগছে।

আশাশুনি থেকে পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছেন ওকালত হোসেন। তিনি বলেন, ছোটদের জন্য মেলার আনন্দই আলাদা। দুই বছর পর মেলা হওয়ায় এবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছেন। সন্তানদের মুখে হাসি দেখলেই বোঝা যায়, তারা কতটা আনন্দ করছে।

গুড়পুকুর মেলা শুধু কেনাকাটা কিংবা বিনোদনের আয়োজন নয়, নতুন প্রজন্মের কাছে এটি ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ। বাবা-মায়ের হাত ধরে মেলার মাঠে ঘুরতে ঘুরতে শিশুরা দেখছে বহুদিনের পুরোনো এই আয়োজন। নাগরদোলার ঘূর্ণন, ট্রেনের হুইসেল আর শিশুদের উচ্ছ্বাসে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে গুড়পুকুর মেলা।

চতুর্থ দিনে এসে শিশুদের হাসি-আনন্দে আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে মেলার মাঠ। দুই বছর পর ফিরে আসা এই আয়োজন যেন পুরোনো ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের আনন্দেরও এক সুন্দর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

 

Ads small one

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস পাইকগাছায় সূপেয় পানি প্রকল্পের কাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস পাইকগাছায় সূপেয় পানি প্রকল্পের কাজ শুরু

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাইকগাছা ক্যাম্পাসে ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৫ একর জায়গাজুড়ে সুপেয় পানি প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষি অনুষদে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাইকগাছায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের যাবতীয় কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে সোমবার দুপুরে ক্যাম্পাস পরিদর্শনে যান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা জানান, ২৫ একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত এই ক্যাম্পাসে বৃষ্টির পানি ধরে রেখে ভূগর্ভে পাঠানো হবে। পরে তা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে পাম্পের সাহায্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসে অবস্থানরত সবার জন্য সরবরাহ করা হবে। সুপেয় পানির সংকটের কারণেই এতদিন ক্যাম্পাসের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

চলতি শিক্ষাবর্ষেই চারটি বিভাগে ২০ জন করে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল ও গবাদিপশু বিষয়ক গবেষণার জন্য দুটি শেড নির্মাণ করা হয়েছে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালনকারী জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক আমিরুল ইসলাম কাগজী বলেন, পাইকগাছার এই ক্যাম্পাসটি মূলত কৃষি কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমান সরকার এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত করেছে। দ্রততম সময়ের মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হবে। পরিদর্শনকালে পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সাবেক প্রকৌশলী এম এ মতিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

শ্যামনগরে ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমায় দক্ষযজ্ঞ ও শিবের তান্ডবনৃত্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমায় দক্ষযজ্ঞ ও শিবের তান্ডবনৃত্য

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে শ্যামনগরে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। উপজেলার দক্ষিণ বড়কুপট নদীরপাড় পূজাম-পে এবার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে পৌরাণিক দৃশ্যপটÑদক্ষযজ্ঞে সতীর দেহত্যাগ এবং সতীর বিয়োগে ভগবান শিবের তা-বনৃত্য।

মাটি ও ফাইবার দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ২৫ ফুট উচ্চতার বিশাল প্রতিমা। আয়োজকদের দাবি, এটি খুলনা বিভাগের সবচেয়ে উঁচু প্রতিমা। ব্যতিক্রমী নান্দনিকতা ও পৌরাণিক কাহিনির উপস্থাপনার কারণে পূজার আগেই ম-পটিকে ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, পৌরাণিক কাহিনি ও ধর্মীয় আবেগকে শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। প্রতিমার মাধ্যমে দক্ষযজ্ঞের ঘটনাপ্রবাহ, সতীর আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী সময়ে শিবের শোক, ক্রোধ ও তা-বের দৃশ্য তুলে ধরা হচ্ছে। বিশাল প্রতিমার পাশাপাশি ম-পসজ্জাতেও থাকছে ভিন্নধর্মী আয়োজন।

দক্ষিণ বড়কুপট নদীরপাড় পূজাম-প পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিবুপদ জানান, প্রতিবছরই এই ম-পে প্রচুর ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়। এবার ২৫ ফুট উচ্চতার প্রতিমা ও পৌরাণিক দৃশ্যপট উৎসবের আকর্ষণ বহু গুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। পূজার দিনগুলোতে দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আনন্দ বজায় রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দীর্ঘ ৯ বছর পর আবাদের হাট বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি গফফার ও সম্পাদক রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ ৯ বছর পর আবাদের হাট বাজার কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি গফফার ও সম্পাদক রেজাউল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর সাতক্ষীরার আবাদের হাট বাজার কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে মোট ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে দুটি প্যানেলে ৩৪ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ৬ জন প্রার্থী অংশ নেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল দুটি ছিলÑআব্দুল গফফার ও এস এম আজিমুল্লাহ (ময়না) প্যানেল এবং মো. আকরাম ও মো. আব্দুল মজিদ প্যানেল। নির্বাচনে ৬০২ জন ভোটারের মধ্যে ৫৫৬ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, সভাপতি পদে আব্দুল গফফার-আজিমুল্লাহ প্যানেল ১০টি, আকরাম-মজিদ প্যানেল ৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২টি পদে জয়লাভ করেছেন।

কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. আব্দুল গফফার (বাস প্রতীক) ৩৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকরাম হোসেন (মোটরসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ১৯৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল ইসলাম (ডালিম প্রতীক) ২৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন; তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহিনুর রহমান (বই প্রতীক) পেয়েছেন ৯৬ ভোট।

সহসভাপতি পদে মো. শফিকুল ইসলাম (কলম প্রতীক, ২৬১ ভোট) ও মো. শামসুর রহমান (হরিণ প্রতীক, ২২৪ ভোট) বিজয়ী হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মাসুম বিল্লাহ (উড়োজাহাজ প্রতীক, ৩৪৩ ভোট) ও জালাল উদ্দিন (টেবিল ফ্যান প্রতীক, ২৭৮ ভোট) জয় পেয়েছেন।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেনÑসাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন (হাতি, ২৮০ ভোট), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ হোসেন (চেয়ার, ৪৫৬ ভোট), কোষাধ্যক্ষ আমিনুল এহসান ( ব্যাট, ২৭৫ ভোট), দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম (মোরগ, ৩৫১ ভোট), প্রচার সম্পাদক আব্দুস সামাদ মিন্টু (মাইক, ৩১২ ভোট), ধর্মবিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান (ঘুড়ি, ৩৪৭ ভোট) এবং ক্রীড়া সম্পাদক মামুনুর রহমান (আনারস, ৩২২ ভোট)।

এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেনÑআমিরুল ইসলাম (কেটলি, ৩৫৪ ভোট), সালাউদ্দিন (হাঁস, ২৮৩ ভোট), শাহাজান আলী (বাইসাইকেল, ২৬১ ভোট) ও মনিরুল ইসলাম (টেবিল, ২৫৯ ভোট)।

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ১১ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক ও ৫ নম্বর শিবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ এবং সদস্যসচিব ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম ভোটিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব আবুল কালাম জানান, কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা অনিয়ম ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রার্থীরা নিজ নিজ সমর্থনের ভিত্তিতে জয়ী হয়েছেন।