বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

তালায় এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
তালায় এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

তালা প্রতিনিধি: এসো উন্নত তালা গড়ি স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালায় তালা সদর উন্নয়নে নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে মোবারকপুরের উত্তরণ ট্রেনিং সেন্টারে তালা উন্নয়ন কমিটির আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব তালার উন্নয়নে বেশ কিছু পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে তালায় কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। উপযুক্ত জায়গা পাওয়া গেলে শিশু পার্ক স্থাপন করা হবে। তালা বাজারের পুকুর ভরাট করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ কপোতাক্ষ নদের পাশ দিয়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণ এবং সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে জনস্বার্থে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব আরও বলেন, তালার রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হবে। হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের সাইকেল দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তালা প্রেসক্লাব ভবনের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো এবং তালায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে তিনি বলেন, সাতক্ষীরার মধ্যে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে অগ্রাধিকার দিয়ে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড সঠিক ও স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ এবং কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উত্তরণ পরিচালক শহিদুল ইসলাম। উন্নয়ন প্রচেষ্টা পরিচালক শেখ ইয়াকুব আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, তালা উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান, তালা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীন জোয়াদ্দার, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রায়হানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সভায় তালা সদরকে পৌরসভায় উন্নীতকরণ, উপজেলা প্রশাসন ও সেবাকেন্দ্রগুলো এককেন্দ্রীককরণ, রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি জনস্বার্থে ব্যবহার, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পার্ক স্থাপন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর নিষ্কাশন ব্যবস্থার দাবি তুলে ধরা হয়।

Ads small one

মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী মাহমুদকাটীতে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান।
বুধবার পাইকগাছা উপজেলার মাহমুদকাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে অনির্বাণ লাইব্রেরি, ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন। অনির্বাণ লাইব্রেরির সহসভাপতি বাসুদেব রায়ের সভাপতিত্বে ও সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সহযোগী অধ্যাপক সফিয়ার রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী প্রতিটি গাছের দেখভালের ওপর জোর দিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘গার্ডিয়ানশিপ’ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

খুলনায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
খুলনায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস পালিত

খুলনা ব্যুরো: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বুধবার রাতে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন মানবদরদি, সমাজ সংস্কারক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁর সাহিত্য মানবিকবোধ জাগ্রত করে।

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান এবং স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা কালচারাল অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম।

 

সম্পাদকীয়/ সংকটে কেশবপুরের অবোলা ঐতিহ্য: দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সংকটে কেশবপুরের অবোলা ঐতিহ্য: দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

যশোরের কেশবপুরের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান। অথচ প্রকৃতির এই সুন্দর সৃষ্টিগুলো আজ চরম খাদ্য সংকটে পড়ে অস্তিত্ব রক্ষায় দিশেহারা। লোকালয় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওদের আনাগোনা কিংবা মানুষের দুয়ারে গিয়ে আহত হনুমানের চিকিৎসার করুণ আকুতি কেবল খাবারের অভাবকেই তুলে ধরে না, বরং প্রাণী সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার এক বড় দুর্বলতা স্পষ্ট করে তোলে।
বনজ সম্পদের দ্রুত হ্রাস এবং সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে অবোলা প্রাণীগুলো লোকালয়ে এসে নিয়মিত দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার শিকার হচ্ছে। সরকারিভাবে দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ কলা, পাউরুটি, বাদাম ও সবজি বরাদ্দ দেওয়া হলেও চার শতাধিক হনুমানের চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই অপ্রতুল। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো গণনা না হওয়ায় প্রয়োজনের সঠিক হিসাবও আড়ালে রয়ে যাচ্ছে। প্রাণী ও মানুষের সংঘাত এড়াতে অবিলম্বে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সেগুলো হলোÑ অবিলম্বে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে হনুমানের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী দৈনিক খাদ্য বরাদ্দ কয়েকগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। বসতবাড়ি ও ফলজ বাগান রক্ষায় নির্দিষ্ট অভয়ারণ্যে পর্যাপ্ত ফলদ গাছ রোপণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার। বিপজ্জনক বিদ্যুৎলাইন ও তারগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যেন খাদ্যের খোঁজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আর কোনো হনুমানের প্রাণহানি না ঘটে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ টিম প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন। কেশবপুরের কালোমুখো হনুমান রক্ষায় বন বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সময়মতো সঠিক উদ্যোগ না নিলে এই বিরল প্রজাতিটি আমাদের হাত থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে।