বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

জলবায়ু রক্ষায় আশাশুনির শিশু-কিশোরদের ৫ হাজার চারা রোপণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
জলবায়ু রক্ষায় আশাশুনির শিশু-কিশোরদের ৫ হাজার চারা রোপণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা ও লোনা পানির আগ্রাসন থেকে উপকূলীয় প্রকৃতিকে রক্ষায় ৫ হাজার চারা রোপণ করেছে আশাশুনির শিশু-কিশোররা। আশাশুনি উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, উপকূলের ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও লোনা পানির বিস্তার রুখতে বৃক্ষরোপণই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এই চারা রোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং উপকূলকে মরুভূমিকরণ ও অক্সিজেনের ঘাটতি থেকে রক্ষার এক অঙ্গীকার।
কর্মসূচিতে সহায়তায় ছিল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও। সংস্থাটির প্রকল্প প্রধান শামসুল হক মৃধা জানান, বৈশ্বিক ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় পর্যায়ে এমন অভিযোজনমূলক উদ্যোগ জরুরি।
অনুষ্ঠানে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাঝহারুল ইসলাম মুকুল, ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনা বিলকিস ময়না ও শিক্ষক নারায়ন পাল বক্তব্য দেন। শিক্ষার্থীরা জানায়, নিজেদের চারপাশের পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতেই তারা ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের এসব চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে।

Ads small one

হেমন্তের শান্ত বলুয়া নদীতে বিজয়া দশমীর নৌকাবাইচ: তালের ছন্দে মুখর দুই তীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
হেমন্তের শান্ত বলুয়া নদীতে বিজয়া দশমীর নৌকাবাইচ: তালের ছন্দে মুখর দুই তীর

আসাদুজ্জামান সরদার: কার্তিকের সোনাঝরা রোদ আর স্নিগ্ধ বাতাসের স্পর্শে প্রকৃতিতে তখন হেমন্তের রূপময় উপস্থিতি। শারদীয় দুর্গাপূজার মহাবিজয়াদশমীর বিষাদ ও আনন্দের মিশ্র সুরের মাঝেই গ্রামীণ জনপদে বেজে উঠেছিল উৎসবের অন্যরকম এক বাদ্য। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী বলুয়া নদীর শান্ত বুকে স্বর্গীয় বাশিরাম স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক বর্ণিল ও রোমাঞ্চকর নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।

 

বিজয়া দশমীর সিঁদুর খেলা আর প্রতিমা বিসর্জনের পূর্বলগ্নে নদীমাতৃক বাংলার এই প্রাচীন রূপ দেখতে বলুয়া নদীর দুই তীরে উপচে পড়ে হাজারো মানুষের ভিড়। স্বচ্ছ জলের আলপনায় নদীর বুকে তখন সাজ সাজ রব। বৈঠার জাদুকরী ছন্দে চঞ্চল হয়ে ওঠা জলের ঢেউ আর দর্শকদের মুহুর্মুহু করতালি ও উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। ঐতিহ্য ও উদ্দীপনার এই প্রতিযোগিতায় মোট ৮টি সুসজ্জিত নৌকা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলো হলোÑসোনা বাঁধাল, দাদপুর, বনবিবি, চর মাগুরা, কুলপোতা, মহিষাডাংগা কালিমাতা ও মহিষাডাংগা জয়মা।

নৌকাগুলোর গতি আর মাঝিদের সমস্বরে গাওয়া ভাটিয়ালি ও জারি গানের সুরে নদীর দুই তীরের দর্শকেরা আনন্দে মেতে ওঠেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও তীব্র উত্তেজনার মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হয় বিজায়ীদের নাম। এতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করে কুলপোতা। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে চর মাগুরা এবং তৃতীয় হয় মহিষাডাংগা কালীমাতা। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী আলাউদ্দিন। সহকারী অধ্যাপক হিরুলাল বিশ্বাস ও দেবব্রত বিশ্বাস দেবুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীদুর রহমান, কুল্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর ছাকী পলাশ, চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস ও মেহেদী হাসান সগর।

 

এ ছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন। হেমন্তের এই আনন্দময় সন্ধ্যায় বিজয়াদশমীর অনন্য নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা বলুয়া নদীর তীরে উপস্থিত মানুষের মনে দীর্ঘদিনের জন্য এক অমলিন উৎসবের রেশ রেখে গেছে।

 

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

খলিষখালি (পাটকেলঘাটা) প্রতিনিধি: দীর্ঘ পাঁচ দিন ধরে দেবী দুর্গাকে আপন মনে পূজা-অর্চনা করার পর ২১ অক্টোবর সাতক্ষীরা ও তালার খলিলপুর, দলুয়া, মাগুরা, ইসলামকাটি, কুমিরা ও পাটকেলঘাটাসহ বিভিন্ন পূজাম-পে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইসলামকাটি কপোতাক্ষ নদের দুই তীরে হাজার হাজার নারী-পুরুষ হাজির হন প্রতিমা বিসর্জনের জন্য। শুধু তাই নয়, নদের দুই তীরে বসেছিল নানা রকম মাটির তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, কসমেটিকস ও হরেক রকমের মিষ্টির দোকান।

বিকেল থেকে দলুয়া শালিকা নদীর তীরে, মাগুরা কপোতাক্ষ নদের তীরে ও ইসলামকাটি কপোতাক্ষ নদের দুই তীরে হাজার হাজার নারী-পুরুষের সমাগমে উৎসব ও আনন্দে একাকার হয়ে যায় চারপাশ। অবশেষে সন্ধ্যা নামতেই প্রতিমা বিসর্জনের কাজ শুরু হয়। বিসর্জন শেষে নারী-পুরুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে বাড়ি ফিরে যান।

আশাশুনি সদরের চেয়ারম্যান প্রার্থী তারিকুজ্জমানের পূজা ম-প পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনি সদরের চেয়ারম্যান প্রার্থী তারিকুজ্জমানের পূজা ম-প পরিদর্শন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শন করেছেন। বুধবার বিকেল ৩টায় পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন তিনি।

সঙ্গীদের নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী তারিকুজ্জামান তুষার দাসেরআটি সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, বলাবাড়িয়া সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, বিল দুর্গাপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, হাঁসখালী সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, হাড়িভাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, কোদন্ডা সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প ও বড় দুর্গাপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শন করেন।