মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

তালায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ইনসেপশন মিটিং

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
তালায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ইনসেপশন মিটিং

তালা প্রতিনিধি: দাতা সংস্থা মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনাল জার্মানির আর্থিক সহায়তায় তালা উপজেলায় মুক্তি ফাউন্ডেশন বাস্তবায়িত ‘বিএমজেড-পিটি প্রজেক্ট-৮৫৫২’-এর প্রজেক্ট ইনসেপশন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তালা উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভার আয়োজন করা হয়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। মুক্তি ফাউন্ডেশনের পরিচালক গোবিন্দ ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী শহীদুল ইসলাম ও ফাইন্যান্স কো-অর্ডিনেটর মোস্তফা এহসান।
অনুস্থানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত খান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুম বিল্লাহ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তারিক ইমাম এবং তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জোয়ার্দ্দার ফারুক হোসেন।
সভায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে প্রকল্পের সামগ্রিক রূপরেখা ও লক্ষ্য উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন মোল্যা। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ প্রায় ৫০ জন অংশ নেন।

 

Ads small one

ফ্রান্সের বিপক্ষে ২–০ গোলে এগিয়ে গেল স্পেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের বিপক্ষে ২–০ গোলে এগিয়ে গেল স্পেন

ফ্রান্স দলে আরও দুই পরিবর্তন
৭২ মিনিটে মাঠ ছাড়লেন মাইকেল ওলিসে ও লুকাস দিনিয়ে। আর এ দুজনের পরিবর্তনে মাঠে নেমেছেন রায়ান শেরকি ও থিও হার্নান্দেজ।

০২: ২৫
ইয়ামালের গোল বাতিল
মনে হচ্ছিল লামিনে ইয়ামাল গোল করে ম্যাচ সিলাগালা করে দিয়েছেন। কিন্তু ৬৪ মিনিটে করা ইয়ামালের গোলটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে।

০২: ২১
২–০ গোলে এগিয়ে স্পেন, বিপদে ফ্রান্স
ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় থাকা ফ্রান্স এখন আরও বড় বিপদে পড়ল। তারা পিছিয়ে গেল ২–০ গোলে। ৫৮ মিনিটে গোলটি করেছেন পেদ্রো পোরো।

গোলটি অনেকটাই নিজের চেষ্টায় তৈরি করেন পোরো। দানি ওলমোর সঙ্গে দ্রুত ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে পড়েন পরো। এরপর দারুণ স্থিরতায় মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান তিনি।

ফ্রান্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলের পর স্পেনের উদ্‌যাপন
ফ্রান্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলের পর স্পেনের উদ্‌যাপনরয়টার্স
০২: ১৯
নামলেন দেজিরে দুয়ে
সমতা ফেরানোর অপেক্ষায় থাকা ফ্রান্স ৫৯ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলার বদলে মাঠে নামিয়েছে দেজিরে দুয়েকে।

০২: ১০
ফ্রান্স দলে পরিবর্তন
বিরতির সময়ই পরিবর্তন আনল ফ্রান্স। পরিবর্তনটি ছিল প্রত্যাশিতও। প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড দেখা মিডফিল্ডার আদ্রিয়াঁ রাবিওর বদলে মাঠে নেমেছেন রোমার মিডফিল্ডার মানু কোনে।

০১: ৫১
স্পেন ১ : ০ ফ্রান্স (হাফ টাইম)
বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১–০ এগিয়ে আছে স্পেন। পেনাল্টি থেকে প্রথমার্ধে একমাত্র গোলটি করেছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। প্রথমার্ধে চেনা রূপে দেখা যায়নি ফ্রান্সকে।

ম্যাচের ২০ মিনিটে লুকাস দিনিয়ে বক্সের ভেতরে অসাবধানতাবশত লামিনে ইয়ামালকে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় স্পেন। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করেন ওইয়ারসাবাল।

এর কিছুক্ষণ পরই ফ্রান্সের দুশ্চিন্তা আরও বাড়ে। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা।

এই বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে এতটা অস্থির আগে দেখা যায়নি। এত দিন তারা ছিল প্রায় অপ্রতিরোধ্য। কিন্তু দিনিয়ের বিপক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত, দেম্বেলের ওপর ফাউলের জন্য পাওয়া ফ্রি-কিক ভিএআরের মাধ্যমে বাতিল হওয়া এবং জুলস কুন্দের বিপক্ষে আরেকটি সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে ফরাসি খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্ষোভ জমতে দেখা যাচ্ছে। এখন দ্বিতীয়ার্ধে দিদিয়ের দেশমের দল ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষা।

