শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

দুর্গামন্দিরের বারান্দায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
দুর্গামন্দিরের বারান্দায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দ অনুজ, ফকিরহাট (বাগেরহাট): বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা বাজারের কেন্দ্রীয় দুর্গামন্দিরের বারান্দা থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারী গত তিন থেকে চার দিন ধরে বেতাগা বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। এর আগে তাকে উপজেলার কাটাখালী মোড় এলাকাতেও দেখা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নারীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা মানবিক কারণে তাকে মন্দিরের বারান্দায় সিমেন্টের বস্তার ওপর মাথা দিয়ে শুইয়ে রাখেন। শুক্রবার সকালে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

খবর পেয়ে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানা গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

Ads small one

দিনমজুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
দিনমজুর

রেজাউল করিম রোমেল
আমি এক নিমজুর গায়ে খেটে খাই,
দেশের নিয়মনীতি আমার জানা নাই।
সারানি গায়ে খেটে যে টাকা পাই,
তা েিয় সংসার আমার চলেনারে ভাই।
মুখ্যু সুখ্যু মানুষ আমি বুঝি না রাজনীতি,
পেটের ায়ে নিমজুর বুঝি না স্বজনপ্রীতি।
চাল ডাল তেল নুন কিনতে লাগে যে টাকা,
এসব কিনতে গেলে আমার পকেট হয় ফাঁকা।
আমরা হলাম নিমজুর আমারে দুঃখ বুঝবে কি তারা,
দেশের নেতা-নেত্রী আর মন্ত্রী এমপি যারা।

শিশু শ্রম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
শিশু শ্রম

সুশান্ত কুমার দে
দশ বছর পেরিয়ে যায়নি
বয়স খোকার নয়,
কচি মুখের মিষ্টি হাসিটা
কুড়ে কুড়ে হয় ক্ষয়।

বই পত্তর ও খাতা কলম
কেনার সামর্থ্য নাই,
বাপ গিয়েছেন পরপারে
মা, ও রোগ শয্যায়।

সারাদিন অটো গ্যারেজে
হাড় খাটুনি খাটে;
সন্ধ্যা হলেই, মজুরি নিয়ে
বাড়ির দিকে হাঁটে।

কেউ দ্যাখেনি ও শোনেনি
মজুরি খোকার কত?
রুগ্ন মা, বসে পথের ধারে
তাকায় কতো শত!

বিশ টাকা পকেটে ভরে
ছেলে ফেরে বাড়ি
ক্লান্ত ছেলের ঘাম মুছতে
সিক্ত মায়ের শাি

শিবসা: প্রথম দেখার সেই ক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
শিবসা: প্রথম দেখার সেই ক্ষণ

অরুণ সান্যাল
সেদিন দুপুরের ঘামঝরা রৌদ্রোজ্জ্বল আলোয়
প্রথম যখন তোমার সামনে দাঁড়ালাম,
থমকে গিয়েছিল আমার চেনা জগতটাও।

দিগন্তজোড়া তোমার ওই বিশাল রূপ দেখে মনে হয়েছিল,
কোনো নদী নয়-এক জীবন্ত ইতিহাস বয়ে চলেছে।
বাতাসে উথাল-পাথাল নোনা ঘ্রাণ আর ঢেউয়ের গর্জন
প্রথমবার আমার কানে কোনো এক অচেনা তৃষ্ণার কথা বলেছিল।

বিস্ময়ে চেয়ে দেখেছিলাম, কীভাবে আকাশের সবটুকু নীল
তোমার অথৈ জলের গভীরে এসে আশ্রয় নিয়েছে।
তীরের পলিমাটিতে রাখা আমার প্রথম পদক্ষেপটি যেন
এক আজন্ম সম্পর্কের নীরব অঙ্গীকার ছিল।
ঢেউয়ের ছোঁয়ায় যখন পায়ের আঙুল ভিজে উঠল,
এক অদ্ভুত শিহরণে কেঁপে উঠেছিল আমার সত্তা।
বনের কোল ঘেঁষে তোমার বাঁক নেওয়া সেই ভঙ্গিটি
ছিল যেন কোনো লাজুক কিশোরীর প্রথম আড়চোখে চাওয়া।

সেই প্রথম দেখাতেই বুঝেছিলাম, আমার বুকের ভেতরকার
সবটুকু হাহাকার তোমার এই মোহনাতেই এসে মিশবে।
একপাশে সুন্দরবন আর মাঝে তোমার এই অশান্ত
বিস্তার সেদিন আমার কাছে এক মহাকাব্যের মতো মনে হয়েছিল।
শিবসা, সেই একটি দেখাতেই তুমি আমার হৃদয়ে স্থায়ী
এক গভীর ও নীল ক্ষত হয়ে আজীবন রয়ে গেলে।