স্পেন পেনাল্টির আশীর্বাদে শুরুতেই এগিয়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২:২৮ পূর্বাহ্ণ
স্পেন পেনাল্টির আশীর্বাদে শুরুতেই এগিয়ে

চলমান ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যকার মহারণে শুরুতেই এগিয়ে গেছে স্পেন।

ম্যাচের ১৯তম মিনিটে ফ্রান্সের পেনাল্টি বক্সের ভেতরে স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস ডিগনে। এতে স্পেনের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

স্পট কিক থেকে কোনো ভুল করেননি মিকেল ওয়ারজাবাল। তার নেওয়া নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে যায় ফ্রান্সের জালে। ফলে ম্যাচের ১৯ মিনিটেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: শিক্ষার্থীহীন মাদ্রাসায় ১৭ শিক্ষক-কর্মচারী!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: শিক্ষার্থীহীন মাদ্রাসায় ১৭ শিক্ষক-কর্মচারী!

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল প্রাণ হলো শিক্ষার্থী। অথচ খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সোনাতনকাটি আলহেরা দাখিল মাদ্রাসার যে চিত্র গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, তা কেবল উদ্বেগজনকই নয়, রীতিমতো স্তম্ভিত করার মতো। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে যে প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী নেই, কোনো শ্রেণিকক্ষ বা শিক্ষা উপকরণ নেই, সেখানে কাগজে-কলমে বহাল তবিয়তে আছেন ১৭ জন শিক্ষক ও কর্মচারী! দিনের বেলা যে মাদ্রাসার জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষগুলো ব্যবহৃত হয় গোয়ালঘর বা ছাগল বাঁধার স্থান হিসেবে আর রাতে যেখানে বসে মাদকসেবীদের আড্ডাÑসেই ভুতুড়ে প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর ধরে সরকারি বই, উপবৃত্তি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাগিয়ে নিচ্ছে কোন জাদুবলে, সেই প্রশ্ন এখন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
১৯৯৮ সালে স্থানীয়দের দান করা জমিতে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি শুরুর দিকে ভালো চললেও পরবর্তী সময়ে সুপারিন্টেন্ডেন্টের নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ২০১১ সাল থেকে সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীশূন্য হয়ে পড়ে। অথচ সরকারি খাতায় প্রতিষ্ঠানটিকে সচল দেখাতে প্রতি বছর জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। অবাক করার বিষয় হলো, চলতি বছরও প্রতিষ্ঠানটি ২২৫ সেট নতুন বইয়ের চাহিদা পাঠায় এবং প্রাক-প্রাথমিক থেকে দাখিল দশম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি বই বরাদ্দও পায়! যেখানে বাস্তবে একজন শিক্ষার্থীরও অস্তিত্ব নেই, সেখানে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি বই এবং উপবৃত্তির টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে, তা বুঝতে খুব একটা বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, শিক্ষার পবিত্র আঙিনাকে ব্যবহার করে এখানে এক পারিবারিক লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসার নামে বরাদ্দ হওয়া সমস্ত সরকারি অনুদান ও সুবিধা মূলত সুপার ও তাঁর সহকারী শিক্ষিকা স্ত্রী মিলে আত্মসাৎ করছেন। গণমাধ্যমকর্মীদের সরেজমিন অনুসন্ধানেও এর প্রমাণ মিলেছে। যখন মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে ছাগল ও গোখাদ্য মজুত থাকতে দেখা যায়, তখন সহকারী শিক্ষিকা নিজ বাড়িতে ধান শুকানোর ফাঁকে ‘এইমাত্র ক্লাস নিয়ে আসার’ যে দাবি করেন, তা এক চরম ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছুই নয়। শিক্ষার নামে এমন প্রকাশ্য জালিয়াতি ও প্রতারণা বছরের পর বছর ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে চলছে, তা ভাবতেই অবাক লাগে।
ইতিমধ্যেই জমিদাতারা শিক্ষাহীন এই প্রতিষ্ঠানের কবল থেকে তাঁদের সম্পত্তি ফেরত চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এই জালিয়াতির খবর শুনে বিস্মিত হয়েছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আমরা মনে করি, শুধু সাধারণ খোঁজখবর নেওয়াই যথেষ্ট নয়। এই ভুয়া প্রতিষ্ঠানের আড়ালে সরকারি সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের যে বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, তার শিকড় উপড়ে ফেলা জরুরি। শিক্ষা খাতের বরাদ্দ নিয়ে এমন তামাশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আলহেরা দাখিল মাদ্রাসার এই জালিয়াতির ঘটনার একটি উচ্চপর্যায়ের ও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে, জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনি শাস্তির আওতায় এনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।